আওয়ামী লীগের ২২ তম জাতীয় কাউন্সিল এবং সাধারণ সম্পাদক পদে পরিবর্তন নিয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো বেশ গুরুত্বের সঙ্গে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এরকম কয়েকটি কয়েকটি প্রতিবেদন নিচে তুলে ধরা হলো।
বিবিসি: আওয়ামী লীগের নতুন ’চাঁদ’ ওবায়দুল কাদের
বহু জল্পনা কল্পনা শেষে বাংলাদেশে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নতুন সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ওবায়দুল কাদেরের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।তবে সভাপতি পদে কোনো পরিবর্তন আসেনি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
কাউন্সিলের দ্বিতীয় দিনে শেখ হাসিনা বর্তমান কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করলে নতুন নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হয়।
প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী দলের সভাপতি হিসেবে শেখ হাসিনার নাম প্রস্তাব করেন।
সভাপতি পদে আর কোনো নাম প্রস্তাব না আসায় দলের সভাপতি হিসেবে শেখ হাসিনার নাম ঘোষণা করা হয়।এনিয়ে তিনি অষ্টমবারের মতো আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হলেন।
শেখ হাসিনা দেশে ফিরে আসার পর ১৯৮১ সালে দলের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন।তবে শেখ হাসিনা এবার নেতৃত্বের পদ ছেড়ে দেওয়ার ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। কিন্তু নেতারা তাকেই দলের নেতৃত্বে দেখতে চেয়েছেন।দলের নতুন সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ওবায়দুল কাদেরের নাম প্রস্তাব করেন বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। এই পদেও আর কোনো নামের প্রস্তাব না আসায় মি. কাদেরকে নতুন সাধারণ সম্পাদক নির্বাচন করা হয়।
বিলুপ্ত কমিটিতে ওবায়দুল কাদের ছিলেন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য।
সাধারণ সম্পাদক পদে জল্পনা কল্পনার মধ্যেই কাউন্সিল শুরুর আগে ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকেদের বলেছিলেন, আকাশে চাঁদ উঠলে সবাই দেখবে।তার নাম ঘোষণার মধ্য দিয়ে অবশেষে সেই চাঁদ উঠেছে।
শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদকেও নেতৃত্বে দেখতে চেয়েছিলেন দলের নেতাকর্মীরা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাকে নেতৃত্বে আনা হয়নি।
ভয়েজ অব আমেরিকা: আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলনে হাসিনা সভানেত্রী পুনঃনির্বাচিত – সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের
আওয়ামী লীগের দুইদিনব্যাপী ২০তম জাতীয় সম্মেলন রোববার শেষ হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভানেত্রী পুনঃনির্বাচিত হয়েছেন। ৩৫ বছর সভানেত্রী দায়িত্ব পালনের পরে তিন বছরের জন্য তিনি আবারও সভানেত্রী হলেন। সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। আর ওই পদে আর কোনো প্রার্থী ছিল না। দুইবারের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম দলের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য হয়েছেন। দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সংখ্যা সামান্য বাড়ানো হয়েছে।
সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তৃণমূলের নেতা-কর্মীসহ সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের আগামী জাতীয় নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নেয়ার আহবান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘‘সামনে জাতীয় নির্বাচন; জনগণের কাছে যেতে হবে। তৃতীয় দফায় নির্বাচনে জয়লাভ করার জন্য জনগণকে উন্নয়নের কথা বলতে হবে’’। তবে কবে এই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে সে প্রসঙ্গে তিনি কিছুই বলেননি।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আওয়ামী লীগের নতুন কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, ‘‘জাতি প্রত্যাশা করে তারা গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে কাজ করবেন’’। …ঢাকা থেকে আমীর খসরু
আনন্দবাজার পত্রিকা: শেখ হাসিনাই ফের আওয়ামি লিগ সভাপতি, নতুন সাধারণ সম্পাদক কাদের
বাংলাদেশ আওয়ামি লিগের সভাপতি পদে অষ্টমবারের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা এবং বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আর দলের সাধারণ সম্পাদক পদে প্রথমবারের মতো নির্বাচিত হয়েছেন ওবায়দুল কাদের।
রাজধানী ঢাকার সোহরাওয়ার্দি উদ্যান সংলগ্ন রমনার ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্সে দলের ২০তম সম্মেলনের দ্বিতীয় ও শেষ দিন রবিবার বিকালে নির্বাচনী অধিবেশনে দলের শীর্ষ এই দুই পদে নির্বাচিত হন তাঁরা।
