ঢাকা ০৫:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
সততা ও দক্ষতায় আপসহীন হতে হবে: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী মারা গেছেন আলোচিত সেই ‌‘সিরিয়াল কিলার’ সাইকো সম্রাট গুপ্ত এবং অদৃশ্য শক্তির বিরুদ্ধে ভোট করতে হয়েছে: পানিসম্পদ মন্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্পের আমন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্রে জুবাইদা রহমান ইরান যুদ্ধে ট্রাম্পের নতি স্বীকার: ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম থেকে পিছুটান ট্রাম্পের আলোচনার দাবিকে উড়িয়ে দিল ইরান, ‘কোনো আলোচনাই হয়নি’—আরাগচি ভুয়া চিকিৎসক দিয়ে অস্ত্রোপচার, ডক্টরস কেয়ার হাসপাতাল সিলগালা গাবতলী থেকে স্মৃতিসৌধ পর্যন্ত তোরণ-পোস্টার লাগানো নিষেধ শারীরিক অবস্থার উন্নতি কথা বলতে পারছেন মির্জা আব্বাস, দোয়া চেয়েছে পরিবার অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্টে তারেক রহমানকে ‌অভিনন্দন জানিয়ে প্রস্তাব উত্থাপন

কোরআনের ভাষ্যমতে আল্লাহ খুশি যাদের ওপর

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৭:৩৩:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ জুলাই ২০২৫
  • ১০০ বার
মহান আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনুল কারিমে ঘোষনা করেন-

اَیَحْسَبُوْنَ اَنَّمَا نُمِدُّهُمْ بِهٖ مِنْ مَّالٍ وَّ بَنِیْنَ،نُسَارِعُ لَهُمْ فِی الْخَیْرٰتِ  بَلْ لَّا یَشْعُرُوْنَ، اِنَّ الَّذِیْنَ هُمْ مِّنْ خَشْیَةِ رَبِّهِمْ مُّشْفِقُوْنَ،وَالَّذِیْنَ هُمْ بِاٰیٰتِ رَبِّهِمْ یُؤْمِنُوْنَ،وَ الَّذِیْنَ هُمْ بِرَبِّهِمْ لَا یُشْرِكُوْنَ،وَ الَّذِیْنَ یُؤْتُوْنَ مَاۤ اٰتَوْا وَّ قُلُوْبُهُمْ وَجِلَةٌ اَنَّهُمْ اِلٰی رَبِّهِمْ رٰجِعُوْنَ،اُولٰٓىِٕكَ یُسٰرِعُوْنَ فِی الْخَیْرٰتِ وَ هُمْ لَهَا سٰبِقُوْنَ.

‘তারা কি মনে করে, আমি তাদেরকে যে ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি দিয়ে যাচ্ছি তা দ্বারা তাদের কল্যাণ সাধনে ত্বরা দেখাচ্ছি? না, বরং (প্রকৃত অবস্থা সম্পর্কে) তাদের কোনো অনুভূতি নেই। নিশ্চয় যারা নিজ প্রতিপালকের ভয়ে ভীত এবং যারা নিজ প্রতিপালকের আয়াতগুলোতে ঈমান রাখে এবং যারা নিজ প্রতিপালকের সাথে কাউকে শরিক করে না এবং যারা যে কোনো কাজই করে, তা করার সময় তাদের অন্তর এই ভয়ে ভীত থাকে যে, তাদেরকে নিজ প্রতিপালকের কাছে ফিরে যেতে হবে। তারাই কল্যাণ অর্জনে তৎপরতা প্রদর্শন করছে এবং তারাই সে দিকে অগ্রসর হচ্ছে দ্রুতগতিতে।’ (সুরা মুমিনুন, আয়াত : ৫৫-৬১)

উপরোক্ত আয়াতগুলোতে নেক কাজে অগ্রগামীদের চারটি মৌলিক গুণের কথা বলা হয়েছে।

মক্কার কাফেররা মনে করত এবং এখনো অনেক মানুষ এই ভুল ধারণায় নিপতিত যে, যেহেতু ধনসম্পদ ও সন্তান-সন্ততি এবং দুনিয়াবী আরাম-আয়েশ আল্লাহ আমাদেরকে দিয়েছেন সেহেতু এটা একথা প্রমাণ করে, আল্লাহ আমাদের উপর খুশি আছেন। খুশি না হলে কি তিনি এত নিয়ামত দিতেন!এই আয়াত বলছে, আল্লাহর সন্তুষ্টি ও অসন্তুষ্টি বোঝার উপায় দুনিয়ার নিয়ামত নয়। দুনিয়ার নিয়ামত তো তিনি যাকে ভালবাসেন তাকেও দেন এবং যাকে ভালবাসেন না তাকেও দেন। তবে দ্বীন পালনের নিয়ামত তিনি তাদেরকেই দেন, যাদেরকে তিনি ভালবাসেন।

