ঢাকা ০১:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
সততা ও দক্ষতায় আপসহীন হতে হবে: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী মারা গেছেন আলোচিত সেই ‌‘সিরিয়াল কিলার’ সাইকো সম্রাট গুপ্ত এবং অদৃশ্য শক্তির বিরুদ্ধে ভোট করতে হয়েছে: পানিসম্পদ মন্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্পের আমন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্রে জুবাইদা রহমান ইরান যুদ্ধে ট্রাম্পের নতি স্বীকার: ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম থেকে পিছুটান ট্রাম্পের আলোচনার দাবিকে উড়িয়ে দিল ইরান, ‘কোনো আলোচনাই হয়নি’—আরাগচি ভুয়া চিকিৎসক দিয়ে অস্ত্রোপচার, ডক্টরস কেয়ার হাসপাতাল সিলগালা গাবতলী থেকে স্মৃতিসৌধ পর্যন্ত তোরণ-পোস্টার লাগানো নিষেধ শারীরিক অবস্থার উন্নতি কথা বলতে পারছেন মির্জা আব্বাস, দোয়া চেয়েছে পরিবার অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্টে তারেক রহমানকে ‌অভিনন্দন জানিয়ে প্রস্তাব উত্থাপন

রাসুল (সা.)-কে ভালোবাসার দাবি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৬:৪৭:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৬৪ বার
সব মুসলমানের কাছে বড় প্রিয় একটি নাম মুহাম্মদ (সা.)। মুসলমান হিসেবে আমাদের সবারই প্রিয় তিনি। তিনি আমাদের প্রাণের চেয়েও অধিক প্রিয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘তোমাদের মধ্যে কেউ মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত আমি তার কাছে তার পিতা, সন্তান এবং সব মানুষ অপেক্ষা প্রিয়তম না হয়েছি।

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসার অন্যতম দাবি হলো- তাঁর সিরাত জানা ও তদনুযায়ী জীবন গড়া। সিরাত বলতে বোঝায় মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনে সংঘটিত সব ঘটনার বিবরণ ও ইতিহাস। তিনি যা বলেছেন, যা করেছেন এবং যা কিছুর অনুমোদন দিয়েছেন।

রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জীবনচরিত, তাঁর চারিত্রিক গুণাবলি ও বৈশিষ্ট্য, তাঁর জন্ম ও বংশধারা, তাঁর নবুওয়তের দলিলগুলো, মুজেজা ইত্যাদি রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সিরাতের মৌলিক বিষয়। মুসলমান হিসেবে এসব বিষয় জানা ইমানের দাবি। সত্যিকারার্থে রাসুল (সা.)-এর ভালোবাসার মূল দাবিই হলো, তাঁর যাবতীয় আদর্শ পরিপূর্ণভাবে আঁকড়ে ধরা। মুসলমান হিসেবে সব বিষয়ে সমাধানের জন্য নবীজি (সা.)-এর সিরাত-জীবনী অধ্যয়ন করা খুবই প্রয়োজন।
প্রয়োজন জীবনের সব ক্ষেত্রে নবীজির জীবনী থেকে আলো গ্রহণ করা। নবীজির জীবনে যা ছিল না তা বর্জন করা। রাসুল (সা.)-এর প্রতি যার ভালোবাসা সঠিক ও খাঁটি হবে সে রাসুল (সা.)-এর প্রতি অনুগত হবে। রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘তোমাদের মধ্যে কেউ মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত তার চাহিদা আমার আনীত নীতি অনুযায়ী হবে না। (শরহুস সুন্নাহ, বগভী)।
সব শ্রেণির মানুষ রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জীবনের যে কোনো শাখায় উত্তম আদর্শ পাবে। আল্লাহতায়ালা ঘোষণা করেন, ‘যা দিয়েছেন তোমাদের রাসুল, সুতরাং তা তোমরা ধারণ কর, আর যা থেকে তোমাদের বারণ করেছেন, তা থেকে বিরত থাকো।’ (সুরা হাশর-৭)।

