দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, ‘আমরা সবাইকে নিয়েই একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে চাই। জনগণ যে আকাঙ্ক্ষা নিয়ে আমাদের ম্যান্ডেট দিয়েছেন, সেটি যথাযথভাবে পালন করতে চাই।’
তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের দল জুলাই বিপ্লবের আগেই ৩১ দফা সংস্কারের প্রস্তাব দিয়েছে। আমরা সংস্কারের পক্ষে। জুলাই সনদে স্পষ্ট উল্লেখ ছিল, দল জনগণের রায় পেয়ে সরকার গঠন করবে তারা নোট অব ডিসেন্ট সহ বাস্তবায়ন করবে।’
রবিবার বিকালে কুড়িগ্রাম প্রেস ক্লাবের নির্মাণাধীন ভবনের নিচতলায় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
এর আগে দুপুরে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার হলোখানা ইউনিয়নের আরাজী পলাশবাড়ী এলাকায় খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ত্রাণমন্ত্রী।
মতবিনিময় সভায় ত্রাণমন্ত্রী আরও বলেন, কুড়িগ্রামকে এখনো পশ্চাৎপদ জেলা হিসেবে দেখা হয়। একটি তিস্তা নদীর কারণে একটি জনপদ কীভাবে পশ্চাৎপদ হয়ে পড়েছে, রংপুর বিভাগ তার উদাহরণ। অথচ এখানে নদীকেন্দ্রিক সভ্যতা গড়ে ওঠার কথা ছিল।
ত্রাণমন্ত্রী আরও বলেন, এই জেলাকে উন্নত জেলার কাতারে নিতে জনপ্রতিনিধি ও গণমাধ্যম উভয়ের দায়িত্ব রয়েছে। সাংবাদিকেরা সঠিকভাবে সমালোচনা করলে জনপ্রতিনিধিরা সঠিক পথে থাকেন। এতে দেশ ও জনপদের উন্নয়ন হয়। সত্যতা যাচাই ছাড়া কোনো সংবাদ প্রকাশ করা উচিত নয়। নির্ভুল ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ হলে সাংবাদিকতার মান যেমন বাড়ে, তেমনি এলাকার উন্নয়নও ত্বরান্বিত হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি সফি খান, সঞ্চালনায় ছিলেন সাধারণ সম্পাদক মাহফুজার রহমান খন্দকার। এ সময় জেলার বিভিন্ন উপজেলার সাংবাদিক, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি, উন্নয়নকর্মী ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, সদস্যসচিব ও জেলা পরিষদের প্রশাসক সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, যুগ্ম আহ্বায়ক হাসিবুর রহমান ও শফিকুল ইসলাম বেবু, অ্যাডভোকেট আহসান হাবীব নীলু, অধ্যাপক লিয়াকত আলী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাসুদ রানা, কুড়িগ্রাম পৌরসভার সাবেক মেয়র আবু বকর সিদ্দিক, জেলা চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি আব্দুল আজিজসহ অনেকে।
Reporter Name 





















