ঢাকা ১২:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের দেশে-বিদেশে কর্মসংস্থানে প্রশিক্ষণ দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী মিথ্যা তথ্য শনাক্তে সমন্বিত ফ্যাক্টচেকিং কাঠামো গড়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে : ইয়াসের খান চৌধুরী চার মন্ত্রণালয়-বিভাগে নতুন সচিব নিয়োগ মেসির ১০ নম্বর জার্সি পাচ্ছেন এই তরুণ চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস দাপুটে অতিরিক্ত ডিআইজিসহ তিন পুলিশ সুপারকে বরখাস্ত সংবিধান সংশোধন কমিটিতে এলে স্থায়ী কমিটিতে আনুপাতিক সভাপতি পদ তৈরি পোশাক খাতের বিদ্যমান সমস্যা দ্রুত সমাধানে আহ্বান রাষ্ট্রপতির ছাদে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে আর্থিক প্রণোদনাসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী আইফোন-১৮ সিরিজের প্রি-বুকিং নিয়ে যা জানা গেল

বনশ্রীতে গৃহকর্মীর মৃত্যু: গৃহকর্ত্রীও গ্রেপ্তার

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৪:৫১:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ অগাস্ট ২০১৭
  • ৩৭৯ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ  রাজধানীর বনশ্রী এলাকায় গৃহকর্মী লাইলী মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলার আসামি গৃহকর্তা মাইনুদ্দীন ও বাড়ির তত্ত্বাবধায়ক তোফাজ্জল হোসেন টিপুর পর গ্রেপ্তার হয়েছেন গৃহকর্ত্রী শাহনাজাও। ঘটনার দিন শুক্রবারই মাঈনুদ্দিন ও টিপুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পরদিন শনিবার দুপুরে আটক হন গৃহকর্ত্রী।

খিলগাঁও থানার ডিউটি অফিসার মনসুর আহমেদ সাংবাদিককে তিনজনের গ্রেপ্তারের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

উপপরিদর্শক মনসুর আহমেদ বলেন, ‘গতকাল শুক্রবার রাতে এই ঘটনায় পৃথক দুইটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। একটি মামলা করেছেন নিহত লাইলী আক্তারের ভাসুর শহীদুল ইসলাম। তিনি এই মামলায় তিনজনকে আসামি করেছেন। মামলাটির তদন্ত করছেন খিলগাঁও থানার উপপরিদর্শক মনজুর রহমান।’

অপর মামলাটি করেছেন খিলগাঁও থানার উপপরিদর্শক মনজুর হোসেন। তিনি নিজেই মামলাটির তদন্ত করছেন। এই মামলায় অজ্ঞাতনামা তিন থেকে চারশজন ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। এই মামলায় স্থানীয়দের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুরের ঘটনায় কর্তব্যকাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।

গতকাল শুক্রবার সকালে বনশ্রীর চার নম্বর সড়কে জি ব্লকের একটি বাসায় গৃহকর্মী লাইলী আক্তারের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। লাইলীকে হত্যার অভিযোগ এনে তাঁর পরিবার ও এলাকার বিক্ষুব্ধ লোকজন ওই বাড়িতে হামলা চালায় এবং সড়কে গাড়ি ভাঙচুর করে। দফায় দফায় পুলিশের সঙ্গে স্থানীয় লোকজনের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া চলে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কয়েক দফা ফাঁকা গুলি ছোড়ে। রাত ১০টার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ।

গৃহকর্তা মইনুদ্দিনের দাবি, লাইলী বাসায় কাজ করতে আসার পর বাড়ির একটি ঘরে ঢুকে দরজা ভেতর থেকে বন্ধ করে দেন। পরে দরজার ছিটকিনি ভেঙে ঘরের ভেতরে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তাকে পাওয়া যায়।

লাইলী বনশ্রীর পাশে হিন্দুপাড়া বস্তিতে থাকতেন। তাঁর ছোট দুই সন্তান রয়েছে। লাইলী আক্তারের স্বামী নজরুল ইসলাম ভারতের কারাগারে বন্দী।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের দেশে-বিদেশে কর্মসংস্থানে প্রশিক্ষণ দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

বনশ্রীতে গৃহকর্মীর মৃত্যু: গৃহকর্ত্রীও গ্রেপ্তার

আপডেট টাইম : ০৪:৫১:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ অগাস্ট ২০১৭

হাওর বার্তা ডেস্কঃ  রাজধানীর বনশ্রী এলাকায় গৃহকর্মী লাইলী মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলার আসামি গৃহকর্তা মাইনুদ্দীন ও বাড়ির তত্ত্বাবধায়ক তোফাজ্জল হোসেন টিপুর পর গ্রেপ্তার হয়েছেন গৃহকর্ত্রী শাহনাজাও। ঘটনার দিন শুক্রবারই মাঈনুদ্দিন ও টিপুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পরদিন শনিবার দুপুরে আটক হন গৃহকর্ত্রী।

খিলগাঁও থানার ডিউটি অফিসার মনসুর আহমেদ সাংবাদিককে তিনজনের গ্রেপ্তারের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

উপপরিদর্শক মনসুর আহমেদ বলেন, ‘গতকাল শুক্রবার রাতে এই ঘটনায় পৃথক দুইটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। একটি মামলা করেছেন নিহত লাইলী আক্তারের ভাসুর শহীদুল ইসলাম। তিনি এই মামলায় তিনজনকে আসামি করেছেন। মামলাটির তদন্ত করছেন খিলগাঁও থানার উপপরিদর্শক মনজুর রহমান।’

অপর মামলাটি করেছেন খিলগাঁও থানার উপপরিদর্শক মনজুর হোসেন। তিনি নিজেই মামলাটির তদন্ত করছেন। এই মামলায় অজ্ঞাতনামা তিন থেকে চারশজন ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। এই মামলায় স্থানীয়দের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুরের ঘটনায় কর্তব্যকাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।

গতকাল শুক্রবার সকালে বনশ্রীর চার নম্বর সড়কে জি ব্লকের একটি বাসায় গৃহকর্মী লাইলী আক্তারের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। লাইলীকে হত্যার অভিযোগ এনে তাঁর পরিবার ও এলাকার বিক্ষুব্ধ লোকজন ওই বাড়িতে হামলা চালায় এবং সড়কে গাড়ি ভাঙচুর করে। দফায় দফায় পুলিশের সঙ্গে স্থানীয় লোকজনের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া চলে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কয়েক দফা ফাঁকা গুলি ছোড়ে। রাত ১০টার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ।

গৃহকর্তা মইনুদ্দিনের দাবি, লাইলী বাসায় কাজ করতে আসার পর বাড়ির একটি ঘরে ঢুকে দরজা ভেতর থেকে বন্ধ করে দেন। পরে দরজার ছিটকিনি ভেঙে ঘরের ভেতরে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তাকে পাওয়া যায়।

লাইলী বনশ্রীর পাশে হিন্দুপাড়া বস্তিতে থাকতেন। তাঁর ছোট দুই সন্তান রয়েছে। লাইলী আক্তারের স্বামী নজরুল ইসলাম ভারতের কারাগারে বন্দী।