ঢাকা ১২:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
হাতে স্টিয়ারিং, কাঁধে নিজের ব্যাগ, কী বার্তা দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তরুণীকে মদের বারে ডেকে নিয়ে যৌন হয়রানির অভিযোগ এনসিপি নেতার বিরুদ্ধে তিস্তা মহাপরিকল্পনা প্রকল্প নিয়ে সুসংবাদ দিলেন পানি সম্পদমন্ত্রী হরমুজ প্রণালিতে বাড়ছে জাহাজ চলাচল প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল দুর্ঘটনায় আহত প্রবাসীর চিকিৎসায় সহায়তার হাত বাড়ালেন ছাত্রদল নেতা নিরাপত্তা যেন দূরে ঠেলে না দেয় : প্রধানমন্ত্রী ঐক্য ও সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে ওবামার প্রেসিডেন্সিয়াল সেন্টার উদ্বোধন মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির সুবাতাস এই সপ্তাহে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে দর্শকদের জন্য যা থাকছে

বৃহস্পতিবার যে কারণে রোজা রাখতেন নবীজি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:১৭:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ জুলাই ২০২৫
  • ১৫২ বার

বৃহস্পতিবার সপ্তাহের শেষ কাজের দিন। জুমাবারের পূর্ববর্তী দিন হওয়ায় এটি জুমার দিনকে প্রস্তুত করে তোলে। এই দিন রোজা রাখা, নেক আমল করা এবং ইবাদত করার ফজিলত অপরিসীম। কেননা, নফল ইবাদত অন্তরকে পরিশুদ্ধ ও আত্মাকে পরিতৃপ্ত করে।

আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণনা করেন, আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেছেন, প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবার জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেওয়া হয়। এরপর এমন সব বান্দাকে ক্ষমা করে দেওয়া হয়, যারা আল্লাহর সঙ্গে শরিক করে না। তবে সে ব্যক্তিকে ক্ষমা করা হয় না, যার ভাই ও তার মধ্যে শত্রুতা বিদ্যমান। এরপর তিনবার বলা হয়, এ দুজনকে আপস-মীমাংসা করার জন্য অবকাশ দাও। (সহিহ্ মুসলিম)

উম্মুল মুমিনিন হজরত আয়েশা (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) সোম ও বৃহস্পতিবার রোজা রাখার বিষয়টি প্রাধান্য দিতেন। (সুনানে ইবনে মাজাহ)

প্রিয় নবী (সা.) বলেন, ‘সোম ও বৃহস্পতিবার দিন দুটি এমন; যে দিন দুটিতে বান্দার আমল মহান আল্লাহর সামনে হাজির করা হয়। আর আমি রোজা থাকা অবস্থায় আমার আমল আল্লাহর সামনে পেশ করা হোক, এটাই পছন্দ করি।’ (সুনানে তিরমিজি)

নফল রোজা ইবাদতের এক অনন্য রূপ, যা বান্দাকে আল্লাহর আরও নিকটবর্তী করে, আত্মশুদ্ধির পথকে প্রশস্ত করে। এ ছাড়া রোজার রয়েছে অফুরন্ত সওয়াব। রোজার বিনিময় স্বয়ং আল্লাহ দেবেন বলে ঘোষণা করেছেন। হাদিসে কুদসিতে আল্লাহ তাআলা বলেন, মানুষের প্রতিটি কাজ তার নিজের জন্য, কিন্তু রোজা এর ব্যতিক্রম। রোজা শুধু আমার জন্য, আমিই এর প্রতিদান দেব। (সহিহ্ মুসলিম)। নবী করিম (সা.) বলেন, যে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য এক দিন রোজা রাখবে, আল্লাহ তাআলা জাহান্নাম তার থেকে ১০০ বছরের দূরত্বে সরিয়ে রাখবেন।

এ ছাড়া বৃহস্পতিবারের বরকতময় দিনটি ভালো কাজের এবং আল্লাহর সান্নিধ্য লাভের জন্য উপযুক্ত সময়। এই দিনের ফজিলত উপলব্ধি করে দিনটি ভালোভাবে অতিবাহিত করা উচিত। আল্লাহ তাআলা আমাদের প্রতি সপ্তাহের বৃহস্পতিবার রোজা রাখা এবং নেক আমল করার তৌফিক দান করুন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

হাতে স্টিয়ারিং, কাঁধে নিজের ব্যাগ, কী বার্তা দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

বৃহস্পতিবার যে কারণে রোজা রাখতেন নবীজি

আপডেট টাইম : ১১:১৭:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ জুলাই ২০২৫

বৃহস্পতিবার সপ্তাহের শেষ কাজের দিন। জুমাবারের পূর্ববর্তী দিন হওয়ায় এটি জুমার দিনকে প্রস্তুত করে তোলে। এই দিন রোজা রাখা, নেক আমল করা এবং ইবাদত করার ফজিলত অপরিসীম। কেননা, নফল ইবাদত অন্তরকে পরিশুদ্ধ ও আত্মাকে পরিতৃপ্ত করে।

আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণনা করেন, আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেছেন, প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবার জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেওয়া হয়। এরপর এমন সব বান্দাকে ক্ষমা করে দেওয়া হয়, যারা আল্লাহর সঙ্গে শরিক করে না। তবে সে ব্যক্তিকে ক্ষমা করা হয় না, যার ভাই ও তার মধ্যে শত্রুতা বিদ্যমান। এরপর তিনবার বলা হয়, এ দুজনকে আপস-মীমাংসা করার জন্য অবকাশ দাও। (সহিহ্ মুসলিম)

উম্মুল মুমিনিন হজরত আয়েশা (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) সোম ও বৃহস্পতিবার রোজা রাখার বিষয়টি প্রাধান্য দিতেন। (সুনানে ইবনে মাজাহ)

প্রিয় নবী (সা.) বলেন, ‘সোম ও বৃহস্পতিবার দিন দুটি এমন; যে দিন দুটিতে বান্দার আমল মহান আল্লাহর সামনে হাজির করা হয়। আর আমি রোজা থাকা অবস্থায় আমার আমল আল্লাহর সামনে পেশ করা হোক, এটাই পছন্দ করি।’ (সুনানে তিরমিজি)

নফল রোজা ইবাদতের এক অনন্য রূপ, যা বান্দাকে আল্লাহর আরও নিকটবর্তী করে, আত্মশুদ্ধির পথকে প্রশস্ত করে। এ ছাড়া রোজার রয়েছে অফুরন্ত সওয়াব। রোজার বিনিময় স্বয়ং আল্লাহ দেবেন বলে ঘোষণা করেছেন। হাদিসে কুদসিতে আল্লাহ তাআলা বলেন, মানুষের প্রতিটি কাজ তার নিজের জন্য, কিন্তু রোজা এর ব্যতিক্রম। রোজা শুধু আমার জন্য, আমিই এর প্রতিদান দেব। (সহিহ্ মুসলিম)। নবী করিম (সা.) বলেন, যে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য এক দিন রোজা রাখবে, আল্লাহ তাআলা জাহান্নাম তার থেকে ১০০ বছরের দূরত্বে সরিয়ে রাখবেন।

এ ছাড়া বৃহস্পতিবারের বরকতময় দিনটি ভালো কাজের এবং আল্লাহর সান্নিধ্য লাভের জন্য উপযুক্ত সময়। এই দিনের ফজিলত উপলব্ধি করে দিনটি ভালোভাবে অতিবাহিত করা উচিত। আল্লাহ তাআলা আমাদের প্রতি সপ্তাহের বৃহস্পতিবার রোজা রাখা এবং নেক আমল করার তৌফিক দান করুন।