বকরক উল্লাহ বুলু বলেন, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধ, ৩০ লাখ শহীদকে এবং শহীদ জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা যারা স্বীকার করে না তারা যতবড় দল হোক বা যেই হোক তাদের বাংলাদেশর মানুষের কাছে ভোট চাওয়ার কোনো অধিকার নেই। তাদের নির্বাচন করারও কোনো অধিকার নেই।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনা দেশের সম্পদ লুণ্ঠন করেছে।
বরকত উল্লাহ বুলু বলেন, ২০১৪ সাল থেকে ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সংসদ পর্যন্ত যেসব নির্বাচন হয়েছে এর কোনো নির্বাচনে দেশের সাধারণ মানুষ ভোট দিতে পারেনি। ডিসি-এসপি আর আওয়ামী লীগের গুন্ডারা ভোট করেছে। নির্বাচনে তাদের দলের মধ্যে টাকার খেলা হয়েছে।
তিনি বলেন, প্রতিদিন বাস ডাকাতি, আইনশৃঙ্খলা অবনতি, দ্রব্যমূল্যে উর্ধগতি এসব কারণকে সামনে রেখে এই সম্মেলন। প্রশাসনের উদ্দেশে করে তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলার যে অবনতি হয়েছে অতিশিগগিরই তার উন্নতি ঘটানোর আহবান জানান।
বকরত উল্লাহ বুলু, প্রধান উপদেষ্টকে উদ্দেশ্যে করে বলেন, দুই একজন উপদেষ্টার কথায় বিভ্রান্ত হয়ে আপনার ইমেজ ক্ষুন্ন করবেন না। নুন্যতম সংস্কার দিয়ে নির্বাচনী রোডম্যাপ তৈরি করেন। কীভাবে, কবে নির্বাচন হবে তার রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানান।
তিনি বলেন, শেখ পরিবারের একজন মানুষও মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় সম্মুখ সারিতে যুদ্ধ করেনি। কিন্তু তারা দেশটা লুট করেছে। তারা লুণ্ঠন ছাড়া আর কিছুৃই জানে না। এই লুণ্ঠনের ভার থেকে জাতিকে চিরস্থায়ীভাবে রক্ষা করতে হবে। সেজন্য ঐক্যবদ্ধ ছাড়া কোনো উপায় নেই। এজন্য দলের মধ্যে কোনো বিবেধ তৈরি করা যাবে না।
বরকত উল্লাহ বুলু হুশিয়ার উচ্চারণ করে বলেন, যারা আওয়ামী লীগের দালালি করবে তারা যতবড় নেতা হোক না কেন তাদের বিএনপি করার অধিকার নেই। যারা অপকর্ম করবে তারা বিএনপি করার অধিকার রাখে না। তাদেরকে বিএনপি থেকে বের করে দিতে হবে।