ঢাকা ১১:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
১৫ দিনে প্রবাসী আয় এলো ১৯ হাজার ৯৩২ কোটি টাকা মহররমের চাঁদ দেখা গেছে ২৬ জুন সারাদেশে উদযাপিত হবে পবিত্র আশুরা সেপ্টেম্বর-অক্টোবর থেকে পর্যায়ক্রমে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী প্রতিটি জেলায় খামার স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে: কৃষিমন্ত্রী আত্রাই নদীতে অবৈধ সৌতিজালের বিরুদ্ধে অভিযান নেটওয়ার্ক খুঁজতে আম গাছে প্রধান শিক্ষক, কী ঘটেছিল সাবেক আইজিপি বেনজীরকে দেশে ফেরাতে আরব আমিরাতকে দুদকের চিঠি মাদরাসা শিক্ষকদের মে মাসের বেতন বিলম্ব: দ্রুত সমাধান ও স্থায়ী ব্যবস্থার দাবি বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের যুব সমাজকে মাদকমুক্ত করতে খেলাধুলা-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে জোর দিতে হবে রাত পোহালেই আর্জেন্টিনার ম্যাচ, মাঠে নামলেই ইতিহাস গড়বেন মেসি

৪৩ মাস পর আদালতের রায়ে ইউপি চেয়ারম্যান হলেন তাহের

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৬:৪৩:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ অগাস্ট ২০২৫
  • ১৪৫ বার

জেলা (নেত্রকোনা) প্রতিনিধিঃ প্রায় ৪৩ মাস পর আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে মদন উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে আদালতে রায় পেলেন বিএনপি নেতা আবু তাহের আজাদ।

বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) দুপুরে নেত্রকোনা নির্বাচন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাহবুব আহমেদ প্রকাশ্য আদালতে ভোট পুনর্গণনা শেষে তাঁকে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করেন।

আবু তাহের আজাদ মদন উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক। এর আগে তিনি উপজেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কাইটাল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মো. সাফায়াত উল্লাহ রয়েলকে ৩৫ ভোটে বিজয়ী ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। ফলাফলে দেখা যায়, সাফায়াত উল্লাহ পেয়েছিলেন ৫ হাজার ২২৬ ভোট এবং আনারস প্রতীকের প্রার্থী আবু তাহের পেয়েছিলেন ৫ হাজার ১৯১ ভোট।

ফলাফলের বিরোধিতা করে ওই বছরের এপ্রিল মাসে নির্বাচন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন আবু তাহের। মামলায় তিনি ভোট পুনর্গণনার দাবি জানান। তবে প্রাথমিকভাবে মামলাটি খারিজ হয়ে গেলে তিনি উচ্চতর আদালতে আপিল করেন।

বহু জটিলতা শেষে বৃহস্পতিবার দুপুরে আদালতে ভোট পুনর্গণনা করা হলে দেখা যায়, আবু তাহের তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সাফায়াত উল্লাহর চেয়ে ৮৩৮ ভোট বেশি পেয়েছেন। পরে বিচারক তাঁকে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করেন।

আবু তাহেরের আইনজীবী অ্যাড. কায়সার আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, “প্রকাশ্য আদালতে ভোট গণনার মাধ্যমে সঠিক ফলাফল উঠে এসেছে। এতে প্রমাণ হয়েছে, তাহের প্রকৃত বিজয়ী ছিলেন। আদালতের এ রায় সুবিচারের দৃষ্টান্ত।”

প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সাফায়াত উল্লাহ রয়েল কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে জানতে, তৎকালীন দায়িত্ব প্রাপ্ত রিটার্নিং অফিসার (ইউএনও) বুলবুল আহম্মেদকে একাধিকবার কল করেও পাওয়া যায়নি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

১৫ দিনে প্রবাসী আয় এলো ১৯ হাজার ৯৩২ কোটি টাকা

৪৩ মাস পর আদালতের রায়ে ইউপি চেয়ারম্যান হলেন তাহের

আপডেট টাইম : ০৬:৪৩:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ অগাস্ট ২০২৫

জেলা (নেত্রকোনা) প্রতিনিধিঃ প্রায় ৪৩ মাস পর আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে মদন উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে আদালতে রায় পেলেন বিএনপি নেতা আবু তাহের আজাদ।

বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) দুপুরে নেত্রকোনা নির্বাচন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাহবুব আহমেদ প্রকাশ্য আদালতে ভোট পুনর্গণনা শেষে তাঁকে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করেন।

আবু তাহের আজাদ মদন উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক। এর আগে তিনি উপজেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কাইটাল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মো. সাফায়াত উল্লাহ রয়েলকে ৩৫ ভোটে বিজয়ী ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। ফলাফলে দেখা যায়, সাফায়াত উল্লাহ পেয়েছিলেন ৫ হাজার ২২৬ ভোট এবং আনারস প্রতীকের প্রার্থী আবু তাহের পেয়েছিলেন ৫ হাজার ১৯১ ভোট।

ফলাফলের বিরোধিতা করে ওই বছরের এপ্রিল মাসে নির্বাচন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন আবু তাহের। মামলায় তিনি ভোট পুনর্গণনার দাবি জানান। তবে প্রাথমিকভাবে মামলাটি খারিজ হয়ে গেলে তিনি উচ্চতর আদালতে আপিল করেন।

বহু জটিলতা শেষে বৃহস্পতিবার দুপুরে আদালতে ভোট পুনর্গণনা করা হলে দেখা যায়, আবু তাহের তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সাফায়াত উল্লাহর চেয়ে ৮৩৮ ভোট বেশি পেয়েছেন। পরে বিচারক তাঁকে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করেন।

আবু তাহেরের আইনজীবী অ্যাড. কায়সার আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, “প্রকাশ্য আদালতে ভোট গণনার মাধ্যমে সঠিক ফলাফল উঠে এসেছে। এতে প্রমাণ হয়েছে, তাহের প্রকৃত বিজয়ী ছিলেন। আদালতের এ রায় সুবিচারের দৃষ্টান্ত।”

প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সাফায়াত উল্লাহ রয়েল কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে জানতে, তৎকালীন দায়িত্ব প্রাপ্ত রিটার্নিং অফিসার (ইউএনও) বুলবুল আহম্মেদকে একাধিকবার কল করেও পাওয়া যায়নি।