ঢাকা ১২:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
আবারও ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা কমেছে স্বর্ণের দাম ইসরায়েলকে নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্রের সক্ষমতা যাচাই করতে চায় ইরান গুলিবিদ্ধ শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘কাইল্লা’ পলাশ মারা গেছেন নারীর ক্ষমতায়নে ইউএন উইমেনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার জনসচেতনতা বাড়লে সড়ক দুর্ঘটনা কমে আসবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী পাকিস্তানে আফগানিস্তানের বিমান হামলা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বদলে যাচ্ছে বগুড়ার আলোচিত দুই ইউনিয়নের নাম শ্রেণিকক্ষে শিক্ষককে কুপিয়ে হত্যা, দুই বছর পর রহস্য উদঘাটন স্ত্রীর আত্মহত্যার মামলায় অভিনেতা আলভী কারাগারে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকেই পাঠ্যবইয়ে বাধ্যতামূলক হচ্ছে কারিগরি শিক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

কনকনে শীতে কাঁপছে উত্তরের জনপদ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:১২:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ অক্টোবর ২০১৭
  • ৫৩২ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ উত্তরের সীমান্ত জেলা দিনাজপুরে জেঁকে বসেছে শীত। হঠাৎ জেঁকে বসা শীতে চরম বিপাকে পড়েছে সাধারণ মানুষ। ঘন কুয়াশা আর হিমেল হাওয়ায় শীতে নাকাল হয়ে পড়েছে দিন-মুজুর ও খেটে খাওয়া মানুষের জীবন। দু’দিন থেকে ঘন কুয়াশা আর কনকনে শীতে কাঁপছে উত্তরের জনপদ।

কুয়াশার চাদর ভেদ করে সূর্য উদিত হলেও কমছে না শীতের প্রকোপ। শীতবস্ত্রের অভাবে শীতের প্রকোপ থেকে মুক্তি পেতে অনেকে খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা চালাচ্ছে। লেপ তোশক বানানোর ধুম পড়েছে।

শীতের কারণে শিশুদের সর্দি-জ্বর, কোল্ড ডায়রিয়া, আমাশাসহ বিভিন্ন শীতজনিত রোগ বৃদ্ধি পাচ্ছে। হাসপাতালগুলোতে শীতজনিত রোগে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা বাড়ছে। ঘন কুয়াশা আর হিমেল হাওয়ায় জেঁকে বসেছে শীত। কুয়াশার চাদর ভেদ করে সূর্য উদিত হলেও কমছে না শীতের প্রকোপ।

ধান, ঘাস, ফুল, লতা-পাতাগুলো শিশিরে ভেজা থাকছে। সূর্যের আলোয় ঝিলিক মারছে শিশির ফোটা। সোমবার দুপুরে হঠাৎ বৃষ্টির পর শুরু হয়েঠে এই হিমেল হাওয়া আর সন্ধে থেকে জেঁকে বসে কন কনে শীত। জেঁকে সবা কনকনে শীতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছে শিশু ও বয়ষ্করা।

ঠাণ্ডাজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশু ও বয়ষ্করা। হাসপাতালে বেড়ে চলেছে শিশু ও বয়ষ্ক রোগী সংখ্যা। হঠাৎ শীতে শ্রমজীবী মানুষের বেড়েছে চরম দুর্দশা। ঠাণ্ডার কারণে ঘরের বাইরে বের হতে পারছেন না তারা। হতদরিদ্র-ছিন্নমূল মানুষ শীতবস্ত্রের অভাবে অনেকেই খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা চালাচ্ছেন।

ঘন কুয়াশার কারণে দিনের বেলাতেও রাস্তায় যানবাহন চালাতে হচ্ছে হেড লাইট জ্বালিয়ে। এদিকে ধুম পড়েছে লেপ-তোশক তৈরির। এবার দাম বেড়েছে লেপ-তোশকের। সাধারণ মানুষের ক্রম ক্ষমতার বাইরে গেছে শীত নিবারণের বস্ত্র তৈরিতে। শীতের প্রকোপ থেকে রেহাই পেতে হতদরিদ্র-ছিন্নমূল মানুষ এই মুহূর্তে শীতবস্ত্রের দাবি তুলেছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

আবারও ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা কমেছে স্বর্ণের দাম

কনকনে শীতে কাঁপছে উত্তরের জনপদ

আপডেট টাইম : ১১:১২:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ অক্টোবর ২০১৭

হাওর বার্তা ডেস্কঃ উত্তরের সীমান্ত জেলা দিনাজপুরে জেঁকে বসেছে শীত। হঠাৎ জেঁকে বসা শীতে চরম বিপাকে পড়েছে সাধারণ মানুষ। ঘন কুয়াশা আর হিমেল হাওয়ায় শীতে নাকাল হয়ে পড়েছে দিন-মুজুর ও খেটে খাওয়া মানুষের জীবন। দু’দিন থেকে ঘন কুয়াশা আর কনকনে শীতে কাঁপছে উত্তরের জনপদ।

কুয়াশার চাদর ভেদ করে সূর্য উদিত হলেও কমছে না শীতের প্রকোপ। শীতবস্ত্রের অভাবে শীতের প্রকোপ থেকে মুক্তি পেতে অনেকে খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা চালাচ্ছে। লেপ তোশক বানানোর ধুম পড়েছে।

শীতের কারণে শিশুদের সর্দি-জ্বর, কোল্ড ডায়রিয়া, আমাশাসহ বিভিন্ন শীতজনিত রোগ বৃদ্ধি পাচ্ছে। হাসপাতালগুলোতে শীতজনিত রোগে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা বাড়ছে। ঘন কুয়াশা আর হিমেল হাওয়ায় জেঁকে বসেছে শীত। কুয়াশার চাদর ভেদ করে সূর্য উদিত হলেও কমছে না শীতের প্রকোপ।

ধান, ঘাস, ফুল, লতা-পাতাগুলো শিশিরে ভেজা থাকছে। সূর্যের আলোয় ঝিলিক মারছে শিশির ফোটা। সোমবার দুপুরে হঠাৎ বৃষ্টির পর শুরু হয়েঠে এই হিমেল হাওয়া আর সন্ধে থেকে জেঁকে বসে কন কনে শীত। জেঁকে সবা কনকনে শীতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছে শিশু ও বয়ষ্করা।

ঠাণ্ডাজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশু ও বয়ষ্করা। হাসপাতালে বেড়ে চলেছে শিশু ও বয়ষ্ক রোগী সংখ্যা। হঠাৎ শীতে শ্রমজীবী মানুষের বেড়েছে চরম দুর্দশা। ঠাণ্ডার কারণে ঘরের বাইরে বের হতে পারছেন না তারা। হতদরিদ্র-ছিন্নমূল মানুষ শীতবস্ত্রের অভাবে অনেকেই খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা চালাচ্ছেন।

ঘন কুয়াশার কারণে দিনের বেলাতেও রাস্তায় যানবাহন চালাতে হচ্ছে হেড লাইট জ্বালিয়ে। এদিকে ধুম পড়েছে লেপ-তোশক তৈরির। এবার দাম বেড়েছে লেপ-তোশকের। সাধারণ মানুষের ক্রম ক্ষমতার বাইরে গেছে শীত নিবারণের বস্ত্র তৈরিতে। শীতের প্রকোপ থেকে রেহাই পেতে হতদরিদ্র-ছিন্নমূল মানুষ এই মুহূর্তে শীতবস্ত্রের দাবি তুলেছে।