ঢাকা ০৬:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি ভূমিকম্প মোকাবেলায় রাজধানীর ৪৪৫টি নিরাপদ আশ্রয়স্থল চিহ্নিত: ত্রাণমন্ত্রী এক বছরে ওরাকলের ১৩ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই সাঁথিয়ায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার ওই ব্যক্তি আমার স্বামী না: চিত্রনায়িকা ববি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর রিজার্ভে চাপ বাড়ছে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ মেসি সবসময়ই গোল করবে, আমি শুধু আমার দলকে জেতাতে চাই : কিলিয়ান এমবাপ্পে রাষ্ট্রীয় নিয়োগে ব্যক্তির মেধা, সততা, দেশপ্রেম ও কর্মনিষ্ঠা গুরুত্বপূর্ণ: অ্যাটর্নি জেনারেল তথ্য উপদেষ্টাকে দিল্লিতে বাধা দেওয়ার বিষয়ে মুখ খুলল ভারত

সরে যেতে চান শেখ হাসিনা, কিন্তু বিকল্প কে

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:৫০:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ অক্টোবর ২০১৬
  • ২৮৯ বার

বঙ্গবন্ধু হত্যার ছয় বছর পর শেখ হাসিনার দেশে ফেরার আগেই তাকে দলের সভাপতি নির্বাচন করেছিল আওয়ামী লীগ। ১৯৮১ সালে দেশে ফিরে অসংগঠিত দলকে সংগঠিত করে রাষ্ট্রক্ষমতায় ফিরিয়ে এনেছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা। কিন্তু ইদানীং শেখ হাসিনা বলছেন, তিনি ক্লান্ত। সরকার পরিচালনা করে দলে দূর থেকে উপদেষ্টা হিসেবে থাকতে চান।

এক দিন বা একবার নয়। দুটি অনুষ্ঠানে আলাদা বক্তব্য জোর দিয়েই শেষ হাসিনা বলেছেন, দলের নেতৃত্বে আর থাকতে চান না তিনি। বলেছেন, ‘৩৫ বছর হলো, আর কতো’।

প্রথমে গত ২ অক্টোবর জাতিসংঘ সফর থেকে ফিরে গণভবনে সংবাদ সম্মেলনে প্রথম দলের দায়িত্ব থেকে সরে যাওয়ার আগ্রহের কথা জানান প্রধানমন্ত্রী। ওই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত আওয়ামী লীগ নেতারা এ নিয়ে কথা বলার চেষ্টা করলে শেখ হাসিনা এমনও বলেন, ‘আমি তো একেবারে চলে যাচ্ছি না। দলের উপদেষ্টা হিসেবে তো থাকবোই।’

এরপর গত শনিবার দলের কার্যনির্বাহী পরিষদের পরিষদের বৈঠকে আবারও আওয়ামী লীগে সভাপতির পদ থেকে সরে যাওয়ার আগ্রহের কথা বলেন শেখ হাসিনা। এদিন তিনি এমনও বলেন, ‘৩৫ বছর তো হলো, আর কতো, এবার নতুন কাউকে নির্বাচন করুন।’ শেখ হাসিনা বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু চারা রোপণ করেছিলেন। সেটা মহীরুহ হয়েছে। আপনারা আবার নতুন করে চারা রোপণ করেন, দলকে সুসংগঠিত করেন।’

দুই দিন দুটি অনুষ্ঠানে দলের সভাপতির পদ থেকে শেখ হাসিনার সরে যাওয়ার আগ্রহের কথা বলার পর বিষয়টিকে আর কথার কথা বলে ভাবতে পারছেন না আওয়ামী লীগের নেতারা। তবে শেখ হাসিনার তাগাদা অনুযায়ী নতুন নেতৃত্ব হিসেবে কাকে বেছে নেয়া যায়- এই বিষয়টি নিয়ে ভেবে কূল কিনারা করতে পারছেন না তারা।

আওয়ামী লীগের এমন অন্তত ১০ জন নেতা বলেছেন, এই মুহূর্তে শেখ হাসিনার কোনো বিকল্প নেই দলে। তারপরও নেত্রী বারবার কেন একই কথা বলছেন, সেটা বুঝতে পারছেন না তারা।

