ঢাকা ১০:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে: দিনেশ ত্রিবেদীকে হুমায়ুন কবির

ওপেক থেকে বেরিয়ে গেল আমিরাত, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে ধাক্কা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:৩৫:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
  • ২৬ বার

তেল উৎপাদনকারী জোট ওপেক ও ওপেক প্লাস থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। এ সিদ্ধান্তকে জ্বালানি বাজারের জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে, বিশেষ করে এমন এক সময়ে যখন ইরানকে ঘিরে সংঘাত বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি করেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই পদক্ষেপে জোটটির কার্যকারিতা ও প্রভাব প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে, বিশেষ করে এর অনানুষ্ঠানিক নেতৃত্বে থাকা সৌদি আরবের জন্য এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এদিকে, উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল উৎপাদনকারী দেশগুলো ইতোমধ্যেই তাদের রফতানি কার্যক্রমে বাধার মুখে পড়েছে। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন রুট হরমুজ প্রণালীতে ইরানি বাহিনীর তৎপরতায় পরিবহন ঝুঁকি বেড়েছে।  এ ই প্রণালী দিয়ে বিশ্বে ব্যবহৃত মোট অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হয়।

মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য কেন্দ্র ও যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র সংযুক্ত আরব আমিরাত অভিযোগ করে বলেছে, যুদ্ধ চলাকালে ইরানের একাধিক হামলার মুখে পড়লেও অন্যান্য আরব দেশগুলো তাদের সুরক্ষায় যথেষ্ট পদক্ষেপ নেয়নি। এই অসন্তোষ থেকেই তাদের এ সিদ্ধান্ত এসেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

১৯৬০ সালে প্রতিষ্ঠিত ওপেক বিশ্ব তেল সরবরাহের অন্যতম শক্তিশালী নিয়ন্ত্রক সংস্থা। বর্তমানে সংগঠনটি বৈশ্বিক তেল উৎপাদনের এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি সরবরাহ করে থাকে। ফলে আমিরাতের মতো বড় উৎপাদনকারী দেশের সরে দাঁড়ানো আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

বাজার বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, এ সিদ্ধান্তের ফলে তেলের দাম আরও অস্থির হয়ে উঠতে পারে এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে এর প্রভাব পড়তে পারে। সূত্র: আল-জাজিরা

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

ওপেক থেকে বেরিয়ে গেল আমিরাত, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে ধাক্কা

আপডেট টাইম : ১০:৩৫:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

তেল উৎপাদনকারী জোট ওপেক ও ওপেক প্লাস থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। এ সিদ্ধান্তকে জ্বালানি বাজারের জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে, বিশেষ করে এমন এক সময়ে যখন ইরানকে ঘিরে সংঘাত বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি করেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই পদক্ষেপে জোটটির কার্যকারিতা ও প্রভাব প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে, বিশেষ করে এর অনানুষ্ঠানিক নেতৃত্বে থাকা সৌদি আরবের জন্য এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এদিকে, উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল উৎপাদনকারী দেশগুলো ইতোমধ্যেই তাদের রফতানি কার্যক্রমে বাধার মুখে পড়েছে। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন রুট হরমুজ প্রণালীতে ইরানি বাহিনীর তৎপরতায় পরিবহন ঝুঁকি বেড়েছে।  এ ই প্রণালী দিয়ে বিশ্বে ব্যবহৃত মোট অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হয়।

মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য কেন্দ্র ও যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র সংযুক্ত আরব আমিরাত অভিযোগ করে বলেছে, যুদ্ধ চলাকালে ইরানের একাধিক হামলার মুখে পড়লেও অন্যান্য আরব দেশগুলো তাদের সুরক্ষায় যথেষ্ট পদক্ষেপ নেয়নি। এই অসন্তোষ থেকেই তাদের এ সিদ্ধান্ত এসেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

১৯৬০ সালে প্রতিষ্ঠিত ওপেক বিশ্ব তেল সরবরাহের অন্যতম শক্তিশালী নিয়ন্ত্রক সংস্থা। বর্তমানে সংগঠনটি বৈশ্বিক তেল উৎপাদনের এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি সরবরাহ করে থাকে। ফলে আমিরাতের মতো বড় উৎপাদনকারী দেশের সরে দাঁড়ানো আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

বাজার বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, এ সিদ্ধান্তের ফলে তেলের দাম আরও অস্থির হয়ে উঠতে পারে এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে এর প্রভাব পড়তে পারে। সূত্র: আল-জাজিরা