আমলা, শিক্ষক, কূটনীতিক ও নীতিনির্ধারক—বর্ণাঢ্য কর্মজীবনের নানা বাঁক পেরিয়ে রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ পরিসরে
বাংলাদেশের প্রশাসন, কূটনীতি, অর্থনীতি ও নীতিনির্ধারণী অঙ্গনে দীর্ঘ সময়ের অভিজ্ঞতা নিয়ে রাজনীতিতে সক্রিয় মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ। শিক্ষকতা দিয়ে কর্মজীবন শুরু করে সিভিল সার্ভিসে প্রবেশ, মাঠ প্রশাসন থেকে সচিবালয়ের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব, বিদেশে কূটনৈতিক দায়িত্ব পালন, আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব এবং পরবর্তী সময়ে বিএনপির নীতিনির্ধারণী কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততা—সব মিলিয়ে তাঁর কর্মজীবন বেশ বৈচিত্র্যময়।
বর্তমানে তিনি প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে মন্ত্রী পদমর্যাদায় দায়িত্ব পালন করছেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সরকারি ওয়েবসাইটেও তাঁকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিএনপির সাংগঠনিক ও নীতিনির্ধারণী কর্মকাণ্ডেও দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় রয়েছেন তিনি। ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচন পরিচালনায় দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটিতে তাঁকে প্রধান সমন্বয়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।
মেধাবী ছাত্র থেকে প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ে
মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ ১৯৫০ সালে তৎকালীন নোয়াখালী জেলার রামগতি থানাধীন শান্তির হাটের চরকাদিরা এলাকার মোক্তারবাড়িতে তাঁর মাতুলালয়ে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মরহুম সুজাউদ্দিন আহমেদ ছিলেন লক্ষ্মীপুর সামাদ একাডেমির শিক্ষক।
শিক্ষাজীবনের শুরু থেকেই মেধার স্বাক্ষর রাখেন তিনি। ১৯৬৫ সালে লক্ষ্মীপুর সামাদ একাডেমি থেকে এসএসসি পরীক্ষায় কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের মেধাতালিকায় ১২তম স্থান অর্জন করেন। দুই বছর পর লক্ষ্মীপুর কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় একই বোর্ডে তৃতীয় স্থান লাভ করেন।
এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি সাহিত্যে ভর্তি হন। ১৯৭০ সালে বিএ (অনার্স) এবং পরবর্তী সময়ে এমএ ডিগ্রি অর্জন করেন। একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি পরীক্ষাতেও প্রথম স্থান অধিকার করেন বলে তাঁর জীবনীসংক্রান্ত তথ্যে উল্লেখ রয়েছে। উচ্চশিক্ষা ও প্রশিক্ষণের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয় এবং জাপানের এডিবি ইনস্টিটিউটেও পড়াশোনা ও প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন তিনি।
মহসিন হল থেকে শিক্ষকতা, তারপর সিভিল সার্ভিস
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মহসিন হলের প্রথম ব্যাচের আবাসিক ছাত্রদের একজন ছিলেন ইসমাইল জবিউল্লাহ। ছাত্রজীবনে বিতর্ক, সাহিত্য, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও প্রকাশনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
স্বাধীনতার পর লক্ষ্মীপুরে সাহিত্য-সাংস্কৃতিক সংগঠন গড়ে তোলার পাশাপাশি শিক্ষার প্রসারেও ভূমিকা রাখেন। ‘কাকলি’ ও ‘ত্রিধারা’র মতো সংগঠন প্রতিষ্ঠার সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততার কথা জানা যায়। অধ্যাপক ননী গোপাল ঘোষকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিষ্ঠা করেন ‘ত্রিধারা শিক্ষা নিকেতন’।
১৯৭৩ সালে চৌমুহনী কলেজে ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। পরে চন্দ্রগঞ্জ কফিলউদ্দিন কলেজে খণ্ডকালীন শিক্ষকতা এবং নোয়াখালী সরকারি কলেজে ইংরেজির প্রভাষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
এর মধ্যেই সিভিল সার্ভিসে যোগ দেওয়ার প্রস্তুতি নেন। স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের প্রথম নিয়মিত সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ১৯৭৭ সালে সহকারী কমিশনার ও ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে চট্টগ্রামে প্রশাসনিক কর্মজীবন শুরু করেন।