১৯৮১ সালে শেখ হাসিনা দেশে ফেরার পর থেকে এখন পর্যন্ত ছয়টি জাতীয় সম্মেলনে শেখ হাসিনার নেতৃত্ব নিয়ে দলে কোনো প্রশ্ন উঠেনি। দলের সম্মেলনে তাকে তাঁকে চ্যালেঞ্জ জানায়নি কোনো নেতা। ১৯৯১ সালের জাতীয় নির্বাচনের পর শেখ হাসিনা দলের নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর প্রস্তাব দিলেও নেতাকর্মীদের অনুরোধে আবার তাঁর সে প্রস্তাব ফিরিয়ে নেন।

আগামী ২২-২৩ অক্টোবরের জাতীয় সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সভাপতি পদে শেখ হাসিনা ছাড়া অন্য কোনো নাম উচ্চারিত হচ্ছে না। এই অবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর তাগাদা ভাবিয়ে তুলেছে নেতাদের।

প্রধানমন্ত্রী দলের যে বৈঠকে নেতৃত্ব থেকে সরে যাওয়ার কথা বলেছেন ওই বৈঠকেই সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের নেতামোহাম্মদ সানোয়ার বলেন, ‘অন্য কারও হাতে দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়ার পর্যায়ে আওয়ামী লীগ এখনও আসেনি। আজীবন আপনাকে এ দায়িত্ব পালন করতে হবে।’

পঞ্চগড়ের নেতা মনিরুল কাদের বলেন, ‘দলের পদ আপনি ছাড়তে চাইলেও আপনাকে আমরা ছাড়ব না। দলকে আরও সুসংঘটিত আরও গতিশীল করতে আপনার নেতৃত্বের বিকল্প এখনও গড়ে ওঠেনি।’

বিকল্প কি আদৌ কেউ আছে?

আওয়ামী লীগ সভাপতির বক্তব্যকে সাধুবাদ জানিয়েছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক মিজানুর রহমান শেলী। তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশে একটি শীর্ষ রাজনৈতিক দলের প্রধানের এমন বক্তব্য সন্তোষজনক। এর মাধ্যমে তাঁর গণতান্ত্রিক আচরণের বহিঃপ্রকাশ হয়েছে। কিন্তু আমাদের মত উন্নয়নশীল দেশে এ বিষয়টা কতটুকু কার‌্যকর হবে সেটা দেখার বিষয়। দলের নেতৃত্ব বিকাশের জন্য আমি বলবো, আওয়ামী লীগে শেখ হাসিনার বিকল্প, তাকে বের করতে হবে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক শান্তনু মজুমদার বলেন, ‘এই মুহূর্তে আওয়ামী লীগে শেখ হাসিনার কোন বিকল্প নেই। তিন ৩৫ ত্রিশ বছর ধরে যে অভিজ্ঞতা এবং দলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করে দল পরিচালনা করছেন, তা অন্য কেউ করতে পারবে না।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম বলেন, ‘আমার মনে হয় তিনি (প্রধানমন্ত্রী) চাইছেন আস্তে আস্তে অবসরে যাবেন। তবে এখনই এটা সম্ভব নয়। আওয়ামী লীগে তার কেনো বিকল্প নেই। তিনি যে কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন তা বাস্তবায়ন করতে অন্য কেউ সাহস দেখাতে পারবেন না।’

সৈয়দ মনজুরুল আরও বলেন, ‘তবে তিনি হয়তো একটু ক্লান্তির কথা বলতে পারেন। ৭০ বছরের একজন মানুষ তো একটু ক্লান্ত হতেই পারেন। কিন্তু তার সমকক্ষ কেউ আওয়ামী লীগে নেই। সর্বগ্রহণযোগ্য ব্যক্তি তিনিই।’