মানবজীবনে এমন কোনো অধ্যায় নেই, যার দিকনির্দেশনা আমাদের নবীজির জীবন থেকে পাওয়া যাবে না। তাঁর জীবনে এমন কোনো বাক্য নেই, যাতে কারও উপদেশ নেই। এমন কোনো কর্ম নেই, যাতে কারও শিক্ষা নেই। পবিত্র কোরআনে আল্লাহতায়ালা ঘোষণা করেন, ‘তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসুলের মাঝে রয়েছে উত্তম আদর্শ।’ (সুরা আহজাব-২১)।

মহানবী (সা.) একদিকে ছিলেন মুসলিম জাহানের সফল রাষ্ট্রনায়ক, অপরদিকে ছিলেন তিনি শ্রেষ্ঠ সমাজসেবক। তিনি খাদিজা (রা.)-এর স্বামী, ফাতেমা (রা.)-এর পিতা এবং হাসান-হুসাইন (রা.)-এর নানা। তিনি রণাঙ্গনের সেনাপতি ছিলেন, ছিলেন মক্কার মরুভূমিতে একজন এতিম রাখাল। তাঁর মধ্যে রয়েছে সমাজের প্রতিটি স্তরে অনুসরণের জন্য উত্তম আদর্শ। ব্যক্তি, পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে প্রবর্তন করেছিলেন মানবতার উজ্জ্বল নমুনা। মুহাম্মদ (সা.)-এর সিরাত এতই বিস্তৃত ও ব্যাপক যে তাঁর আনীত ধর্মের মাধ্যমে আল্লাহতায়ালা সব ধর্ম রহিত ঘোষণা করেছেন। তাঁর আনীত ধর্মই একটি নিখুঁত ও পূর্ণাঙ্গ ধর্ম হিসেবে গ্রহণযোগ্য। তিনি এসেই একদিকে পার্থিব জীবনব্যবস্থা সংশোধনের ঘোষণা দিলেন। অপরদিকে পারলৌকিক জীবনে অফুরন্ত সুখ-শান্তি প্রাপ্তির মূলনীতিগুলো বাতলে দিলেন বিশ্বমানবকে। তাই তাঁর ধর্ম বিশ্বজনীন, সর্বজনীন। আর তিনি হলেন বিশ্বনবী, শ্রেষ্ঠ নবী ও শেষ নবী। তাঁর প্রতিটি কথা ও আদর্শ, সবার জন্য অনুসরণীয়, অনুকরণীয়। কিয়ামত পর্যন্ত দেশ দেশান্তরে, যুগ-যুগান্তরে, বর্ণ, গোত্র-বংশনির্বিশেষে সবার কাছে মহানবী (সা.)-এর সিরাত হবে আদর্শ এবং তাঁর আনীত সুমহান ধর্ম হবে অনুসৃত ও প্রতিপালিত। তাই তাঁর ভালোবাসার দাবি হলো, জীবনের যাবতীয় অধ্যায়ে তাঁর অনুসরণ করা তাঁর সুন্নতকে আঁকড়ে ধরা। এ পরিসরে একটি ঘটনা সংযোজন করার কৌতূহল হয়, জামাম ইবনে সালাবাহ (রা.) মহানবী (সা.)-এর মসজিদে একদিন উপস্থিত হয়ে রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে সম্বোধন করে বলেন, আমি আপনাকে আপনার প্রভু, অতীত প্রভু এবং পরবর্তীদের প্রভুর শপথ দিয়ে বলছি, আপনাকে কি আল্লাহতায়ালা প্রেরণ করেছেন? রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, হ্যাঁ! অতঃপর তিনি এভাবেই শপথ দিয়ে বলেন, আমাদের এক আল্লাহর ইবাদতের প্রতি নির্দেশনা দেওয়ার জন্য আল্লাহ আপনাকে নির্দেশ দিয়েছেন? রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, হ্যাঁ! অতঃপর তিনি এভাবেই শপথ দিয়ে বললেন, আমাদের এই পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের প্রতি নির্দেশনা দেওয়ার জন্য আল্লাহ আপনাকে নির্দেশ দিয়েছেন? রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, হ্যাঁ! এভাবে তিনি জাকাত, রোজা ও হজ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেন। অতঃপর তিনি কালিমায়ে শাহাদাত উচ্চারণ করে ইসলাম গ্রহণ করেন। আর বলেন, আমি এসব পালন করব। এতে কোনো কম বেশি করব না। তিনি ফেরত চলে যান। রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, সে যদি যথাযথ বলে থাকে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। ইহ ও পরকালে কল্যাণজনক বিষয়ে সাহাবাদের জানা ও আমল করার কৌতূহল ছিল। আগ্রহ ছিল আমল করার প্রতি। আমাদের জন্য এতে শিক্ষা রয়েছে। রয়েছে মহানবী (সা.)-কে ভালোবাসার যথাযথ নীতিমালা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