নির্বাচনী অধিবেশনে নির্বাচন কমিশনার ছিলেন ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন। সভাপতি পদে শেখ হাসিনার নাম প্রস্তাব করেন সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী। সমর্থন করেন সভাপতিমণ্ডলীর আর এক সদস্য মোশাররফ হোসেন। পুরো কাউন্সিল সেই প্রস্তাব সমর্থন করে। কমিশন শেখ হাসিনাকে আওয়ামি লিগের সভাপতি ঘোষণা করেন।
দলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পদ সাধারণ সম্পাদক। এ নিয়ে বেশ কয়েক দিন ধরেই চলছিল জল্পনা-কল্পনা। সাধারণ সম্পাদক পদে ওবায়দুল কাদেরের নাম প্রস্তাব করেন বিগত কমিটির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। সমর্থন করেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গির কবীর নানক। এই পদেও বিকল্প কোনও নামের প্রস্তাব না আসায় সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী কাদেরকে আওয়ামি লিগের সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়।
১৯৮১ সালে শেখ হাসিনা দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ১৯৮১, ১৯৮৭, ১৯৯২, ১৯৯৭, ২০০২, ২০০৯ ও ২০১২ সালে আওয়ামি লিগের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।
সভাপতিমণ্ডলীতে নতুনদের মধ্যে রয়েছেন বিদায়ী কমিটির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক নুরুল ইসলাম নাহিদ, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, আন্তর্জাতিক সম্পাদক কর্নেল (অব.) ফারুক খান, দফতর সম্পাদক আব্দুল মান্নান খান, ঠাকুরগাঁও জেলা আওয়ামি লিগের সভাপতি রমেশ চন্দ্র সেন, যশোহর জেলা আওয়ামি লিগের সিনিয়র সহ-সভাপতি পীযূষ ভট্টাচার্য। পুরনোদের মধ্যে রয়েছেন সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, মহম্মদ নাসিম, জাফরুল্লাহ চৌধুরী, সাহারা খাতুন, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। আর বাদ পড়েছেন বিগত কমিটিতে থাকা নুহ উল আলম লেনিন।
যুগ্ম সম্পাদক হয়েছেন মাহবুব-উল আলম হানিফ, দীপু মনি, জাহাঙ্গির কবীর নানক এবং আবদুর রহমান। আবদুর রহমান ছাড়া বাকি তিনজন পুরনো কমিটিতেও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন। দলের কোষাধ্যক্ষ হয়েছেন এনএইচ আশিকুর রহমান। তিনি আগের কমিটিতেও ছিলেন।
সম্মেলনে আওয়ামি লিগের ৮৩ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটির মধ্যে ২৩ জনের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। বাকি ৬০ পদ সভাপতি শেখ হাসিনা সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতিমণ্ডলীর সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে ঠিক করবেন। কমিটি আগামী তিন বছরের জন্য নির্বাচিত হল।
কলকাতা ২৪/৭: জয়ের লক্ষ্যে বার্তা হাসিনার তবে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে নেই জয়
বিশেষ প্রতিবেদন: প্রত্যাশিত ভাবেই আওয়ামি লিগের সভাপতি হলেন শেখ হাসিনা৷ সর্বসম্মতিক্রমে তিনি পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন৷ দুদিনের সম্মেলন থেকে সন্ত্রাসবাদকে রোখা ও দারিদ্র দূরীকরণের বার্তা দেওয়া হয়েছে৷ যা বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে৷ ২০১৯ সালে জাতীয় নির্বাচন৷ সেই নির্বাচনকে সামনে রেখেই ফের জয়ের জন্য ঝাঁপিয়ে পড়ার বার্তা দিয়েছেন শেখ হাসিনা৷রবিবার সভাপতির ভাষণে তিনি বলেন, তৃতীয় দফা নির্বাচনে জয়লাভ করতে হলে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছতে হবে।
গত ২০০৯ সাল থেকে বাংলাদেশের ক্ষমতায় রয়েছে আওয়ামি লিগ৷ পরপর দু বার প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন হাসিনা৷গত জাতীয় নির্বাচনকে বিরোধী বিএনপি মেনে নেয়নি৷ তাদের অভিযোগ দেশে গণতন্ত্র লুণ্ঠিত হয়েছে৷ প্রতিবাদে সারাদেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দাবিতে হিংসাত্মক আন্দোলন চালিয়েছিল তারা৷ বিএনপির এই জ্বালাও-পোড়াও কর্মসূচিতে বহু মানুষের মৃত্যু হয়৷ যার কারণে দলনেত্রী ও প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে৷ ফলে খালেদা বেকায়দায়৷সুযোগটি হাতছাড়া করতে নারাজ হাসিনা৷ তাই দলীয় সম্মেলন থেকে আগামী জাতীয় নির্বাচনে তৃতীয়বার জয় হাসিল করার ডাক দিলেন৷ দলের জয় যেমন চেয়েছেন তেমনই আড়ালে রেখেছেন পুত্র জয়কে৷
সম্মেলনের আগে থেকেই হাসিনা পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়কে সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব হিসেবে তুলে ধরার দাবি উঠেছিল৷ এমনকী সম্মেলনেও সেই দাবি ওঠে৷ যদিও জয় জানিয়েছেন তিনি এখনই সংগঠনে আসতে চাননা৷ ফলে আওয়ামি লিগের নেতৃত্বে মুজিবুর রহমান পরিবারের তৃতীয় প্রজন্মের মুখ এখনই দেখা গেলনা৷ আশা ছাড়ছেন না কর্মী-সমর্থকরা৷ কেন্দ্রীয় স্তরে জয়কে দেখা না গেলেও দলের বিভিন্ন পদ এখনও ফাঁকা৷ তারই কোনও একটিতে হাসিনা পুত্রকে দেখা যাবে৷ এমনই ধারণা করা হচ্ছে৷