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, আরও এগিয়ে যাবে। তিনি শুধু দেশের নন, এখন বিশ্বনেতা। তাকে শুধু আওয়ামী লীগের প্রয়োজন এমনটাই নয়, দেশেরও প্রয়োজন। আমরা তাঁকে কোনোভাবেই হারাতে চাই না। আমরা তাঁর অবিসংবাদিত নেতৃত্বেই এগিয়ে যেতে চাই।’

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ‘দলীয় সভাপতি হিসাবে শেখ হাসিনার কোন বিকল্প নেই। সম্মেলনে কাউন্সিলরদের ভোটে তিনি পুনরায় সভাপতি নির্বাচিত হবেন।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি

সরে যেতে চান শেখ হাসিনা, কিন্তু বিকল্প কে

আপডেট টাইম : ১২:৫০:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ অক্টোবর ২০১৬

বঙ্গবন্ধু হত্যার ছয় বছর পর শেখ হাসিনার দেশে ফেরার আগেই তাকে দলের সভাপতি নির্বাচন করেছিল আওয়ামী লীগ। ১৯৮১ সালে দেশে ফিরে অসংগঠিত দলকে সংগঠিত করে রাষ্ট্রক্ষমতায় ফিরিয়ে এনেছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা। কিন্তু ইদানীং শেখ হাসিনা বলছেন, তিনি ক্লান্ত। সরকার পরিচালনা করে দলে দূর থেকে উপদেষ্টা হিসেবে থাকতে চান।

এক দিন বা একবার নয়। দুটি অনুষ্ঠানে আলাদা বক্তব্য জোর দিয়েই শেষ হাসিনা বলেছেন, দলের নেতৃত্বে আর থাকতে চান না তিনি। বলেছেন, ‘৩৫ বছর হলো, আর কতো’।

প্রথমে গত ২ অক্টোবর জাতিসংঘ সফর থেকে ফিরে গণভবনে সংবাদ সম্মেলনে প্রথম দলের দায়িত্ব থেকে সরে যাওয়ার আগ্রহের কথা জানান প্রধানমন্ত্রী। ওই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত আওয়ামী লীগ নেতারা এ নিয়ে কথা বলার চেষ্টা করলে শেখ হাসিনা এমনও বলেন, ‘আমি তো একেবারে চলে যাচ্ছি না। দলের উপদেষ্টা হিসেবে তো থাকবোই।’

এরপর গত শনিবার দলের কার্যনির্বাহী পরিষদের পরিষদের বৈঠকে আবারও আওয়ামী লীগে সভাপতির পদ থেকে সরে যাওয়ার আগ্রহের কথা বলেন শেখ হাসিনা। এদিন তিনি এমনও বলেন, ‘৩৫ বছর তো হলো, আর কতো, এবার নতুন কাউকে নির্বাচন করুন।’ শেখ হাসিনা বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু চারা রোপণ করেছিলেন। সেটা মহীরুহ হয়েছে। আপনারা আবার নতুন করে চারা রোপণ করেন, দলকে সুসংগঠিত করেন।’

দুই দিন দুটি অনুষ্ঠানে দলের সভাপতির পদ থেকে শেখ হাসিনার সরে যাওয়ার আগ্রহের কথা বলার পর বিষয়টিকে আর কথার কথা বলে ভাবতে পারছেন না আওয়ামী লীগের নেতারা। তবে শেখ হাসিনার তাগাদা অনুযায়ী নতুন নেতৃত্ব হিসেবে কাকে বেছে নেয়া যায়- এই বিষয়টি নিয়ে ভেবে কূল কিনারা করতে পারছেন না তারা।

আওয়ামী লীগের এমন অন্তত ১০ জন নেতা বলেছেন, এই মুহূর্তে শেখ হাসিনার কোনো বিকল্প নেই দলে। তারপরও নেত্রী বারবার কেন একই কথা বলছেন, সেটা বুঝতে পারছেন না তারা।

১৯৮১ সালে শেখ হাসিনা দেশে ফেরার পর থেকে এখন পর্যন্ত ছয়টি জাতীয় সম্মেলনে শেখ হাসিনার নেতৃত্ব নিয়ে দলে কোনো প্রশ্ন উঠেনি। দলের সম্মেলনে তাকে তাঁকে চ্যালেঞ্জ জানায়নি কোনো নেতা। ১৯৯১ সালের জাতীয় নির্বাচনের পর শেখ হাসিনা দলের নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর প্রস্তাব দিলেও নেতাকর্মীদের অনুরোধে আবার তাঁর সে প্রস্তাব ফিরিয়ে নেন।

