ঢাকা ০৬:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বিশ্বকাপে দর্শক উপস্থিতির নতুন রেকর্ড দারুণ ফিচার চালু করছে হোয়াটসঅ্যাপ ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের হারের নেপথ্যে শরীরে নেই পোশাক, ব্রাজিলীয় সুন্দরীর কান্ড মামলার কারণে শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতি আটকে আছে : শিক্ষামন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির কারণে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশু আয়াতকে হত্যার পর মরদেহ ৬ টুকরো : আসামি আবীরের মৃত্যুদণ্ড সংসদে ‘অঙ্গুলিনির্দেশ’ এক্সপাঞ্জের দাবি হিলালীর, স্পিকার বললেন—‘করা যাবে না’ হাসপাতালে হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অপরিষ্কার পরিবেশ দেখে ক্ষোভ বাজেট-জনবল সংকটের অজুহাতে নাগরিক সেবা ব্যাহত করা যাবে না

ঠাণ্ডা ও কফের সমস্যায় ঘরোয়া সমাধান

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৩৬:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ এপ্রিল ২০১৭
  • ৪৩৮ বার

মৌসুম পরিবর্তন হচ্ছে। এখন সবার ঘরে ঘরেই ঠাণ্ডার প্রকোপ বেড়েছে। ঠাণ্ডার কারণে সাধারণত নাক দিয়ে পানি পড়া, কফসহ নানান শারীরিক সমস্যায় ভুগতে হয়।
সমস্যা যদি গুরুতর না হয়, তবে ঘরোয়া কিছু পদ্ধতি অনুসরণ করা যায়। এর জন্য বেশি কিছু দরকার নেই- শুধু রান্নাঘরে ঢু মারুন। কিছু না কিছু পেয়ে যাবেন। তেমন কিছু সমাধান নিচে দেওয়া হলো-
আদা চা
আদা চা খেলে নাক থেকে অস্বস্তিকর পানি ঝরবে না। এছাড়া ঠাণ্ডাজনিত অন্যান্য সমস্যায় ভালো কাজ দেয়।
দুধ ও হলুদ
হলুদ মিশানো হালকা গরম দুধ কফ থেকে মুক্তি দিতে পারে। এই পানীয় বড়-ছোট সবাই পান করতে পারেন।
লেবু, দারুচিনি ও মধু
তিনটি মিলিয়ে একটা সিরাপ বানিয়ে নিন। একটি পাত্রে সামান্য মধু নিয়ে তাতে পানি মিশিয়ে সিদ্ধ করুন। এবার মিশ্রণটি কমে এলে তাতে এক চিমটি গুঁড়ো দারুচিনি ও লেবু মিশিয়ে নিন। হয়ে গেল সিরাপ।
গড়গড়া করুন
এটা অনেকের জানা ও কার্যকরী সমাধান। হালকা গরম পানিতে লবণ ও হলুদ মিশিয়ে গড়গড়া করুন।
পানি
হালকা গরম পানি ঠাণ্ডা ও কফের কষ্ট থেকে মুক্তি দিতে পারে। গরম পানি পানে গলার জ্বালাপোড়াও কমে।
আমলকি
ঠাণ্ডার সমস্যা থেকে মুক্তিসহ লিভার ও রক্ত চলাচলে এটি সাহায্য করে।
মসলা দেওয়া চা
তুলসি, আদা ও কালো গোল মরিচ দেওয়া চা পান করুন।
মধু, লেবুর রস ও গরম পানি
লেবু পানি হজম ও রক্ত চলাচলে সাহায্য করে। পানি গরম করে যদি এর সঙ্গে লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে নিতে পারেন তবে তা ঠাণ্ডাজনিত সমস্যার জন্য উপকারি হবে।
আদা ও লবণ
কুচি কুচি করে কাটা আদা লবণ দিয়ে চিবিয়ে খান।
আদা ও তুলসি
আদার রস ও তুলসি পাতার সঙ্গে সামান্য মধু মিশিয়ে খান। কফ উবে যাবে।
গাজরের জুস
সাধারণত ঠাণ্ডা ও কফের সমস্যায় গাজরের ব্যবহার হয় না। কিন্তু গাজরের রস কফ থেকে মুক্তির জন্য খুবই কার্যকরী।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বকাপে দর্শক উপস্থিতির নতুন রেকর্ড

ঠাণ্ডা ও কফের সমস্যায় ঘরোয়া সমাধান

আপডেট টাইম : ১১:৩৬:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ এপ্রিল ২০১৭

মৌসুম পরিবর্তন হচ্ছে। এখন সবার ঘরে ঘরেই ঠাণ্ডার প্রকোপ বেড়েছে। ঠাণ্ডার কারণে সাধারণত নাক দিয়ে পানি পড়া, কফসহ নানান শারীরিক সমস্যায় ভুগতে হয়।
সমস্যা যদি গুরুতর না হয়, তবে ঘরোয়া কিছু পদ্ধতি অনুসরণ করা যায়। এর জন্য বেশি কিছু দরকার নেই- শুধু রান্নাঘরে ঢু মারুন। কিছু না কিছু পেয়ে যাবেন। তেমন কিছু সমাধান নিচে দেওয়া হলো-
আদা চা
আদা চা খেলে নাক থেকে অস্বস্তিকর পানি ঝরবে না। এছাড়া ঠাণ্ডাজনিত অন্যান্য সমস্যায় ভালো কাজ দেয়।
দুধ ও হলুদ
হলুদ মিশানো হালকা গরম দুধ কফ থেকে মুক্তি দিতে পারে। এই পানীয় বড়-ছোট সবাই পান করতে পারেন।
লেবু, দারুচিনি ও মধু
তিনটি মিলিয়ে একটা সিরাপ বানিয়ে নিন। একটি পাত্রে সামান্য মধু নিয়ে তাতে পানি মিশিয়ে সিদ্ধ করুন। এবার মিশ্রণটি কমে এলে তাতে এক চিমটি গুঁড়ো দারুচিনি ও লেবু মিশিয়ে নিন। হয়ে গেল সিরাপ।
গড়গড়া করুন
এটা অনেকের জানা ও কার্যকরী সমাধান। হালকা গরম পানিতে লবণ ও হলুদ মিশিয়ে গড়গড়া করুন।
পানি
হালকা গরম পানি ঠাণ্ডা ও কফের কষ্ট থেকে মুক্তি দিতে পারে। গরম পানি পানে গলার জ্বালাপোড়াও কমে।
আমলকি
ঠাণ্ডার সমস্যা থেকে মুক্তিসহ লিভার ও রক্ত চলাচলে এটি সাহায্য করে।
মসলা দেওয়া চা
তুলসি, আদা ও কালো গোল মরিচ দেওয়া চা পান করুন।
মধু, লেবুর রস ও গরম পানি
লেবু পানি হজম ও রক্ত চলাচলে সাহায্য করে। পানি গরম করে যদি এর সঙ্গে লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে নিতে পারেন তবে তা ঠাণ্ডাজনিত সমস্যার জন্য উপকারি হবে।
আদা ও লবণ
কুচি কুচি করে কাটা আদা লবণ দিয়ে চিবিয়ে খান।
আদা ও তুলসি
আদার রস ও তুলসি পাতার সঙ্গে সামান্য মধু মিশিয়ে খান। কফ উবে যাবে।
গাজরের জুস
সাধারণত ঠাণ্ডা ও কফের সমস্যায় গাজরের ব্যবহার হয় না। কিন্তু গাজরের রস কফ থেকে মুক্তির জন্য খুবই কার্যকরী।