অবশেষে ১০ লক্ষাধিক পরীক্ষার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ হতে যাচ্ছে আজ। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফল রোববার (১৮ জানুয়ারি) প্রকাশ করা হতে পারে। এদিন বিকেল বা সন্ধ্যায় ফল প্রকাশের লক্ষ্যে কাজ করছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর। গতকাল শনিবার রাতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের পলিসি অ্যান্ড অপারেশনস বিভাগের একজন কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের পলিসি অ্যান্ড অপারেশনস বিভাগের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, উত্তরপত্র স্ক্যানিংয়ের কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে এবং এ কাজ বুয়েটের একটি বিশেষজ্ঞ টিম সম্পন্ন করেছে। ফলাফল প্রস্তুতের কাজেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।
সব প্রক্রিয়া শেষ করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন মিললে আজই ফল প্রকাশ করা হতে পারে। কোনো কারণে তা সম্ভব না হলে আগামী ২০ জানুয়ারির মধ্যেই ফল প্রকাশ করা হবে।
তিনি আরও জানান, প্রতি শূন্যপদের বিপরীতে কতজন প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য ডাকা হবে-সে বিষয়েও আলোচনা চলছে। আগে জেলাভিত্তিক শূন্যপদের বিপরীতে তিনজন প্রার্থীকে ভাইভায় ডাকার সিদ্ধান্ত ছিল। তবে, সাম্প্রতিক জালিয়াতি ও অনিয়মের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সেই সংখ্যা বাড়িয়ে পাঁচজন করার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা পেলে নতুন সিদ্ধান্ত কার্যকর হতে পারে।
উল্লেখ্য, গত ৯ জানুয়ারি দেশের ৬১ জেলায় সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ১৪ হাজার ৩৮৫টি শূন্যপদের বিপরীতে পরীক্ষার্থী ছিলেন ১০ লাখ ৮০ হাজারের বেশি। এ পরীক্ষার কয়েকদিন আগে থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্নফাঁসের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। অনেকে ফাঁস হওয়া প্রশ্ন ফেসবুকে শেয়ারও করেন।
অন্যদিকে, এ পরীক্ষা ঘিরে সক্রিয় হয়ে ওঠে ‘ডিভাইস পার্টি’। তারা পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে মোটা অঙ্কের অর্থ চুক্তির মাধ্যমে ডিভাইসের সহায়তা দিয়েছেন। ডিভাইস ব্যবহার করে পরীক্ষা দেওয়া ২০৭ জন চাকরিপ্রার্থীকে হাতেনাতে ধরা হয়েছে। তাদের মধ্যে গাইবান্ধায় ৫৩ জন, নওগাঁয় ১৮, দিনাজপুরে ১৮, কুড়িগ্রামে ১৬, রংপুরে দুজন রয়েছেন।
Reporter Name 

