আগামী ২২-২৩ অক্টোবরের জাতীয় সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সভাপতি পদে শেখ হাসিনা ছাড়া অন্য কোনো নাম উচ্চারিত হচ্ছে না। এই অবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর তাগাদা ভাবিয়ে তুলেছে নেতাদের।

প্রধানমন্ত্রী দলের যে বৈঠকে নেতৃত্ব থেকে সরে যাওয়ার কথা বলেছেন ওই বৈঠকেই সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের নেতামোহাম্মদ সানোয়ার বলেন, ‘অন্য কারও হাতে দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়ার পর্যায়ে আওয়ামী লীগ এখনও আসেনি। আজীবন আপনাকে এ দায়িত্ব পালন করতে হবে।’

পঞ্চগড়ের নেতা মনিরুল কাদের বলেন, ‘দলের পদ আপনি ছাড়তে চাইলেও আপনাকে আমরা ছাড়ব না। দলকে আরও সুসংঘটিত আরও গতিশীল করতে আপনার নেতৃত্বের বিকল্প এখনও গড়ে ওঠেনি।’

বিকল্প কি আদৌ কেউ আছে?

আওয়ামী লীগ সভাপতির বক্তব্যকে সাধুবাদ জানিয়েছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক মিজানুর রহমান শেলী। তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশে একটি শীর্ষ রাজনৈতিক দলের প্রধানের এমন বক্তব্য সন্তোষজনক। এর মাধ্যমে তাঁর গণতান্ত্রিক আচরণের বহিঃপ্রকাশ হয়েছে। কিন্তু আমাদের মত উন্নয়নশীল দেশে এ বিষয়টা কতটুকু কার‌্যকর হবে সেটা দেখার বিষয়। দলের নেতৃত্ব বিকাশের জন্য আমি বলবো, আওয়ামী লীগে শেখ হাসিনার বিকল্প, তাকে বের করতে হবে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক শান্তনু মজুমদার বলেন, ‘এই মুহূর্তে আওয়ামী লীগে শেখ হাসিনার কোন বিকল্প নেই। তিন ৩৫ ত্রিশ বছর ধরে যে অভিজ্ঞতা এবং দলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করে দল পরিচালনা করছেন, তা অন্য কেউ করতে পারবে না।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম বলেন, ‘আমার মনে হয় তিনি (প্রধানমন্ত্রী) চাইছেন আস্তে আস্তে অবসরে যাবেন। তবে এখনই এটা সম্ভব নয়। আওয়ামী লীগে তার কেনো বিকল্প নেই। তিনি যে কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন তা বাস্তবায়ন করতে অন্য কেউ সাহস দেখাতে পারবেন না।’

সৈয়দ মনজুরুল আরও বলেন, ‘তবে তিনি হয়তো একটু ক্লান্তির কথা বলতে পারেন। ৭০ বছরের একজন মানুষ তো একটু ক্লান্ত হতেই পারেন। কিন্তু তার সমকক্ষ কেউ আওয়ামী লীগে নেই। সর্বগ্রহণযোগ্য ব্যক্তি তিনিই।’

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, আরও এগিয়ে যাবে। তিনি শুধু দেশের নন, এখন বিশ্বনেতা। তাকে শুধু আওয়ামী লীগের প্রয়োজন এমনটাই নয়, দেশেরও প্রয়োজন। আমরা তাঁকে কোনোভাবেই হারাতে চাই না। আমরা তাঁর অবিসংবাদিত নেতৃত্বেই এগিয়ে যেতে চাই।’

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ‘দলীয় সভাপতি হিসাবে শেখ হাসিনার কোন বিকল্প নেই। সম্মেলনে কাউন্সিলরদের ভোটে তিনি পুনরায় সভাপতি নির্বাচিত হবেন।’