তাই তাঁর ভালবাসা ও সন্তুষ্টির মাপকাঠি দ্বীন, দুনিয়া নয়।এরপর আল্লাহর প্রিয় বান্দাদের কয়েকটি গুণ উল্লেখ করা হয়েছে। নিচে কিঞ্চিৎ ব্যাখ্যাসহ গুণগুলো উল্লেখ করা হল—

এক. তারা তাদের প্রতিপালকের ভয়ে ভীত থাকে। অর্থাৎ আল্লাহর ভয়ে ভীত থেকে তাঁর নিষিদ্ধ বিষয় থেকে বিরত থাকে এবং করণীয় বিষয়গুলো যথাযথভাবে পালন করে।

এসব  নেক আমল করার পরও তাদের মন থেকে ভয় কাটে না। সব সময় এই পেরেশানি লেগেই থাকে যে, ঈমানের মৃত্যু নসিব হবে তো? হায়! আল্লাহর হক তো কিছুই আদায় করতে পারলাম না!দুই. তারা আল্লাহর আয়াতগুলোর ওপর ঈমান রাখে। কোরআনে আল্লাহ যে সকল আয়াত অবতীর্ণ করেছেন সেগুলো তিলাওয়াত করে। সেগুলোর অর্থ ও মর্ম অনুধাবনের চেষ্টা করে।  পাশাপাশি পৃথিবীতে আল্লাহর যে সকল নিদর্শন রয়েছে, সেগুলো নিয়েও চিন্তা-ফিকির করে।

যেমন, মায়ের গর্ভে শিশুর বিকাশ, বৃষ্টির অবতরণ, মাটির নিচে পানির সংরক্ষণ ইত্যাদি। সৃষ্টি নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করে সে স্রষ্টার পরিচয় লাভ করে এবং তাঁর কুদরত ও ক্ষমতা বোঝার চেষ্টা করে।তিন. তারা আল্লাহর সাথে শিরক করে না। শিরক দুই প্রকার; শিরকে জলি, শিরকে খফি। আল্লাহর সাথে অন্য কাউকে শরিক করা, আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও নিকট প্রার্থনা করা, মানত করা— এগুলো শিরকে জলি বা বড় শিরক। একজন মুমিন তো এসব বড় শিরকে লিপ্ত হওয়ার কল্পনাও করতে পারে না।

আরেক ধরনের শিরক হল শিরকে খফি বা গোপন শিরক। যেমন, আমলের মধ্যে লোক দেখানোর প্রবণতা থাকা। দানের ক্ষেত্রে সুনাম-সুখ্যাতির নিয়ত থাকা। তো আল্লাহর প্রিয় বান্দারা এই ছোট শিরক থেকেও বেঁচে থাকেন।

শিরকে খফি আসলেও খুব মারাত্মক ও আমল বিধ্বংসী। এ থেকে বাঁচাটা অনেক সময়ই কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। সুতরাং এব্যাপারে সবচে বেশি সতর্ক থাকা উচিত। বিশেষ করে লোক দেখানো ও সুখ্যাতির নিয়ত বড়ই মারাত্মক। নিজের কোনো কাজ একটু সুন্দর হলেই মানুষের বাহবা পাওয়ার আশা মনে জাগে। শয়তান এ পথে আক্রমণ করে সবচেয়ে বেশি। সুতরাং এ বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকা; ইসতিগফার করা এবং বারবার নিয়ত শুধরে নেওয়া।

চার. তারা নামায-রোযা, দান-সদকা যে নেক কাজই করে আখেরাতের কথা সদা মনে জাগরুক রাখে। নেক কাজে অগ্রগামী থাকে। প্রতিযোগিতামূলকভাবে নেক কাজে অংশগ্রহণ করে। নেক কাজ করে গর্ব করে না; বরং মনে ভয় রাখে, এসকল নেক কাজ আল্লাহ কবুল করবেন তো! আখেরাতে এগুলোর বিনিময়ে পাব তো!  নেক কাজের ক্ষেত্রে আমি রিয়ার (লোক দেখানোর) শিকার নই তো!

