ঢাকা ০৪:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বাবার সঙ্গে বড় ভাইয়ের শ্বশুরের অনন্য বন্ধন, স্মৃতিতে আজও অমলিন দুই প্রিয় মানুষ সাড়ে ৩ কেজি ওজনের দুই ইলিশ ১৫ হাজার টাকায় বিক্রি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর আইন হচ্ছে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী থমকে আছে উন্নয়ন প্রকল্প ও তদারকি, মন্ত্রণালয়ে ঘুরছেন এমপিরা কেন শিশুদের ঘ্রাণবিষয়ক শিক্ষা দিতে বললেন এই বিশেষজ্ঞ নতুন পে-স্কেলে কোন গ্রেডে কত বাড়ল বেতন বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জনগণই বিএনপির রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস: তারেক রহমান নরওয়ের রাজার মৃত্যুতে বাংলাদেশের পক্ষে শোকবইয়ে স্বাক্ষর স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর যশোরে নিষিদ্ধ আ. লীগের প্রতিমন্ত্রী ও এমপিসহ ১১৩ জনের নামে মামলা হাদি হত্যা মামলার মূল অভিযুক্ত ফয়সাল ও তার স্ত্রীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

৫ বছর নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করেছি : কাজী রকিবউদ্দীন

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:১৩:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৭
  • ৩৫৪ বার

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠান সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা ছিল। ওই নির্বাচন না হলে দেশে এক অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো। এক কঠিন পরিস্থিতিতে দেশে সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের কোন বিকল্প ছিল না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ।

বুধবার সিইসি শেষ কর্মদিবসে নির্বাচন কমিশন ভবনের মিডিয়া সেন্টারে বিদায়ী সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।এ সময় নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ আবু হাফিজ, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. জাবেদ আলী ও মো. শাহনেওয়াজ উপস্থিত ছিলেন।

কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ বলেছেন, নিজেদের নিরপেক্ষতার প্রমান দিয়ে গত ৫ বছর সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেছি। শপথ নেয়ার পর বলেছিলাম সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করবো।

নির্বাচন কমিশন সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে অবাধ সুষ্ঠুভাবে সকল নির্বাচন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে নিরপেক্ষতা প্রমাণ করেছি।’

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠান সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা ছিল উল্লেখ করে সিইসি বলেন, ‘ওই নির্বাচন না হলে দেশে এক অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো। এক কঠিন পরিস্থিতিতে দেশে সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের কোন বিকল্প ছিল না। কমিশন যথাসময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দেশকে সাংবিধানিক শুন্যতা থেকে রক্ষা করেছে।’

তিনি বলেন, দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একটি বড় দল অংশগ্রহণ না করলেও কমিশনের নিবন্ধিত ১২টি রাজনৈতিক দল স্বতস্ফুর্তভাবে অংশগ্রহণ করে। নির্বাচন অনুষ্ঠানে বাধা ও প্রতিকূল পরিবেশে নির্বাচন হলেও কমিশনের সুদক্ষ পরিচালনায় ৪০ দশমিক ০৪ শতাংশ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন এবং ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে এমন ১৪৭টি নির্বাচনী এলাকার মোট ১৮ হাজার ২০৮টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে শুধু মাত্র ২০৪টি ভোটকেন্দ্রের ভোটগ্রহণ বন্ধ হয়, যা মোট ভোটকেন্দ্রের মাত্র ১ দশমিক ১২ শতাংশ।

কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ বলেন, নির্বাচন কমিশন ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা, সিটি কর্পোরেশন ও জেলা পরিষদের ৭ হাজার ৮৮টি সাধারণ ও উপ-নির্বাচন পরিচালনা করেছে। এবারই প্রথম রাজনৈতিক দলীয় ভিত্তিতে বিভিন্ন স্থানীয় সরকার পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজনৈতিক দলীয়ভিত্তিতে হওয়ায় স্থানীয় সরকার পরিষদের নির্বাচনও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠান ছিল একটি চ্যালেঞ্জ। এরপরও কমিশন প্রতিটি নির্বাচন নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করেছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বাবার সঙ্গে বড় ভাইয়ের শ্বশুরের অনন্য বন্ধন, স্মৃতিতে আজও অমলিন দুই প্রিয় মানুষ

৫ বছর নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করেছি : কাজী রকিবউদ্দীন

আপডেট টাইম : ১১:১৩:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠান সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা ছিল। ওই নির্বাচন না হলে দেশে এক অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো। এক কঠিন পরিস্থিতিতে দেশে সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের কোন বিকল্প ছিল না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ।

বুধবার সিইসি শেষ কর্মদিবসে নির্বাচন কমিশন ভবনের মিডিয়া সেন্টারে বিদায়ী সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।এ সময় নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ আবু হাফিজ, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. জাবেদ আলী ও মো. শাহনেওয়াজ উপস্থিত ছিলেন।

কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ বলেছেন, নিজেদের নিরপেক্ষতার প্রমান দিয়ে গত ৫ বছর সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেছি। শপথ নেয়ার পর বলেছিলাম সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করবো।

নির্বাচন কমিশন সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে অবাধ সুষ্ঠুভাবে সকল নির্বাচন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে নিরপেক্ষতা প্রমাণ করেছি।’

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠান সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা ছিল উল্লেখ করে সিইসি বলেন, ‘ওই নির্বাচন না হলে দেশে এক অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো। এক কঠিন পরিস্থিতিতে দেশে সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের কোন বিকল্প ছিল না। কমিশন যথাসময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দেশকে সাংবিধানিক শুন্যতা থেকে রক্ষা করেছে।’

তিনি বলেন, দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একটি বড় দল অংশগ্রহণ না করলেও কমিশনের নিবন্ধিত ১২টি রাজনৈতিক দল স্বতস্ফুর্তভাবে অংশগ্রহণ করে। নির্বাচন অনুষ্ঠানে বাধা ও প্রতিকূল পরিবেশে নির্বাচন হলেও কমিশনের সুদক্ষ পরিচালনায় ৪০ দশমিক ০৪ শতাংশ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন এবং ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে এমন ১৪৭টি নির্বাচনী এলাকার মোট ১৮ হাজার ২০৮টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে শুধু মাত্র ২০৪টি ভোটকেন্দ্রের ভোটগ্রহণ বন্ধ হয়, যা মোট ভোটকেন্দ্রের মাত্র ১ দশমিক ১২ শতাংশ।

কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ বলেন, নির্বাচন কমিশন ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা, সিটি কর্পোরেশন ও জেলা পরিষদের ৭ হাজার ৮৮টি সাধারণ ও উপ-নির্বাচন পরিচালনা করেছে। এবারই প্রথম রাজনৈতিক দলীয় ভিত্তিতে বিভিন্ন স্থানীয় সরকার পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজনৈতিক দলীয়ভিত্তিতে হওয়ায় স্থানীয় সরকার পরিষদের নির্বাচনও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠান ছিল একটি চ্যালেঞ্জ। এরপরও কমিশন প্রতিটি নির্বাচন নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করেছে।