ঢাকা ০৬:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ইটনায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্র্যাক সদস্যদের মাঝে হাঁসের বাচ্চা ও সবজি বীজ বিতরণ তালবাহানায় আটকে গভর্নিং বডি নির্বাচন, প্রশ্নের মুখে আইডিয়াল কর্তৃপক্ষ অবহেলায় অনেক স্কুলের অবকাঠামোর বেহাল দশা: জুবাইদা রহমান গ্লোবাল পিস ইনডেক্স ২০২৬ দক্ষিণ এশিয়ায় চতুর্থ শান্তিপূর্ণ দেশ বাংলাদেশ ক্রমান্বয়ে স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদ্রাসা এমপিওভুক্ত করা হবে পুরস্কারের গাড়ি মাকে উপহার দেবেন তাওহীদ হৃদয় ইসলামী ব্যাংকে নতুন প্রশাসক নিয়োগ জিয়াউর রহমানের জীবন ও দর্শন নিয়ে গবেষণার আহ্বান ফখরুলের পাখির চোখে সীমান্ত পাহারার ছক, কঠোর নজরদারি বাড়াচ্ছে সরকার বেনজীরের গ্রেপ্তারের খবরে আনন্দিত পরীমণি

সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০২:১৫:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৫৮ বার

জুলাই-আগস্টে দেশের ব্যাপক আন্দোলন ও সহিংসতার সময়ে ইন্টারনেট বন্ধ করার মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডে সহায়তা দেওয়ার অভিযোগে সজীব ওয়াজেদ জয়, সাবেক প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক, সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এবং সাবেক বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) দুপুরে ট্রাইব্যুনাল এই আদেশ জারি করেছে। এ সময় ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ গ্রহণ করেছে এবং এই চারজনের বিরুদ্ধে তদন্ত রিপোর্টের ভিত্তিতে মামলা চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এদিকে, বুধবার সজীব ওয়াজেদ জয় এবং জুনায়েদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশন অভিযোগপত্র দাখিল করেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, ঐ সময়কার আন্দোলন চলাকালে সরকারের পক্ষ থেকে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দেয়া হয়, যার মাধ্যমে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডে সহায়তা প্রদান করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ১৭ জুলাই মধ্যরাত থেকে ২৮ জুলাই পর্যন্ত মোবাইল ইন্টারনেট সেবা বন্ধ রাখা হয়েছিল এবং এর পরবর্তী সময়েও ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপসহ অন্যান্য যোগাযোগ মাধ্যম বন্ধ ছিল প্রায় ১৩ দিন। এ ঘটনা ঘটানোর মাধ্যমে আন্দোলনকারীদের প্রতি সহিংসতা প্রবর্তিত হয়েছিল এবং হত্যাকাণ্ড ঘটানোর জন্য একটি সুবর্ণ সুযোগ তৈরি হয়।

অন্যদিকে, আনিসুল হক ও সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ তৈরি করতে যাচ্ছে প্রসিকিউশন। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, আন্দোলন দমন করতে কারফিউ জারি করার পর তা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া এবং পরবর্তীতে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডে তাদের ভূমিকা ছিল। প্রমাণও পাওয়া গেছে, তারা এসব হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করেছিলেন।

প্রসিকিউশন সূত্র জানায়, এই দুই মামলায় অভিযোগপত্র দাখিল করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং শিগগিরই আনুষ্ঠানিক অভিযোগ উত্থাপন করা হবে। আশা করা হচ্ছে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে মামলাগুলো নিয়ে ট্রাইব্যুনালে বিস্তারিত শুনানি শুরু হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ইটনায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্র্যাক সদস্যদের মাঝে হাঁসের বাচ্চা ও সবজি বীজ বিতরণ

সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

আপডেট টাইম : ০২:১৫:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৫

জুলাই-আগস্টে দেশের ব্যাপক আন্দোলন ও সহিংসতার সময়ে ইন্টারনেট বন্ধ করার মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডে সহায়তা দেওয়ার অভিযোগে সজীব ওয়াজেদ জয়, সাবেক প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক, সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এবং সাবেক বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) দুপুরে ট্রাইব্যুনাল এই আদেশ জারি করেছে। এ সময় ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ গ্রহণ করেছে এবং এই চারজনের বিরুদ্ধে তদন্ত রিপোর্টের ভিত্তিতে মামলা চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এদিকে, বুধবার সজীব ওয়াজেদ জয় এবং জুনায়েদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশন অভিযোগপত্র দাখিল করেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, ঐ সময়কার আন্দোলন চলাকালে সরকারের পক্ষ থেকে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দেয়া হয়, যার মাধ্যমে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডে সহায়তা প্রদান করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ১৭ জুলাই মধ্যরাত থেকে ২৮ জুলাই পর্যন্ত মোবাইল ইন্টারনেট সেবা বন্ধ রাখা হয়েছিল এবং এর পরবর্তী সময়েও ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপসহ অন্যান্য যোগাযোগ মাধ্যম বন্ধ ছিল প্রায় ১৩ দিন। এ ঘটনা ঘটানোর মাধ্যমে আন্দোলনকারীদের প্রতি সহিংসতা প্রবর্তিত হয়েছিল এবং হত্যাকাণ্ড ঘটানোর জন্য একটি সুবর্ণ সুযোগ তৈরি হয়।

অন্যদিকে, আনিসুল হক ও সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ তৈরি করতে যাচ্ছে প্রসিকিউশন। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, আন্দোলন দমন করতে কারফিউ জারি করার পর তা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া এবং পরবর্তীতে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডে তাদের ভূমিকা ছিল। প্রমাণও পাওয়া গেছে, তারা এসব হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করেছিলেন।

প্রসিকিউশন সূত্র জানায়, এই দুই মামলায় অভিযোগপত্র দাখিল করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং শিগগিরই আনুষ্ঠানিক অভিযোগ উত্থাপন করা হবে। আশা করা হচ্ছে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে মামলাগুলো নিয়ে ট্রাইব্যুনালে বিস্তারিত শুনানি শুরু হবে।