ঢাকা ০৪:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
সাইকেলে চড়তেন, ৫ আগস্টের তিন দিন পর প্রাডো গাড়িতে চড়েছেন আওয়ামী আমলের আমলনামা উন্নয়নের আড়ালে ২৮ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি ২৯ অক্টোবর মধ্য রাত থেকে উঠে যাচ্ছে ইলিশ রক্ষার নিষেধাজ্ঞা স্বাস্থ্যসেবা খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে জুবাইদা রহমানের আহ্বান কৃষিতেও বাড়ছে খেলাপির চাপ ৩১ অক্টোবর লংমার্চ সফল করতে ১১ দলীয় ঐক্যের আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছ: হুমায়ূন কবির আইজিপি সহজ-সরল মানুষ, ক্রসফায়ার নিয়ে বক্তব্য ঠিক হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইজিপির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী: তথ্য উপদেষ্টা চাকরির প্রলোভনে রাশিয়ায় সামরিক চুক্তিতে বাধ্য করার প্রমাণ পেয়েছে জাতিসংঘ

মদনে ফরম ফিলাপে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের প্রতিবাদ করায় অভিভাবক লাঞ্ছিত

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০১:২৬:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৪৪ বার

জেলা প্রতিনিধি (নেত্রকোনা): নেত্রকোনার মদনে এসএসসি পরিক্ষার ফরম ফিলাপের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অর্থ আদায় করা হচ্ছে। অতিরিক্ত অর্থ আদায় নিয়ে প্রতিবাদ করায় অভিভাবকদের কে লাঞ্ছিত করার লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এক শিক্ষার্থী অভিভাবক ঝুমন মিয়া রোববার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর অভিযোগটি দায়ের করেছেন। নেত্রকোনার মদন উপজেলার মাঘান উচ্চ বিদ্যালয়ে এমন ঘটনা ঘটেছে।

লিখিত অভিযোগ ও শিক্ষার্থী অভিভাবকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, মাঘান উচ্চ বিদ্যালয়ে ২০২৬ সালের এসএসসি পরিক্ষার্থীদের ফরম ফিলাপ চলমান রয়েছে। সরকার নির্ধারিত ফি ২ হাজার ৩১৫ টাকা। কিন্তু প্রতি শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫ থেকে ৯ হাজার টাকা আদায় করা হচ্ছে।

অভিভাবকদের অভিযোগ, বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা ফরম ফিলাপের সাথে কোচিং ফি বাধ্য করাচ্ছে।

অতিরিক্ত ফি দিতে অপারকতা প্রকাশ করায় ফরম ফিলাপ করতে দেওয়া হবে না। এমনকি পরিক্ষা দিতে দেওয়া হবে না বলে হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

এ ব্যাপারে শিক্ষার্থী অভিভাবক ঝুমন মিয়া বলেন, আমার চাচাতো ভাইয়ের ফরম ফিলাপ করতে বিদ্যালয়ে যাই। ফরম ফিলাপ ও কোচিং ফি বাবদ ৯ হাজার টাকা দাবি করে। আমি দিতে অপারকতা করলে আমাকে গালমন্দ শুরু করে। ৯ হাজার টাকা জমা দিয়ে রশিদ চাওয়ায় আমাকে স্কুল থেকে বের হয়ে যাওয়ার জন্য লাঞ্ছিত করে।

অভিযুক্ত শিক্ষক আব্দুল গণি জানান, বাড়তি টাকা নেওয়ার সুযোগ নাই। আমরা যাদের ফরম ফিলআপ করেছি, তাদের ছাড়া অভিযোগ গ্রহণ যোগ্য হবে না।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জানান, ফরম ফিলআপ বাবদ শিক্ষার্থীর নিকট হতে ২ হাজার ৫শ টাকা করে নেওয়া হয়েছে। বাড়তি টাকার বিষয়ে গণি মাস্টার জানে।অভিভাবক লাঞ্ছিতের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি এড়িয়ে যান।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বেদবতী মিস্ত্রী জানান, আমি জেলায় আছি। বিষয়টি দেখে ব্যবস্থা নিবো।

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

সাইকেলে চড়তেন, ৫ আগস্টের তিন দিন পর প্রাডো গাড়িতে চড়েছেন

মদনে ফরম ফিলাপে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের প্রতিবাদ করায় অভিভাবক লাঞ্ছিত

আপডেট টাইম : ০১:২৬:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

জেলা প্রতিনিধি (নেত্রকোনা): নেত্রকোনার মদনে এসএসসি পরিক্ষার ফরম ফিলাপের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অর্থ আদায় করা হচ্ছে। অতিরিক্ত অর্থ আদায় নিয়ে প্রতিবাদ করায় অভিভাবকদের কে লাঞ্ছিত করার লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এক শিক্ষার্থী অভিভাবক ঝুমন মিয়া রোববার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর অভিযোগটি দায়ের করেছেন। নেত্রকোনার মদন উপজেলার মাঘান উচ্চ বিদ্যালয়ে এমন ঘটনা ঘটেছে।

লিখিত অভিযোগ ও শিক্ষার্থী অভিভাবকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, মাঘান উচ্চ বিদ্যালয়ে ২০২৬ সালের এসএসসি পরিক্ষার্থীদের ফরম ফিলাপ চলমান রয়েছে। সরকার নির্ধারিত ফি ২ হাজার ৩১৫ টাকা। কিন্তু প্রতি শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫ থেকে ৯ হাজার টাকা আদায় করা হচ্ছে।

অভিভাবকদের অভিযোগ, বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা ফরম ফিলাপের সাথে কোচিং ফি বাধ্য করাচ্ছে।

অতিরিক্ত ফি দিতে অপারকতা প্রকাশ করায় ফরম ফিলাপ করতে দেওয়া হবে না। এমনকি পরিক্ষা দিতে দেওয়া হবে না বলে হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

এ ব্যাপারে শিক্ষার্থী অভিভাবক ঝুমন মিয়া বলেন, আমার চাচাতো ভাইয়ের ফরম ফিলাপ করতে বিদ্যালয়ে যাই। ফরম ফিলাপ ও কোচিং ফি বাবদ ৯ হাজার টাকা দাবি করে। আমি দিতে অপারকতা করলে আমাকে গালমন্দ শুরু করে। ৯ হাজার টাকা জমা দিয়ে রশিদ চাওয়ায় আমাকে স্কুল থেকে বের হয়ে যাওয়ার জন্য লাঞ্ছিত করে।

অভিযুক্ত শিক্ষক আব্দুল গণি জানান, বাড়তি টাকা নেওয়ার সুযোগ নাই। আমরা যাদের ফরম ফিলআপ করেছি, তাদের ছাড়া অভিযোগ গ্রহণ যোগ্য হবে না।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জানান, ফরম ফিলআপ বাবদ শিক্ষার্থীর নিকট হতে ২ হাজার ৫শ টাকা করে নেওয়া হয়েছে। বাড়তি টাকার বিষয়ে গণি মাস্টার জানে।অভিভাবক লাঞ্ছিতের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি এড়িয়ে যান।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বেদবতী মিস্ত্রী জানান, আমি জেলায় আছি। বিষয়টি দেখে ব্যবস্থা নিবো।