সততা ও দক্ষতায় আপসহীন হতে হবে: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী

রাসুল (সা.)-কে ভালোবাসার দাবি

আপডেট টাইম : ০৬:৪৭:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
সব মুসলমানের কাছে বড় প্রিয় একটি নাম মুহাম্মদ (সা.)। মুসলমান হিসেবে আমাদের সবারই প্রিয় তিনি। তিনি আমাদের প্রাণের চেয়েও অধিক প্রিয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘তোমাদের মধ্যে কেউ মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত আমি তার কাছে তার পিতা, সন্তান এবং সব মানুষ অপেক্ষা প্রিয়তম না হয়েছি।

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসার অন্যতম দাবি হলো- তাঁর সিরাত জানা ও তদনুযায়ী জীবন গড়া। সিরাত বলতে বোঝায় মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনে সংঘটিত সব ঘটনার বিবরণ ও ইতিহাস। তিনি যা বলেছেন, যা করেছেন এবং যা কিছুর অনুমোদন দিয়েছেন।

রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জীবনচরিত, তাঁর চারিত্রিক গুণাবলি ও বৈশিষ্ট্য, তাঁর জন্ম ও বংশধারা, তাঁর নবুওয়তের দলিলগুলো, মুজেজা ইত্যাদি রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সিরাতের মৌলিক বিষয়। মুসলমান হিসেবে এসব বিষয় জানা ইমানের দাবি। সত্যিকারার্থে রাসুল (সা.)-এর ভালোবাসার মূল দাবিই হলো, তাঁর যাবতীয় আদর্শ পরিপূর্ণভাবে আঁকড়ে ধরা। মুসলমান হিসেবে সব বিষয়ে সমাধানের জন্য নবীজি (সা.)-এর সিরাত-জীবনী অধ্যয়ন করা খুবই প্রয়োজন।
প্রয়োজন জীবনের সব ক্ষেত্রে নবীজির জীবনী থেকে আলো গ্রহণ করা। নবীজির জীবনে যা ছিল না তা বর্জন করা। রাসুল (সা.)-এর প্রতি যার ভালোবাসা সঠিক ও খাঁটি হবে সে রাসুল (সা.)-এর প্রতি অনুগত হবে। রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘তোমাদের মধ্যে কেউ মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত তার চাহিদা আমার আনীত নীতি অনুযায়ী হবে না। (শরহুস সুন্নাহ, বগভী)।
সব শ্রেণির মানুষ রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জীবনের যে কোনো শাখায় উত্তম আদর্শ পাবে। আল্লাহতায়ালা ঘোষণা করেন, ‘যা দিয়েছেন তোমাদের রাসুল, সুতরাং তা তোমরা ধারণ কর, আর যা থেকে তোমাদের বারণ করেছেন, তা থেকে বিরত থাকো।’ (সুরা হাশর-৭)।

মানবজীবনে এমন কোনো অধ্যায় নেই, যার দিকনির্দেশনা আমাদের নবীজির জীবন থেকে পাওয়া যাবে না। তাঁর জীবনে এমন কোনো বাক্য নেই, যাতে কারও উপদেশ নেই। এমন কোনো কর্ম নেই, যাতে কারও শিক্ষা নেই। পবিত্র কোরআনে আল্লাহতায়ালা ঘোষণা করেন, ‘তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসুলের মাঝে রয়েছে উত্তম আদর্শ।’ (সুরা আহজাব-২১)।