মাঠ প্রশাসন থেকে সচিবালয়ের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব
প্রশাসনে দীর্ঘ কর্মজীবনে মাঠ প্রশাসন থেকে কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন ইসমাইল জবিউল্লাহ।
ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, বিশেষ ট্রাইব্যুনাল ম্যাজিস্ট্রেট ও সামরিক আইন আদালতের বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বিভিন্ন সময়ে যোগাযোগ, স্বরাষ্ট্র, স্থানীয় সরকার ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর একান্ত সচিব হিসেবেও কাজ করেন।
১৯৮৬ সালে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তী সময়ে ২০০২ সালে ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক হন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব, নির্বাচন কমিশনের যুগ্ম সচিব এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহায়তাপুষ্ট ‘প্রমোট’ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। ওই সময় নারী শিক্ষার প্রসারে তাঁর ভূমিকার কথাও উল্লেখ করা হয়।
কর্মজীবনের শেষ পর্যায়ে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়, রাষ্ট্রপতির কার্যালয়, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৮ সালে সরকারি চাকরি থেকে অবসর নেন তিনি।
কূটনীতি ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধি
শুধু দেশীয় প্রশাসন নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে ইসমাইল জবিউল্লাহর।
১৯৯৩ থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত ব্রুনাই ও মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনে শ্রম কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শ্রমবাজার সম্প্রসারণে তাঁর ভূমিকার কথাও বিভিন্ন সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন তিনি। বিশ্বব্যাংক, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের বিকল্প গভর্নর হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
২০০৩-২০০৪ সালে আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার (আইএমও) সদস্য, সুইডেনের মালমোতে অবস্থিত ওয়ার্ল্ড মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির গভর্নর এবং ২০০৪-২০০৬ সালে জেদ্দায় ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
জাতিসংঘ, ওআইসি, কমনওয়েলথ ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার অভিজ্ঞতাও রয়েছে তাঁর। কর্মজীবনের অংশ হিসেবে বিশ্বের ৩৫টিরও বেশি দেশ সফর করেছেন বলে তাঁর জীবনীতে উল্লেখ করা হয়।
২০২৬ সালের জুনে বিএনপির প্রতিনিধি হিসেবে ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অব এশিয়ান পলিটিক্যাল পার্টিজের (আইসিএপিপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে মনোনীত হন তিনি। বিএনপির পক্ষ থেকে তাঁর নাম প্রস্তাব করেছিলেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
অবসরেও থামেনি কর্মযজ্ঞ
সরকারি চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার পরও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও নীতিনির্ধারণী কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন ইসমাইল জবিউল্লাহ।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড এবং ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ফ্যাসিলিটেশন কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক, আইসিডিডিআর,বির বোর্ড অব গভর্নরসের গভর্নর এবং আগারগাঁওয়ের আইডিবি ভবনের মোতাওয়াল্লী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যানের দায়িত্বও পালন করেছেন তিনি। পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।
বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা
প্রশাসনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ইসমাইল জবিউল্লাহ দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির নীতি ও কৌশল নির্ধারণী কর্মকাণ্ডে যুক্ত রয়েছেন।
