ঢাকা ০৫:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বিলের পানিতে ডুবে ভাই-বোন নিহত এমন রাজনৈতিক চর্চা করা যাবে না, যাতে ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তনের পথ সহজ হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তরুণরা নেতৃত্ব দিলে প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন টেকসই হবে: তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করতে ইউএনওদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর আলেমদের সমাজ পরিবর্তনের প্রধান রূপকার হওয়ার আহ্বান জামায়াত আমিরের চট্টগ্রাম সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, প্রস্তুত ৭ ভেন্যু সরাসরি বিশ্বকাপে আফগানিস্তান, বাংলাদেশের ভাগ্য সেই ভারতের হাতেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেবে জামায়াত চিকিৎসক সমাজের পেশাগত উৎকর্ষতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ড্যাব : জুবাইদা রহমান জেআইসিতে এক-এগারোর সময় তারেক রহমানকে নির্যাতনের তথ্য পাওয়া গেছে: চিফ প্রসিকিউটর

সংসদে জেলা পরিষদ বিল উত্থাপন

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:০৫:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অক্টোবর ২০১৬
  • ৩৭৭ বার

নির্বাচিত কোনো জনপ্রতিনিধি পদে থেকে জেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন না। নির্বাচন করার জন্য তাকে পদত্যাগ করতে হবে। আর নির্বাচিত জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কিংবা সদস্যের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলার চার্জশিট গৃহীত হলে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করতে পারবে মন্ত্রণালয়।

এমন বিধান রেখে মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে ‘জেলা পরিষদ (সংশোধন) আইন-২০১৬’ উত্থাপন করা হয়েছে।

বিকেলে সংসদ অধিবেশন শুরু হলে বিলটি উত্থাপন করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

বিরোধীদলীয় সদস্য ফখরুল ইমাম বিলটিতে আপত্তি জানালে তা কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়। পরে বিলটি অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়। কমিটিকে একদিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

বিলে বলা হয়েছে, জেলা পরিষদ হবে ২১ সদস্যের। যার মধ্যে একজন চেয়ারম্যান, ১৫ জন সদস্য ও ৫ জন সংরক্ষিত মহিলা সদস্য থাকবেন। সিটি করপোরেশনের মেয়র ও কাউন্সিলর, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র ও কাউন্সিলর এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের ভোটে তারা নির্বাচিত হবেন।

আয়তন ও জনসংখ্যার ভিত্তিতে জেলা পরিষদকে ১৫টি ভাগ করা হয়েছে। এক ভাগে একজন করে সদস্য ও প্রতি তিনটি ভাগে একজন করে সদস্য সংরক্ষিত আসন বিবেচনায় নির্বাচিত হবেন।

বিলে বলা হয়েছে, জেলা পরিষদের নির্বাহী ক্ষমতা থাকবে চেয়ারম্যানের কাছে। তবে তার অনুপস্থিতিতে কাউন্সিলরদের মধ্যে থেকে একজন কিংবা সরকারি কর্মকর্তারাও চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। সরকার গেজেট করে সরকারি কোনো কর্মকর্তাকেও এ দায়িত্ব দিতে পারবে।

গত ২৯ আগস্ট জেলা পরিষদ (সংশোধন) বিল অনুমোদন করে মন্ত্রিসভা। সংসদের চলতি অধিবেশনেই বিলটি পাস হওয়ার কথা রয়েছে। আইন পাসের পর ডিসেম্বর মাসে জেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের ঘোষণা দিয়ে রেখেছে সরকার। নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যে এ আইনের অধীন নির্বাচনী বিধিমালা তৈরির কাজও শুরু করেছে। দেশের ৬১টি জেলা পরিষদের সীমানা নির্ধারণের কাজও শেষ হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বিলের পানিতে ডুবে ভাই-বোন নিহত

সংসদে জেলা পরিষদ বিল উত্থাপন

আপডেট টাইম : ১১:০৫:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অক্টোবর ২০১৬

নির্বাচিত কোনো জনপ্রতিনিধি পদে থেকে জেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন না। নির্বাচন করার জন্য তাকে পদত্যাগ করতে হবে। আর নির্বাচিত জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কিংবা সদস্যের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলার চার্জশিট গৃহীত হলে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করতে পারবে মন্ত্রণালয়।

এমন বিধান রেখে মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে ‘জেলা পরিষদ (সংশোধন) আইন-২০১৬’ উত্থাপন করা হয়েছে।

বিকেলে সংসদ অধিবেশন শুরু হলে বিলটি উত্থাপন করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

বিরোধীদলীয় সদস্য ফখরুল ইমাম বিলটিতে আপত্তি জানালে তা কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়। পরে বিলটি অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়। কমিটিকে একদিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

বিলে বলা হয়েছে, জেলা পরিষদ হবে ২১ সদস্যের। যার মধ্যে একজন চেয়ারম্যান, ১৫ জন সদস্য ও ৫ জন সংরক্ষিত মহিলা সদস্য থাকবেন। সিটি করপোরেশনের মেয়র ও কাউন্সিলর, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র ও কাউন্সিলর এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের ভোটে তারা নির্বাচিত হবেন।

আয়তন ও জনসংখ্যার ভিত্তিতে জেলা পরিষদকে ১৫টি ভাগ করা হয়েছে। এক ভাগে একজন করে সদস্য ও প্রতি তিনটি ভাগে একজন করে সদস্য সংরক্ষিত আসন বিবেচনায় নির্বাচিত হবেন।

বিলে বলা হয়েছে, জেলা পরিষদের নির্বাহী ক্ষমতা থাকবে চেয়ারম্যানের কাছে। তবে তার অনুপস্থিতিতে কাউন্সিলরদের মধ্যে থেকে একজন কিংবা সরকারি কর্মকর্তারাও চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। সরকার গেজেট করে সরকারি কোনো কর্মকর্তাকেও এ দায়িত্ব দিতে পারবে।

গত ২৯ আগস্ট জেলা পরিষদ (সংশোধন) বিল অনুমোদন করে মন্ত্রিসভা। সংসদের চলতি অধিবেশনেই বিলটি পাস হওয়ার কথা রয়েছে। আইন পাসের পর ডিসেম্বর মাসে জেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের ঘোষণা দিয়ে রেখেছে সরকার। নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যে এ আইনের অধীন নির্বাচনী বিধিমালা তৈরির কাজও শুরু করেছে। দেশের ৬১টি জেলা পরিষদের সীমানা নির্ধারণের কাজও শেষ হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।