ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের শেষ আশাটুকুও হারালেন জাতীয় পার্টির সাবেক মহাসচিব ও বর্তমানে দলটির একাংশের নির্বাহী চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মুজিবুল হক চুন্নু। রিটার্নিং কর্মকর্তার দেওয়া মনোনয়নপত্র বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তার করা আপিল খারিজ করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত আপিল শুনানির ষষ্ঠ দিনে কিশোরগঞ্জ–৩ (করিমগঞ্জ–তাড়াইল) আসনে তার প্রার্থিতা বাতিলের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়।
ইসি সূত্রে জানা গেছে, দলীয় মনোনয়নপত্রে থাকা স্বাক্ষরের সঙ্গে কমিশনে দাখিল করা কাগজপত্রের স্বাক্ষরের মিল না থাকা এবং ঋণখেলাপি সংক্রান্ত জটিলতার কারণে তার আপিলটি মঞ্জুর করা হয়নি। এ সময় জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান (একাংশ) আনিসুল ইসলাম মাহমুদ–এর নেতৃত্বাধীন দলের আরও আটজন প্রার্থীর প্রার্থিতাও বাতিল ঘোষণা করা হয়।
এর আগে গত ৪ জানুয়ারি কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মনোনয়ন যাচাই–বাছাইয়ে এসব ত্রুটি পাওয়ায় জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা চুন্নুর মনোনয়নপত্র বাতিল করেন।
উল্লেখ্য, মুজিবুল হক চুন্নু জাতীয় পার্টির একাংশের চেয়ারম্যান এবং আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে দু’বার প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষ ২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি জাতীয় পার্টির মনোনীত ও আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনি এলাকায় পোস্টার সাঁটান। তবে মনোনয়নপত্র ক্রয়, দাখিল ও যাচাই–বাছাইয়ের সময় তিনি সরাসরি উপস্থিত ছিলেন না।
এদিকে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা দেশত্যাগের পর থেকে মুজিবুল হক চুন্নু তার নিজ বাড়ি কিংবা নির্বাচনি এলাকা করিমগঞ্জ–তাড়াইল উপজেলায় একবারও আসেননি। এ সময় করিমগঞ্জে তার বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের পক্ষ থেকে ঝাড়ু মিছিলও অনুষ্ঠিত হয়।
Reporter Name 

