পারস্য টুডে (ইরান): শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের সভাপতি, ওবায়দুল কাদের সাধারণ সম্পাদক
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আবারও ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া, সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
আজ (রোববার) বিকেলে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে আওয়ামী লীগের ২০তম সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন শীর্ষ দুই পদে তারা নির্বাচিত হন। এই কমিটি আগামী তিন বছরের জন্য দায়িত্ব পালন করবে।
জাতীয় সংসদের উপনেতা ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী সভাপতি পদে শেখ হাসিনার নাম প্রস্তাব করেন। তা সমর্থন করেন পূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। নির্বাচন কমিশনার ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন এ পদে আর কোনো নাম প্রস্তাব না পাওয়ায় শেখ হাসিনাকে আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে ঘোষণা করেন।
এরপর জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ওবায়দুল কাদেরের নাম প্রস্তাব করলে তাতে সমর্থন জানান স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক। এই পদেও বিকল্প কোনো নাম প্রস্তাব না আসায় সড়ক পরিবহনমন্ত্রী কাদেরকে সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত ঘোষণা করেন।ওবায়দুল কাদের আওয়ামী লীগের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের স্থলাভিষিক্ত হবেন। সদ্য সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য হয়েছেন।
সৈয়দ আশরাফের পাশাপাশি সভাপতিমণ্ডলীতে নতুন যারা স্থান পেয়েছেন তারা হলেন- নুরুল ইসলাম নাহিদ, ড. আব্দুর রাজ্জাক, ফারুক খান, আবদুল মান্নান খান, রমেশ চন্দ্র সেন ও পীযূষ ভট্টাচার্য (যশোর)।
পুরোনোদের মধ্যে সভাপতিমণ্ডলীতে থাকছেন সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, মোহাম্মদ নাসিম, কাজী জাফর উল্যাহ, সাহারা খাতুন, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। বিগত কমিটির সভাপতিমণ্ডলী থেকে বাদ পড়েছেন নূহ আলম লেনিন।
চারটি যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদের তিনটিতে পুরোনোরাই বহাল আছেন। তারা হলেন- মাহবুব উল আলম হানিফ, দীপু মনি ও জাহাঙ্গীর কবির নানক পুরোনো যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকদের সঙ্গে নতুন যোগ হয়েছেন আব্দুর রহমান। আর বর্তমান কোষাধ্যক্ষ এন এইচ আশিকুর রহমানই থাকছেন নতুন কমিটিতে।
সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে আওয়ামী লীগের ৮৩ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটির মধ্যে ২৩ জনের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। কমিটির ১৯ সদস্যের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্যের মধ্যে ১৬ জনের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। বাকি ৩টি পদ ফাঁকা রাখা হয়েছে। আজকের সম্মেলন থেকে জানানো হয়েছে, বাকি ৬০ পদ সভাপতি শেখ হাসিনা সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতিমণ্ডলীর সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে ঠিক করবেন।
১৯৪৯ সালের ২৩ জুন জন্ম হয় আওয়ামী মুসলিম লীগের। অসাম্প্রদায়িক চিন্তা-চেতনার ধারাবাহিকতায় পরে ‘মুসলিম’ শব্দটি দলের নাম থেকে বাদ দেয়া হয়। এখন ঐতিহ্যবাহী এই দলটির বয়স ৬৭ বছর। এ পর্যন্ত দলটির ১৯টি জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৯তম জাতীয় সম্মেলন ২০১২ সালের ২৯ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পুনর্নির্বাচিত হন শেখ হাসিনা ও সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।
Indian Express: Bangladesh PM Sheikh Hasina re-elected Awami League chief
Bangladesh Prime Minister Sheikh Hasina, who was on Sunday re-elected unopposed as the ruling Awami League’s president, asked cadres to reach out to the people to ensure that the party is returned to power for a third successive term. Addressing the party’s National Council, she said, “Awami League must come back to power to take the nation forward towards its goal of becoming a poverty-free nation.” The Awami League came to power in December 2008 polls and returned to power in the January 2014 polls for a second successive term.