তো এখানে মোট চারটি গুণের কথা বলা হল। আল্লাহর ভয়, আল্লাহর আয়াতসমূহের উপর বিশ্বাস, সব ধরনের শিরকী কর্মকাণ্ড থেকে বেঁচে থাকা, নেক কাজ করার পরও গর্ব না করা— এ চার গুণের অধিকারী লোকদের ব্যাপারে আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন, এসকল লোক কল্যাণ অর্জনে  সদা তৎপর থাকে এবং নেক কাজের দিকে দ্রুত অগ্রসর হয়। আল্লাহ আমাদেরকে এ চার গুণের অধিকারী হওয়ার তাওফীক দান করুন। আমীন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

সততা ও দক্ষতায় আপসহীন হতে হবে: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী

কোরআনের ভাষ্যমতে আল্লাহ খুশি যাদের ওপর

আপডেট টাইম : ০৭:৩৩:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ জুলাই ২০২৫
মহান আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনুল কারিমে ঘোষনা করেন-

اَیَحْسَبُوْنَ اَنَّمَا نُمِدُّهُمْ بِهٖ مِنْ مَّالٍ وَّ بَنِیْنَ،نُسَارِعُ لَهُمْ فِی الْخَیْرٰتِ  بَلْ لَّا یَشْعُرُوْنَ، اِنَّ الَّذِیْنَ هُمْ مِّنْ خَشْیَةِ رَبِّهِمْ مُّشْفِقُوْنَ،وَالَّذِیْنَ هُمْ بِاٰیٰتِ رَبِّهِمْ یُؤْمِنُوْنَ،وَ الَّذِیْنَ هُمْ بِرَبِّهِمْ لَا یُشْرِكُوْنَ،وَ الَّذِیْنَ یُؤْتُوْنَ مَاۤ اٰتَوْا وَّ قُلُوْبُهُمْ وَجِلَةٌ اَنَّهُمْ اِلٰی رَبِّهِمْ رٰجِعُوْنَ،اُولٰٓىِٕكَ یُسٰرِعُوْنَ فِی الْخَیْرٰتِ وَ هُمْ لَهَا سٰبِقُوْنَ.

‘তারা কি মনে করে, আমি তাদেরকে যে ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি দিয়ে যাচ্ছি তা দ্বারা তাদের কল্যাণ সাধনে ত্বরা দেখাচ্ছি? না, বরং (প্রকৃত অবস্থা সম্পর্কে) তাদের কোনো অনুভূতি নেই। নিশ্চয় যারা নিজ প্রতিপালকের ভয়ে ভীত এবং যারা নিজ প্রতিপালকের আয়াতগুলোতে ঈমান রাখে এবং যারা নিজ প্রতিপালকের সাথে কাউকে শরিক করে না এবং যারা যে কোনো কাজই করে, তা করার সময় তাদের অন্তর এই ভয়ে ভীত থাকে যে, তাদেরকে নিজ প্রতিপালকের কাছে ফিরে যেতে হবে। তারাই কল্যাণ অর্জনে তৎপরতা প্রদর্শন করছে এবং তারাই সে দিকে অগ্রসর হচ্ছে দ্রুতগতিতে।’ (সুরা মুমিনুন, আয়াত : ৫৫-৬১)

উপরোক্ত আয়াতগুলোতে নেক কাজে অগ্রগামীদের চারটি মৌলিক গুণের কথা বলা হয়েছে।

মক্কার কাফেররা মনে করত এবং এখনো অনেক মানুষ এই ভুল ধারণায় নিপতিত যে, যেহেতু ধনসম্পদ ও সন্তান-সন্ততি এবং দুনিয়াবী আরাম-আয়েশ আল্লাহ আমাদেরকে দিয়েছেন সেহেতু এটা একথা প্রমাণ করে, আল্লাহ আমাদের উপর খুশি আছেন। খুশি না হলে কি তিনি এত নিয়ামত দিতেন!এই আয়াত বলছে, আল্লাহর সন্তুষ্টি ও অসন্তুষ্টি বোঝার উপায় দুনিয়ার নিয়ামত নয়। দুনিয়ার নিয়ামত তো তিনি যাকে ভালবাসেন তাকেও দেন এবং যাকে ভালবাসেন না তাকেও দেন। তবে দ্বীন পালনের নিয়ামত তিনি তাদেরকেই দেন, যাদেরকে তিনি ভালবাসেন।

তাই তাঁর ভালবাসা ও সন্তুষ্টির মাপকাঠি দ্বীন, দুনিয়া নয়।এরপর আল্লাহর প্রিয় বান্দাদের কয়েকটি গুণ উল্লেখ করা হয়েছে। নিচে কিঞ্চিৎ ব্যাখ্যাসহ গুণগুলো উল্লেখ করা হল—