মহানবী (সা.) একদিকে ছিলেন মুসলিম জাহানের সফল রাষ্ট্রনায়ক, অপরদিকে ছিলেন তিনি শ্রেষ্ঠ সমাজসেবক। তিনি খাদিজা (রা.)-এর স্বামী, ফাতেমা (রা.)-এর পিতা এবং হাসান-হুসাইন (রা.)-এর নানা। তিনি রণাঙ্গনের সেনাপতি ছিলেন, ছিলেন মক্কার মরুভূমিতে একজন এতিম রাখাল। তাঁর মধ্যে রয়েছে সমাজের প্রতিটি স্তরে অনুসরণের জন্য উত্তম আদর্শ। ব্যক্তি, পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে প্রবর্তন করেছিলেন মানবতার উজ্জ্বল নমুনা। মুহাম্মদ (সা.)-এর সিরাত এতই বিস্তৃত ও ব্যাপক যে তাঁর আনীত ধর্মের মাধ্যমে আল্লাহতায়ালা সব ধর্ম রহিত ঘোষণা করেছেন। তাঁর আনীত ধর্মই একটি নিখুঁত ও পূর্ণাঙ্গ ধর্ম হিসেবে গ্রহণযোগ্য। তিনি এসেই একদিকে পার্থিব জীবনব্যবস্থা সংশোধনের ঘোষণা দিলেন। অপরদিকে পারলৌকিক জীবনে অফুরন্ত সুখ-শান্তি প্রাপ্তির মূলনীতিগুলো বাতলে দিলেন বিশ্বমানবকে। তাই তাঁর ধর্ম বিশ্বজনীন, সর্বজনীন। আর তিনি হলেন বিশ্বনবী, শ্রেষ্ঠ নবী ও শেষ নবী। তাঁর প্রতিটি কথা ও আদর্শ, সবার জন্য অনুসরণীয়, অনুকরণীয়। কিয়ামত পর্যন্ত দেশ দেশান্তরে, যুগ-যুগান্তরে, বর্ণ, গোত্র-বংশনির্বিশেষে সবার কাছে মহানবী (সা.)-এর সিরাত হবে আদর্শ এবং তাঁর আনীত সুমহান ধর্ম হবে অনুসৃত ও প্রতিপালিত। তাই তাঁর ভালোবাসার দাবি হলো, জীবনের যাবতীয় অধ্যায়ে তাঁর অনুসরণ করা তাঁর সুন্নতকে আঁকড়ে ধরা। এ পরিসরে একটি ঘটনা সংযোজন করার কৌতূহল হয়, জামাম ইবনে সালাবাহ (রা.) মহানবী (সা.)-এর মসজিদে একদিন উপস্থিত হয়ে রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে সম্বোধন করে বলেন, আমি আপনাকে আপনার প্রভু, অতীত প্রভু এবং পরবর্তীদের প্রভুর শপথ দিয়ে বলছি, আপনাকে কি আল্লাহতায়ালা প্রেরণ করেছেন? রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, হ্যাঁ! অতঃপর তিনি এভাবেই শপথ দিয়ে বলেন, আমাদের এক আল্লাহর ইবাদতের প্রতি নির্দেশনা দেওয়ার জন্য আল্লাহ আপনাকে নির্দেশ দিয়েছেন? রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, হ্যাঁ! অতঃপর তিনি এভাবেই শপথ দিয়ে বললেন, আমাদের এই পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের প্রতি নির্দেশনা দেওয়ার জন্য আল্লাহ আপনাকে নির্দেশ দিয়েছেন? রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, হ্যাঁ! এভাবে তিনি জাকাত, রোজা ও হজ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেন। অতঃপর তিনি কালিমায়ে শাহাদাত উচ্চারণ করে ইসলাম গ্রহণ করেন। আর বলেন, আমি এসব পালন করব। এতে কোনো কম বেশি করব না। তিনি ফেরত চলে যান। রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, সে যদি যথাযথ বলে থাকে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। ইহ ও পরকালে কল্যাণজনক বিষয়ে সাহাবাদের জানা ও আমল করার কৌতূহল ছিল। আগ্রহ ছিল আমল করার প্রতি। আমাদের জন্য এতে শিক্ষা রয়েছে। রয়েছে মহানবী (সা.)-কে ভালোবাসার যথাযথ নীতিমালা।