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে তিনি দলটির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকাণ্ডে অংশ নেন। ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা বিশেষভাবে সামনে আসে। বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটিতে তাঁকে প্রধান সমন্বয়ক করা হয়।
নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বিএনপির বিভিন্ন বৈঠক ও আলোচনাতেও তাঁকে দলের প্রতিনিধি দলের সদস্য হিসেবে দেখা গেছে।
বিএনপির আন্তর্জাতিক সম্পর্কবিষয়ক কর্মকাণ্ডেও তাঁর সম্পৃক্ততা রয়েছে। দলটির আন্তর্জাতিক সম্পর্কবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটিতেও তাঁর নাম রয়েছে।
রাষ্ট্র সংস্কার ও নীতি প্রণয়নে সম্পৃক্ততা
বিএনপির রাষ্ট্র সংস্কারসংক্রান্ত বিভিন্ন উদ্যোগেও ইসমাইল জবিউল্লাহর সম্পৃক্ততার কথা দলীয় সূত্রে বলা হয়।
বিএনপির ভিশন-২০৩০, ২৭ দফা, রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১ দফা এবং ২০২৬ সালের নির্বাচনী ইশতেহার প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় তাঁর ভূমিকার কথা দলীয় মহলে আলোচিত হয়েছে।
সংস্কার প্রক্রিয়াতেও বিএনপির প্রতিনিধি হিসেবে তিনি বিভিন্ন আলোচনায় অংশ নিয়েছেন। জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে আলোচনায় বিএনপির প্রতিনিধি দলের সদস্য হিসেবেও তাঁর উপস্থিতির তথ্য পাওয়া যায়।
লক্ষ্মীপুরের সঙ্গে নাড়ির সম্পর্ক
দীর্ঘ সরকারি ও আন্তর্জাতিক কর্মজীবনের পাশাপাশি নিজ জেলা লক্ষ্মীপুরের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কও অটুট রয়েছে।
শিক্ষকতা থেকে প্রশাসন—কর্মজীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে তিনি লক্ষ্মীপুর ও বৃহত্তর নোয়াখালীর মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছেন বলে স্থানীয়ভাবে তাঁর পরিচিতজনদের দাবি।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ, মাদ্রাসা ও এতিমখানাসহ বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে সহযোগিতার কথাও তাঁর ঘনিষ্ঠজনেরা উল্লেখ করেন। সরকারি দায়িত্বে থাকার সময় নিজ জেলার যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নেও তিনি ভূমিকা রেখেছেন বলে স্থানীয়দের ভাষ্য।
লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসনের সরকারি ওয়েবসাইটেও ইসমাইল জবিউল্লাহকে জেলার বিশিষ্ট ব্যক্তিদের তালিকায় একই সঙ্গে ‘রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব’ এবং ‘সিভিল সার্ভেন্ট’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়
একজন শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবনের শুরু। এরপর সিভিল সার্ভিসে প্রবেশ। মাঠ প্রশাসন, বিচারিক দায়িত্ব, সচিবালয়ের গুরুত্বপূর্ণ পদ, কূটনৈতিক মিশন, আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন নীতিনির্ধারণী প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালন—প্রতিটি ধাপেই নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ।
অবসর-পরবর্তী সময়ে সেই প্রশাসনিক ও আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতাকেই কাজে লাগিয়েছেন বিএনপির নীতি ও রাষ্ট্র সংস্কারসংক্রান্ত কর্মকাণ্ডে।
২০২৬ সালে প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর তাঁর প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা আবারও রাষ্ট্র পরিচালনার কেন্দ্রে এসেছে। সরকারি সূত্রে বর্তমানে তিনি মন্ত্রী পদমর্যাদায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
একদিকে চার দশকের বেশি সময়ের প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানে কাজের দক্ষতা—সব মিলিয়ে ইসমাইল জবিউল্লাহর রাজনৈতিক-প্রশাসনিক প্রোফাইল বাংলাদেশের সমকালীন রাজনীতিতে আলাদা গুরুত্ব বহন করছে।
সিভিল সার্ভিসের একজন কর্মকর্তা থেকে জাতীয় রাজনীতির নীতি প্রণয়ন ও রাষ্ট্র পরিচালনার গুরুত্বপূর্ণ পরিসরে উঠে আসার এই দীর্ঘ পথচলাই তাঁর কর্মজীবনের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক।
Reporter Name 




















