ঢাকা ০৬:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ডাকাত আতঙ্কে পর্যটকশূন্য কিশোরগঞ্জের হাওর ভেঙে পড়েছে পর্যটন অর্থনীতি, বিপাকে হাজারো মানুষের জীবিকা শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন ফের লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস, আবহাওয়া নিয়ে নতুন বার্তা অধিদপ্তরের চলতি অর্থবছরেই ৪১ লাখ নতুন ফ্যামিলি কার্ড দেবে সরকার দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের প্রধান নীতিগত অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী সংসদে ‘ব্যক্তিগত মন্তব্য’ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী আদমদীঘিতে কাঁচা মরিচের দামে ‘সেঞ্চুরি’, স্বস্তিতে কৃষক ব্রয়লার মুরগি খাওয়া কতটা নিরাপদ ‘ব্রয়লার মুরগি’ মন্তব্য নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ছাত্রদলের নাছির দেশের যেসব অঞ্চলে রাত ১টার মধ্যে ঝড়ের আভাস

পাতাবাহার গাছকে সতেজ ও সবুজ রাখবেন যেভাবে

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৩:৪১:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৪
  • ১৫২ বার

অনেকের বাড়িতেই ইনডোর প্ল্যান্ট হিসেবে নানা ধরনের পাতাবাহার গাছ থাকে। এসব গাছের যত্ন একটু আলাদা ধরনের। নানা ধরনের পাতাবাহার গাছ কীভাবে যত্ন নেবেন জেনে নিন

পাতাবাহার গাছকে সবসময় হালকা ছায়ায় রাখতে হয়। মাঝেমধ্যে অল্প একটু রোদে রাখতে হয়। না হলে পাতার রঙ খোলে না। রাতে খোলা জায়গায় রেখে দিয়ে পরের দিন সকাল ৯টা পর্যন্ত রোদ খাইয়ে আবার যথাস্থানে নিয়ে যান। মনে রাখবেন, ঘরের ভেতরে কিন্তু একনাগাড়ে বেশিদিন পাতাবাহারের গাছ রাখা যায় না, জায়গা বদল করে রাখতে হয়। যেমন ধরুন, যে গাছগুলোকে আপনি ঘরের ভেতর রেখেছিলেন সেগুলোকে বারান্দায়, সিঁড়িতে বা অন্য কোনো স্থানে নিয়ে যান। অনুরূপভাবে আবার বাইরের গাছগুলোকে ঘরের ভেতরে নিয়ে আসুন।

আলোর ব্যতিক্রমী গাছও নিশ্চয়ই আছে। সরু ও ছোট পাতার এমন অনেক প্রজাতির পাতাবাহার আছে, যারা মোটামুটি রোদ সহ্য করতে পারে। সেই ধরনের গাছকে হালকা রোদ পড়ে এমন জায়গায় রাখুন। পাতাবাহারের টবের মাপ হওয়া উচিত ৯ থেকে ১২ ইঞ্চি বা তার থেকেও বড় টবে। আর এমনভাবে পানি দিন যেন মাটি ভিজে থাকে অথচ কোনোভাবেই গাছের গোড়ায় পানি জমে থাকবে না। পাতাকে সতেজ ও মসৃণ করে রাখতে প্রতিদিন সূর্য অস্ত যাওয়ার পর পাতার ওপরে ও নিচে স্প্রেয়ারের সাহায্যে ভালো করে ধুয়ে দিন। সবসময় খেয়াল রাখবেন, পোকামাকড় ধরে পাতাবাহারের পাতার আকৃতি যেন নষ্ট করে না দেয়। প্রতিকার হিসেবে রোগের ম্যাটাসিট ফিফটি ডেমিক্রনের মতো ওষুধ ১ লিটার পানিতে ১ মিলি মিশিয়ে পাতার গায়ে ও ডালে ভালো করে স্প্রে করবেন। টবের মাটি ভালোভাবে খুঁচিয়ে দিন, যাতে আলো-বাতাস ভেতরে প্রবেশ করে।

জমির জন্য যদি মাটিতে পাতাবাহারের গাছ লাগাতে চান তাহলে এমন জায়গা বেছে নিন যেখানে সারা দিনই হালকা ছায়া থাকে এবং পানি জমে না থাকে। বাগানের পাতাবাহার গাছকে সঠিকভাবে সময়মতো পরিচর্যা করতে হয়। কোনো অবস্থাতেই অন্য কোনো বড় গাছের নিচে পাতাবাহার লাগানো যায় না। সাজানোর প্রয়োজনে সাময়িকভাবে ৪-৫ দিনের জন্য ছোট টবের গাছ বড় গাছের তলায় রাখতে পারেন।

পাতাবাহার গাছের কলম করার জন্য বর্ষাকালই ভালো। গুটি কলম বাঁধার ১৫ দিনের মাথায় প্রচুর পরিমাণে শিকড় এসে যাবে। দেখবেন শিকড়গুলো যখন সাদা রঙ থেকে বাদামি হয়ে যাবে তখন গাছ থেকে কেটে নিয়ে ৫-৬ ইঞ্চি টবে লাগান। প্রথমেই বড় টবে লাগাবেন না। লাগালে দেখবেন নিচের পাতাগুলো কেমন ঝরে গিয়েছে। ছোট টব থেকে বড় টবে গাছকে নিয়ে যাওয়ার জন্য অন্তত ১৫ দিন সময় দেওয়া দরকার। ওই সময়ের পর টবে সার-মাটি দিয়ে গাছ লাগিয়ে দিন। এই প্রথায় আপনি অনেক পাতাবাহার গাছ করতে পারবেন। আর এই গাছগুলো আপনার বাড়িকে সুন্দর থেকে সুন্দরতর করে তুলবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ডাকাত আতঙ্কে পর্যটকশূন্য কিশোরগঞ্জের হাওর ভেঙে পড়েছে পর্যটন অর্থনীতি, বিপাকে হাজারো মানুষের জীবিকা