Pakistan Telegraph: Bangladesh PM Hasina re-elected as Awami League president unopposed
Bangladesh Prime Minister Sheikh Hasina was re-elected unopposed as the president of the ruling Awami League for the eighth consecutive time on the closing day of the 20th National Council of the party.
Road, Transport and Bridges Minister Obaidul Quader was elected as party general secretary for the first time.
The two were elected by the councillors of the Awami League, the oldest political party of the country, unanimously in its 20th council as there were no other candidates for the two top party posts, reports Dhaka Tribune.
Earlier, Hasina’s name for the post of party president was proposed by the Awami League leader Syeda Sajeda Chowdhury, whereas Obaidul Quader’s name as general secretary was proposed by Syed Ashraful Islam.
Ashraf’s proposal was seconded by party leader Jahangir Kabir Nanak.
Hasina had first become the Awami League president in its council in 1981.
Quader had been a former president of Bangladesh Chhatra League, the student associate body of Awami League, and served as the presidium member of the ruling party in its last committee.
Earlier in the day, councillors had passed the amendments to the party constitution which was presented by Dr Abdur Razzak, convener of constitution sub-committee of the council.
According to the amendment, the size of national committee has been increased to 180 in place of the existing 170.
The meeting of the committee will now be held once a year instead of every six months. But if the party president desires the meeting will be held more than once a year.
As per the amendments, the number of presidium members will be increased to 19, including party president and general secretary, from the existing 15 whereas that of joint secretaries to 4 from the existing three. Besides, there will be 8 organising secretaries in place of seven.
Local Government Nomination Board consisting of 19-member will be there for party nomination in the local government bodies. (ANI)
Gulf-times: Awami League re-elects Hasina as party president
Sheikh Hasina was re-elected president of the ruling Awami League unopposed for the eighth consecutive time, while Obaidul Quader was named general secretary for the first time.
The councillors of Awami League, one of the oldest political parties of the country, unanimously elected them in its 20th council as there were no other candidates for the two top party posts.
Earlier, Awami League leader Syeda Sajeda Chowdhury proposed Hasina’s name for the post of president, while Awami League leader Syed Ashraful Islam proposed Quader’s name as general secretary. Awami League leader Jahangir Kabir Nanak
seconded Ashraf’s proposal.
Hasina was first made the Awami League president in its council in 1981.
Quader is a former president of Bangladesh Chhatra League, the student associate body of Awami League, and presidium member of the ruling party of its last committee.
Earlier, Abdur Razzak, convener of constitution sub-committee of the council, presented amendments to the party constitution which was passed by the councillors.
As per the amendment, the size of national committee will be 180 in place of the existing 170. The committee will meet once a year instead of every six months. But the meeting will be held more than once a year if the party president wants.
According to the amendments, the number of presidium members will be increased to 19, including party president and general secretary, from the existing 15 while that of joint secretaries to four from the existing three. Besides, there will be eight organising secretaries in place of seven.
There will be a 19-member local government nomination board for party nomination in the local government bodies.
Hasina said it is not possible for her to remain party chief forever. “I came to the people of Bangladesh depriving my children of my affection. You showed me respect which is unforgettable. It’s needed to quit before my dignity gets at stake,” she said.
“I think my duty is over. I’ve brought Awami League to power overcoming many hurdles. I’ve discharged my duties bestowed upon me in 1981. I seek pardon if I hurt anyone,” she added.
She said Awami League has to win the next parliamentary polls due in 2019 to ensure Bangladesh’s economic development and growth.
Hasina said, “Awami League must come back to power to take the nation forward towards its goal of becoming a poverty-free nation.”
Reporter Name 























