ঢাকা ০৫:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ডাকাত আতঙ্কে পর্যটকশূন্য কিশোরগঞ্জের হাওর ভেঙে পড়েছে পর্যটন অর্থনীতি, বিপাকে হাজারো মানুষের জীবিকা শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন ফের লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস, আবহাওয়া নিয়ে নতুন বার্তা অধিদপ্তরের চলতি অর্থবছরেই ৪১ লাখ নতুন ফ্যামিলি কার্ড দেবে সরকার দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের প্রধান নীতিগত অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী সংসদে ‘ব্যক্তিগত মন্তব্য’ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী আদমদীঘিতে কাঁচা মরিচের দামে ‘সেঞ্চুরি’, স্বস্তিতে কৃষক ব্রয়লার মুরগি খাওয়া কতটা নিরাপদ ‘ব্রয়লার মুরগি’ মন্তব্য নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ছাত্রদলের নাছির দেশের যেসব অঞ্চলে রাত ১টার মধ্যে ঝড়ের আভাস

মদনে ফরম ফিলাপে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের প্রতিবাদ করায় অভিভাবক লাঞ্ছিত

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০১:২৬:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৭৮ বার

জেলা প্রতিনিধি (নেত্রকোনা): নেত্রকোনার মদনে এসএসসি পরিক্ষার ফরম ফিলাপের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অর্থ আদায় করা হচ্ছে। অতিরিক্ত অর্থ আদায় নিয়ে প্রতিবাদ করায় অভিভাবকদের কে লাঞ্ছিত করার লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এক শিক্ষার্থী অভিভাবক ঝুমন মিয়া রোববার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর অভিযোগটি দায়ের করেছেন। নেত্রকোনার মদন উপজেলার মাঘান উচ্চ বিদ্যালয়ে এমন ঘটনা ঘটেছে।

লিখিত অভিযোগ ও শিক্ষার্থী অভিভাবকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, মাঘান উচ্চ বিদ্যালয়ে ২০২৬ সালের এসএসসি পরিক্ষার্থীদের ফরম ফিলাপ চলমান রয়েছে। সরকার নির্ধারিত ফি ২ হাজার ৩১৫ টাকা। কিন্তু প্রতি শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫ থেকে ৯ হাজার টাকা আদায় করা হচ্ছে।

অভিভাবকদের অভিযোগ, বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা ফরম ফিলাপের সাথে কোচিং ফি বাধ্য করাচ্ছে।

অতিরিক্ত ফি দিতে অপারকতা প্রকাশ করায় ফরম ফিলাপ করতে দেওয়া হবে না। এমনকি পরিক্ষা দিতে দেওয়া হবে না বলে হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

এ ব্যাপারে শিক্ষার্থী অভিভাবক ঝুমন মিয়া বলেন, আমার চাচাতো ভাইয়ের ফরম ফিলাপ করতে বিদ্যালয়ে যাই। ফরম ফিলাপ ও কোচিং ফি বাবদ ৯ হাজার টাকা দাবি করে। আমি দিতে অপারকতা করলে আমাকে গালমন্দ শুরু করে। ৯ হাজার টাকা জমা দিয়ে রশিদ চাওয়ায় আমাকে স্কুল থেকে বের হয়ে যাওয়ার জন্য লাঞ্ছিত করে।

অভিযুক্ত শিক্ষক আব্দুল গণি জানান, বাড়তি টাকা নেওয়ার সুযোগ নাই। আমরা যাদের ফরম ফিলআপ করেছি, তাদের ছাড়া অভিযোগ গ্রহণ যোগ্য হবে না।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জানান, ফরম ফিলআপ বাবদ শিক্ষার্থীর নিকট হতে ২ হাজার ৫শ টাকা করে নেওয়া হয়েছে। বাড়তি টাকার বিষয়ে গণি মাস্টার জানে।অভিভাবক লাঞ্ছিতের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি এড়িয়ে যান।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বেদবতী মিস্ত্রী জানান, আমি জেলায় আছি। বিষয়টি দেখে ব্যবস্থা নিবো।

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ডাকাত আতঙ্কে পর্যটকশূন্য কিশোরগঞ্জের হাওর ভেঙে পড়েছে পর্যটন অর্থনীতি, বিপাকে হাজারো মানুষের জীবিকা

মদনে ফরম ফিলাপে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের প্রতিবাদ করায় অভিভাবক লাঞ্ছিত

আপডেট টাইম : ০১:২৬:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

জেলা প্রতিনিধি (নেত্রকোনা): নেত্রকোনার মদনে এসএসসি পরিক্ষার ফরম ফিলাপের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অর্থ আদায় করা হচ্ছে। অতিরিক্ত অর্থ আদায় নিয়ে প্রতিবাদ করায় অভিভাবকদের কে লাঞ্ছিত করার লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এক শিক্ষার্থী অভিভাবক ঝুমন মিয়া রোববার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর অভিযোগটি দায়ের করেছেন। নেত্রকোনার মদন উপজেলার মাঘান উচ্চ বিদ্যালয়ে এমন ঘটনা ঘটেছে।

লিখিত অভিযোগ ও শিক্ষার্থী অভিভাবকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, মাঘান উচ্চ বিদ্যালয়ে ২০২৬ সালের এসএসসি পরিক্ষার্থীদের ফরম ফিলাপ চলমান রয়েছে। সরকার নির্ধারিত ফি ২ হাজার ৩১৫ টাকা। কিন্তু প্রতি শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫ থেকে ৯ হাজার টাকা আদায় করা হচ্ছে।

অভিভাবকদের অভিযোগ, বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা ফরম ফিলাপের সাথে কোচিং ফি বাধ্য করাচ্ছে।

অতিরিক্ত ফি দিতে অপারকতা প্রকাশ করায় ফরম ফিলাপ করতে দেওয়া হবে না। এমনকি পরিক্ষা দিতে দেওয়া হবে না বলে হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

এ ব্যাপারে শিক্ষার্থী অভিভাবক ঝুমন মিয়া বলেন, আমার চাচাতো ভাইয়ের ফরম ফিলাপ করতে বিদ্যালয়ে যাই। ফরম ফিলাপ ও কোচিং ফি বাবদ ৯ হাজার টাকা দাবি করে। আমি দিতে অপারকতা করলে আমাকে গালমন্দ শুরু করে। ৯ হাজার টাকা জমা দিয়ে রশিদ চাওয়ায় আমাকে স্কুল থেকে বের হয়ে যাওয়ার জন্য লাঞ্ছিত করে।

অভিযুক্ত শিক্ষক আব্দুল গণি জানান, বাড়তি টাকা নেওয়ার সুযোগ নাই। আমরা যাদের ফরম ফিলআপ করেছি, তাদের ছাড়া অভিযোগ গ্রহণ যোগ্য হবে না।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জানান, ফরম ফিলআপ বাবদ শিক্ষার্থীর নিকট হতে ২ হাজার ৫শ টাকা করে নেওয়া হয়েছে। বাড়তি টাকার বিষয়ে গণি মাস্টার জানে।অভিভাবক লাঞ্ছিতের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি এড়িয়ে যান।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বেদবতী মিস্ত্রী জানান, আমি জেলায় আছি। বিষয়টি দেখে ব্যবস্থা নিবো।