ঢাকা ১১:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
“ছোট ভাইয়ের জন্মদিনে বড় ভাইয়ের হৃদয়ছোঁয়া স্মৃতিচারণ—প্রবাসে থেকেও অটুট আত্মার বন্ধন” মৎস্য, প্রাণিসম্পদ ও কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ: রাজনীতি ও শিল্পে সফলতার অনন্য দৃষ্টান্ত ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্তে ডিএমপির কড়াকড়ি, না সরালে আইনি ব্যবস্থা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর নতুন পে-স্কেল নিয়ে যা বললেন অর্থ উপদেষ্টা গুমের সঙ্গে জড়িত কেউ আইনের ফাঁক দিয়ে বের হতে পারবে না: আইনমন্ত্রী পাইলটকে উদ্ধারে মার্কিন অভিযান পুরোপুরি ব্যর্থ: ইরান স্পিকারের সহধর্মিণীর রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিলে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির কাছে শপথ নিয়ে সংবিধানের সমালোচনাকারীরা স্ব-বিরোধিতায় ভুগছেন সংসদে আহত জুলাই যোদ্ধাদের সঙ্গে আবেগঘন পরিবেশে প্রধানমন্ত্রী বাধ্যতামূলক অবসর-চাকরিচ্যুতির বিধান রেখে সরকারি চাকরি সংশোধন বিল পাস

প্রেমের টানে বাঙালি ছেলের বউ হয়ে অস্ট্রেলিয়া থেকে মাগুরায় এসে সংসার করছেন

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:০৩:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০১৬
  • ৪১৭ বার

গভীর প্রেমে মজেন তিনি। যার টানে সুদূর অস্ট্রেলিয়া থেকে মাগুরায় এসে সংসার পেতেছেন আসান ক্যাথরিনা নামের নারী। মাগুরা শহরের কলেজপাড়ার ছেলে কাজী মারুফুজ্জামান চন্দনের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন এই অসি নারী।

স্বল্প সময়েই মাগুরা ও তার মানুষকে আপন করে নিয়েছেন এই বিদেশিনী। ক্যাথির এই মাগুরাপ্রীতির গল্প এখন সবার মুখে মুখে। তাকে দেখতে ভিড় করছেন অনেকে।

আজ রোববার সকালে চন্দনের কলেজপাড়ার বাসভবনে কথা হয় এই দম্পতির সঙ্গে। আলাপকালে আসান ক্যাথরিনা বলেন, ‘এ দেশে এসে

আমি খুব খুশি হয়েছি। ভাবতেও পারিনি এ দেশের মানুষ আমাকে এতটা আপন করে নেবে। আমার স্বামীর পাশাপাশি পরিবারের প্রতিটি সদস্য এমনকি প্রতিবেশীরাও আমাকে নিজের পরিবারের মানুষের মতো করেই আদর করছেন। ভালোবাসছেন।

তাদের আতিথেয়তায় আমি মুগ্ধ। মনেই হচ্ছে না সুদূর অস্ট্রেলিয়া থেকে নিজের পরিবার ছেড়ে আমি বাংলাদেশের মাগুরা নামের একটি ছোট্ট শহরে এসেছি। আমার স্বামীর পরিবারের পাশাপাশি আত্মীয়স্বজন, বন্ধু-বান্ধব সবাই আমাকে খুব আপন করে নিয়েছে। বিশেষ করে শিশুরা আমাকে তাদের বন্ধুর মতো আপন করে নিয়েছে। ওদের সঙ্গে নাচ করেছি, সেলফি তুলেছি। খুব খুব খুব আনন্দ করছি।’

এই বিদেশিনী প্রসঙ্গে কাজী মারুফুজ্জামান চন্দন জানান, অস্ট্রেলিয়ায় পড়াশোনার সুবাদে বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যাথির সঙ্গে তার পরিচয় থেকে পরিণয়। তারা দুজনই মেলবোর্নের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক শ্রেণির শিক্ষার্থী।

পারিবারিকভাবে সবাই তাকে ক্যাথি বলেই ডাকে। ইতিমধ্যে আনন্দঘন পরিবেশে তারা বধূবরণ অনুষ্ঠানও সেরেছেন। এতে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

“ছোট ভাইয়ের জন্মদিনে বড় ভাইয়ের হৃদয়ছোঁয়া স্মৃতিচারণ—প্রবাসে থেকেও অটুট আত্মার বন্ধন”

প্রেমের টানে বাঙালি ছেলের বউ হয়ে অস্ট্রেলিয়া থেকে মাগুরায় এসে সংসার করছেন

আপডেট টাইম : ১১:০৩:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০১৬

গভীর প্রেমে মজেন তিনি। যার টানে সুদূর অস্ট্রেলিয়া থেকে মাগুরায় এসে সংসার পেতেছেন আসান ক্যাথরিনা নামের নারী। মাগুরা শহরের কলেজপাড়ার ছেলে কাজী মারুফুজ্জামান চন্দনের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন এই অসি নারী।

স্বল্প সময়েই মাগুরা ও তার মানুষকে আপন করে নিয়েছেন এই বিদেশিনী। ক্যাথির এই মাগুরাপ্রীতির গল্প এখন সবার মুখে মুখে। তাকে দেখতে ভিড় করছেন অনেকে।

আজ রোববার সকালে চন্দনের কলেজপাড়ার বাসভবনে কথা হয় এই দম্পতির সঙ্গে। আলাপকালে আসান ক্যাথরিনা বলেন, ‘এ দেশে এসে

আমি খুব খুশি হয়েছি। ভাবতেও পারিনি এ দেশের মানুষ আমাকে এতটা আপন করে নেবে। আমার স্বামীর পাশাপাশি পরিবারের প্রতিটি সদস্য এমনকি প্রতিবেশীরাও আমাকে নিজের পরিবারের মানুষের মতো করেই আদর করছেন। ভালোবাসছেন।

তাদের আতিথেয়তায় আমি মুগ্ধ। মনেই হচ্ছে না সুদূর অস্ট্রেলিয়া থেকে নিজের পরিবার ছেড়ে আমি বাংলাদেশের মাগুরা নামের একটি ছোট্ট শহরে এসেছি। আমার স্বামীর পরিবারের পাশাপাশি আত্মীয়স্বজন, বন্ধু-বান্ধব সবাই আমাকে খুব আপন করে নিয়েছে। বিশেষ করে শিশুরা আমাকে তাদের বন্ধুর মতো আপন করে নিয়েছে। ওদের সঙ্গে নাচ করেছি, সেলফি তুলেছি। খুব খুব খুব আনন্দ করছি।’

এই বিদেশিনী প্রসঙ্গে কাজী মারুফুজ্জামান চন্দন জানান, অস্ট্রেলিয়ায় পড়াশোনার সুবাদে বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যাথির সঙ্গে তার পরিচয় থেকে পরিণয়। তারা দুজনই মেলবোর্নের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক শ্রেণির শিক্ষার্থী।

পারিবারিকভাবে সবাই তাকে ক্যাথি বলেই ডাকে। ইতিমধ্যে আনন্দঘন পরিবেশে তারা বধূবরণ অনুষ্ঠানও সেরেছেন। এতে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।