পাতাবাহার গাছকে সতেজ ও সবুজ রাখবেন যেভাবে

আপডেট টাইম : ০৩:৪১:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৪

অনেকের বাড়িতেই ইনডোর প্ল্যান্ট হিসেবে নানা ধরনের পাতাবাহার গাছ থাকে। এসব গাছের যত্ন একটু আলাদা ধরনের। নানা ধরনের পাতাবাহার গাছ কীভাবে যত্ন নেবেন জেনে নিন

পাতাবাহার গাছকে সবসময় হালকা ছায়ায় রাখতে হয়। মাঝেমধ্যে অল্প একটু রোদে রাখতে হয়। না হলে পাতার রঙ খোলে না। রাতে খোলা জায়গায় রেখে দিয়ে পরের দিন সকাল ৯টা পর্যন্ত রোদ খাইয়ে আবার যথাস্থানে নিয়ে যান। মনে রাখবেন, ঘরের ভেতরে কিন্তু একনাগাড়ে বেশিদিন পাতাবাহারের গাছ রাখা যায় না, জায়গা বদল করে রাখতে হয়। যেমন ধরুন, যে গাছগুলোকে আপনি ঘরের ভেতর রেখেছিলেন সেগুলোকে বারান্দায়, সিঁড়িতে বা অন্য কোনো স্থানে নিয়ে যান। অনুরূপভাবে আবার বাইরের গাছগুলোকে ঘরের ভেতরে নিয়ে আসুন।

আলোর ব্যতিক্রমী গাছও নিশ্চয়ই আছে। সরু ও ছোট পাতার এমন অনেক প্রজাতির পাতাবাহার আছে, যারা মোটামুটি রোদ সহ্য করতে পারে। সেই ধরনের গাছকে হালকা রোদ পড়ে এমন জায়গায় রাখুন। পাতাবাহারের টবের মাপ হওয়া উচিত ৯ থেকে ১২ ইঞ্চি বা তার থেকেও বড় টবে। আর এমনভাবে পানি দিন যেন মাটি ভিজে থাকে অথচ কোনোভাবেই গাছের গোড়ায় পানি জমে থাকবে না। পাতাকে সতেজ ও মসৃণ করে রাখতে প্রতিদিন সূর্য অস্ত যাওয়ার পর পাতার ওপরে ও নিচে স্প্রেয়ারের সাহায্যে ভালো করে ধুয়ে দিন। সবসময় খেয়াল রাখবেন, পোকামাকড় ধরে পাতাবাহারের পাতার আকৃতি যেন নষ্ট করে না দেয়। প্রতিকার হিসেবে রোগের ম্যাটাসিট ফিফটি ডেমিক্রনের মতো ওষুধ ১ লিটার পানিতে ১ মিলি মিশিয়ে পাতার গায়ে ও ডালে ভালো করে স্প্রে করবেন। টবের মাটি ভালোভাবে খুঁচিয়ে দিন, যাতে আলো-বাতাস ভেতরে প্রবেশ করে।

জমির জন্য যদি মাটিতে পাতাবাহারের গাছ লাগাতে চান তাহলে এমন জায়গা বেছে নিন যেখানে সারা দিনই হালকা ছায়া থাকে এবং পানি জমে না থাকে। বাগানের পাতাবাহার গাছকে সঠিকভাবে সময়মতো পরিচর্যা করতে হয়। কোনো অবস্থাতেই অন্য কোনো বড় গাছের নিচে পাতাবাহার লাগানো যায় না। সাজানোর প্রয়োজনে সাময়িকভাবে ৪-৫ দিনের জন্য ছোট টবের গাছ বড় গাছের তলায় রাখতে পারেন।

পাতাবাহার গাছের কলম করার জন্য বর্ষাকালই ভালো। গুটি কলম বাঁধার ১৫ দিনের মাথায় প্রচুর পরিমাণে শিকড় এসে যাবে। দেখবেন শিকড়গুলো যখন সাদা রঙ থেকে বাদামি হয়ে যাবে তখন গাছ থেকে কেটে নিয়ে ৫-৬ ইঞ্চি টবে লাগান। প্রথমেই বড় টবে লাগাবেন না। লাগালে দেখবেন নিচের পাতাগুলো কেমন ঝরে গিয়েছে। ছোট টব থেকে বড় টবে গাছকে নিয়ে যাওয়ার জন্য অন্তত ১৫ দিন সময় দেওয়া দরকার। ওই সময়ের পর টবে সার-মাটি দিয়ে গাছ লাগিয়ে দিন। এই প্রথায় আপনি অনেক পাতাবাহার গাছ করতে পারবেন। আর এই গাছগুলো আপনার বাড়িকে সুন্দর থেকে সুন্দরতর করে তুলবে।