এক. তারা তাদের প্রতিপালকের ভয়ে ভীত থাকে। অর্থাৎ আল্লাহর ভয়ে ভীত থেকে তাঁর নিষিদ্ধ বিষয় থেকে বিরত থাকে এবং করণীয় বিষয়গুলো যথাযথভাবে পালন করে।

এসব  নেক আমল করার পরও তাদের মন থেকে ভয় কাটে না। সব সময় এই পেরেশানি লেগেই থাকে যে, ঈমানের মৃত্যু নসিব হবে তো? হায়! আল্লাহর হক তো কিছুই আদায় করতে পারলাম না!দুই. তারা আল্লাহর আয়াতগুলোর ওপর ঈমান রাখে। কোরআনে আল্লাহ যে সকল আয়াত অবতীর্ণ করেছেন সেগুলো তিলাওয়াত করে। সেগুলোর অর্থ ও মর্ম অনুধাবনের চেষ্টা করে।  পাশাপাশি পৃথিবীতে আল্লাহর যে সকল নিদর্শন রয়েছে, সেগুলো নিয়েও চিন্তা-ফিকির করে।

যেমন, মায়ের গর্ভে শিশুর বিকাশ, বৃষ্টির অবতরণ, মাটির নিচে পানির সংরক্ষণ ইত্যাদি। সৃষ্টি নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করে সে স্রষ্টার পরিচয় লাভ করে এবং তাঁর কুদরত ও ক্ষমতা বোঝার চেষ্টা করে।তিন. তারা আল্লাহর সাথে শিরক করে না। শিরক দুই প্রকার; শিরকে জলি, শিরকে খফি। আল্লাহর সাথে অন্য কাউকে শরিক করা, আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও নিকট প্রার্থনা করা, মানত করা— এগুলো শিরকে জলি বা বড় শিরক। একজন মুমিন তো এসব বড় শিরকে লিপ্ত হওয়ার কল্পনাও করতে পারে না।

আরেক ধরনের শিরক হল শিরকে খফি বা গোপন শিরক। যেমন, আমলের মধ্যে লোক দেখানোর প্রবণতা থাকা। দানের ক্ষেত্রে সুনাম-সুখ্যাতির নিয়ত থাকা। তো আল্লাহর প্রিয় বান্দারা এই ছোট শিরক থেকেও বেঁচে থাকেন।

শিরকে খফি আসলেও খুব মারাত্মক ও আমল বিধ্বংসী। এ থেকে বাঁচাটা অনেক সময়ই কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। সুতরাং এব্যাপারে সবচে বেশি সতর্ক থাকা উচিত। বিশেষ করে লোক দেখানো ও সুখ্যাতির নিয়ত বড়ই মারাত্মক। নিজের কোনো কাজ একটু সুন্দর হলেই মানুষের বাহবা পাওয়ার আশা মনে জাগে। শয়তান এ পথে আক্রমণ করে সবচেয়ে বেশি। সুতরাং এ বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকা; ইসতিগফার করা এবং বারবার নিয়ত শুধরে নেওয়া।

চার. তারা নামায-রোযা, দান-সদকা যে নেক কাজই করে আখেরাতের কথা সদা মনে জাগরুক রাখে। নেক কাজে অগ্রগামী থাকে। প্রতিযোগিতামূলকভাবে নেক কাজে অংশগ্রহণ করে। নেক কাজ করে গর্ব করে না; বরং মনে ভয় রাখে, এসকল নেক কাজ আল্লাহ কবুল করবেন তো! আখেরাতে এগুলোর বিনিময়ে পাব তো!  নেক কাজের ক্ষেত্রে আমি রিয়ার (লোক দেখানোর) শিকার নই তো!

তো এখানে মোট চারটি গুণের কথা বলা হল। আল্লাহর ভয়, আল্লাহর আয়াতসমূহের উপর বিশ্বাস, সব ধরনের শিরকী কর্মকাণ্ড থেকে বেঁচে থাকা, নেক কাজ করার পরও গর্ব না করা— এ চার গুণের অধিকারী লোকদের ব্যাপারে আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন, এসকল লোক কল্যাণ অর্জনে  সদা তৎপর থাকে এবং নেক কাজের দিকে দ্রুত অগ্রসর হয়। আল্লাহ আমাদেরকে এ চার গুণের অধিকারী হওয়ার তাওফীক দান করুন। আমীন।