ঢাকা ০৭:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঈদে পশুর হাটে জাল নোট ঠেকাতে বসছে ব্যাংকের বিশেষ বুথ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:১৬:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬
  • ১৯ বার

আসন্ন পবিত্র ঈদুল-আযহাকে সামনে রেখে দেশের কোরবানির পশুর হাটগুলোতে জাল নোটের বিস্তার ঠেকাতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। রাজধানী থেকে উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত অনুমোদিত পশুর হাটে ‘জাল নোট শনাক্তকরণ বুথ’ স্থাপন করে বিনামূল্যে নোট যাচাই ও গণনা সেবা দিতে তফসিলি ব্যাংকগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আজ রোববার জারি করা ডিপার্টমেন্ট অব কারেন্সি ম্যানেজমেন্টের (ডিসিএম) এক সার্কুলারে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের অনুমোদিত পশুর হাটগুলোতে অভিজ্ঞ ক্যাশ কর্মকর্তাদের মাধ্যমে জাল নোট শনাক্তকরণ মেশিন ব্যবহার করে হাট শুরুর দিন থেকে ঈদের আগের রাত পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে সেবা দিতে হবে। এসব বুথে পশু ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা বিনামূল্যে নোট যাচাই করতে পারবেন।

এ জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যাংকগুলোকে আগামী ১৭ মের মধ্যে দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তা ও সমন্বয় কর্মকর্তার নাম, পদবী এবং মোবাইল নম্বর বাংলাদেশ ব্যাংকে পাঠাতে বলা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সমন্বয় কর্মকর্তা মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম তদারকি করবেন।

ঢাকার বাইরে যেসব জেলায় বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিস রয়েছে, সেখানে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্থানীয় অফিসের নেতৃত্বে একই ধরনের ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। আর যেসব জেলায় বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিস নেই, সেখানে পশুর হাটভিত্তিক দায়িত্ব বণ্টনের কাজ করবে –এর চেস্ট শাখাগুলো।

সার্কুলারে আরও বলা হয়েছে, প্রতিটি বুথে নোট কাউন্টিং মেশিনের মাধ্যমে নগদ টাকা গণনার সুবিধাও রাখতে হবে। প্রয়োজনে সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা প্রশাসন, হাট ইজারাদার এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা নেওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

কোনো বুথে জাল নোট শনাক্ত হলে বিদ্যমান নীতিমালা অনুযায়ী তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি বুথে ব্যাংকের নামসহ স্পষ্টভাবে ‘জাল নোট শনাক্তকরণ বুথ’ লেখা ব্যানার বা ফেস্টুন প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ঈদের আগের দিন পর্যন্ত ব্যাংক শাখাগুলোর টিভি মনিটরে গ্রাহকদের জন্য ব্যাংক নোটের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য সম্পর্কিত ভিডিও প্রদর্শনের নির্দেশনাও দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

সার্কুলারে বলা হয়, দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যাংকের নিজস্ব বিধি অনুযায়ী আর্থিক সুবিধা দেওয়া যাবে। পাশাপাশি ঈদুল-আযহা শেষে ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে পুরো কার্যক্রমের ওপর প্রতিবেদন বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দিতে হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ঈদে পশুর হাটে জাল নোট ঠেকাতে বসছে ব্যাংকের বিশেষ বুথ

আপডেট টাইম : ১১:১৬:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

আসন্ন পবিত্র ঈদুল-আযহাকে সামনে রেখে দেশের কোরবানির পশুর হাটগুলোতে জাল নোটের বিস্তার ঠেকাতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। রাজধানী থেকে উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত অনুমোদিত পশুর হাটে ‘জাল নোট শনাক্তকরণ বুথ’ স্থাপন করে বিনামূল্যে নোট যাচাই ও গণনা সেবা দিতে তফসিলি ব্যাংকগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আজ রোববার জারি করা ডিপার্টমেন্ট অব কারেন্সি ম্যানেজমেন্টের (ডিসিএম) এক সার্কুলারে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের অনুমোদিত পশুর হাটগুলোতে অভিজ্ঞ ক্যাশ কর্মকর্তাদের মাধ্যমে জাল নোট শনাক্তকরণ মেশিন ব্যবহার করে হাট শুরুর দিন থেকে ঈদের আগের রাত পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে সেবা দিতে হবে। এসব বুথে পশু ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা বিনামূল্যে নোট যাচাই করতে পারবেন।

এ জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যাংকগুলোকে আগামী ১৭ মের মধ্যে দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তা ও সমন্বয় কর্মকর্তার নাম, পদবী এবং মোবাইল নম্বর বাংলাদেশ ব্যাংকে পাঠাতে বলা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সমন্বয় কর্মকর্তা মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম তদারকি করবেন।

ঢাকার বাইরে যেসব জেলায় বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিস রয়েছে, সেখানে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্থানীয় অফিসের নেতৃত্বে একই ধরনের ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। আর যেসব জেলায় বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিস নেই, সেখানে পশুর হাটভিত্তিক দায়িত্ব বণ্টনের কাজ করবে –এর চেস্ট শাখাগুলো।

সার্কুলারে আরও বলা হয়েছে, প্রতিটি বুথে নোট কাউন্টিং মেশিনের মাধ্যমে নগদ টাকা গণনার সুবিধাও রাখতে হবে। প্রয়োজনে সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা প্রশাসন, হাট ইজারাদার এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা নেওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

কোনো বুথে জাল নোট শনাক্ত হলে বিদ্যমান নীতিমালা অনুযায়ী তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি বুথে ব্যাংকের নামসহ স্পষ্টভাবে ‘জাল নোট শনাক্তকরণ বুথ’ লেখা ব্যানার বা ফেস্টুন প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ঈদের আগের দিন পর্যন্ত ব্যাংক শাখাগুলোর টিভি মনিটরে গ্রাহকদের জন্য ব্যাংক নোটের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য সম্পর্কিত ভিডিও প্রদর্শনের নির্দেশনাও দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

সার্কুলারে বলা হয়, দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যাংকের নিজস্ব বিধি অনুযায়ী আর্থিক সুবিধা দেওয়া যাবে। পাশাপাশি ঈদুল-আযহা শেষে ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে পুরো কার্যক্রমের ওপর প্রতিবেদন বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দিতে হবে।