ঢাকা ০৫:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ, উৎপত্তিস্থল সাতক্ষীরা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৫:১৩:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১ বার

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টা ৫৩ মিনিটে এ কম্পন অনুভূত হয়।

ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল সাতক্ষীরার আশাশুনি। ভূমিকম্পে সাতক্ষীরায় মানুষ শক্ত ঝাঁকুনি অনুভব করেছেন বলে জানা গেছে।

ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূমিকম্প কেন্দ্র (ইএমএসসি) ওয়েবসাইট অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৩।

সংস্থাটি জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল খুলনা জেলা শহর থেকে ৪৭ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং সাতক্ষীরা থেকে ১৮ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে। এর গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ৩৫ কিলোমিটার।

রাজধানী ঢাকা ছাড়াও দেশের বিভিন্ন দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় জেলা এবং পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের কিছু এলাকাতেও এ কম্পন অনুভূত হয়েছে।

তাৎক্ষণিকভাবে এ ভূমিকম্পে কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

ফেব্রুয়ারির শুরু থেকেই দেশে একের পর এক ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে। ১ ফেব্রুয়ারি সিলেটে ৩ মাত্রার একটি মৃদু ভূমিকম্প দিয়ে শুরু হয় কম্পনের ধারাবাহিকতা। এরপর ৩ ফেব্রুয়ারি একই দিনে তিন দফা ভূকম্পন অনুভূত হয়। সেদিন সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ৪.১ মাত্রার একটি কম্পন রেকর্ড করা হয়। একই সময়ে মিয়ানমারে ৫.৯ ও ৫.২ মাত্রার দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে, যার প্রভাব দেশেও অনুভূত হয়।

পরবর্তীতে ৯ ও ১০ ফেব্রুয়ারি সিলেটে আরও দুইবার কম্পন টের পাওয়া যায়। সবশেষ ১৯ ফেব্রুয়ারি সুনামগঞ্জের ছাতকে ৪.১ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়। সব মিলিয়ে ফেব্রুয়ারিতে দেশে মোট আটবার ভূকম্পন রেকর্ড হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ, উৎপত্তিস্থল সাতক্ষীরা

আপডেট টাইম : ০৫:১৩:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টা ৫৩ মিনিটে এ কম্পন অনুভূত হয়।

ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল সাতক্ষীরার আশাশুনি। ভূমিকম্পে সাতক্ষীরায় মানুষ শক্ত ঝাঁকুনি অনুভব করেছেন বলে জানা গেছে।

ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূমিকম্প কেন্দ্র (ইএমএসসি) ওয়েবসাইট অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৩।

সংস্থাটি জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল খুলনা জেলা শহর থেকে ৪৭ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং সাতক্ষীরা থেকে ১৮ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে। এর গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ৩৫ কিলোমিটার।

রাজধানী ঢাকা ছাড়াও দেশের বিভিন্ন দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় জেলা এবং পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের কিছু এলাকাতেও এ কম্পন অনুভূত হয়েছে।

তাৎক্ষণিকভাবে এ ভূমিকম্পে কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

ফেব্রুয়ারির শুরু থেকেই দেশে একের পর এক ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে। ১ ফেব্রুয়ারি সিলেটে ৩ মাত্রার একটি মৃদু ভূমিকম্প দিয়ে শুরু হয় কম্পনের ধারাবাহিকতা। এরপর ৩ ফেব্রুয়ারি একই দিনে তিন দফা ভূকম্পন অনুভূত হয়। সেদিন সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ৪.১ মাত্রার একটি কম্পন রেকর্ড করা হয়। একই সময়ে মিয়ানমারে ৫.৯ ও ৫.২ মাত্রার দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে, যার প্রভাব দেশেও অনুভূত হয়।

পরবর্তীতে ৯ ও ১০ ফেব্রুয়ারি সিলেটে আরও দুইবার কম্পন টের পাওয়া যায়। সবশেষ ১৯ ফেব্রুয়ারি সুনামগঞ্জের ছাতকে ৪.১ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়। সব মিলিয়ে ফেব্রুয়ারিতে দেশে মোট আটবার ভূকম্পন রেকর্ড হয়েছে।