ঢাকা ০৫:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
সড়ক দুর্ঘটনায় আহত জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী স্কয়ার হাসপাতালে ৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ: বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ পেনশনের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, অডিট কর্মকর্তা ইশরাত বরখাস্ত দুই মুসলিম নারী সাংবাদিককে থানায় নিয়ে পেটাল দিল্লি পুলিশ ‘সনাতন ধর্মাবলম্বীরা ‘ভোট ব্যাংক’, এ কৃত্রিম মিথ ভেঙে চুরমার হয়েছে’ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনীতিতে ক্ষমতার দাপট দেখানো মানুষের অভাব নেই: মান্না ২ মন্ত্রী আসার খবরে বদলে গেল হাসপাতালের পরিবেশ, অবাক রোগীরা বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ : জাতিসংঘ সমুদ্রপাড়ে নতুন লুকে দীঘি, ভক্তদের কৌতূহল তুঙ্গে আবারো মেসিকে ফেরাতে চায় আর্জেন্টিনা

কল্যাণ পার্টির ভাঙন নিয়ে মুখ খুললেন সৈয়দ ইবরাহিম

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:২৮:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৩
  • ১৩৯ বার

জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিমকে দল থেকে বহিষ্কারের ঘোষণা দিয়েছে নতুন কমিটি গঠনের কথা জানিয়েছেন দলটির কয়েকজন নেতা। এ বিষয়ে মুখ খুলেছেন সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম।

দলের ভাঙন বিষয়ে আমাদের সময়কে সৈয়দ ইবরাহিম বলেন, ‘কিছু বিভ্রান্ত ব্যক্তি, কারও কারও উসকানিতে পার্টির মধ্যে একটা বিভেদ এনেছেন। তাদের প্রতি দোয়া ও শুভেচ্ছা থাকল। তাদের প্রতি আহ্বান- বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির গঠনতন্ত্র পড়তে এবং তা অনুসরণ করে চলতে। যদি কল্যাণ পার্টির সঙ্গে তাদের দ্বিমত থাকে, তারা কল্যাণ পার্টি ত্যাগ করে সম্মানের সঙ্গে চলে যেতে পারেন। পার্টির মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করা কাম্য নয়। যারা উসকানি দেন তাদের প্রতি আহ্বান- কাজটা ভালো না; বিরত থাকুন।’

নির্বাচনে অংশগ্রহণের প্রসঙ্গে সৈয়দ ইবরাহিম বলেন, ‘কোনো চাপ বা প্রলোভন ছিল না, আমি নিজে চিন্তা করতে পারি।’

তিনি বলেন, ‘২০১৪ সালের নির্বাচনে যাওয়ার দাওয়াত পেয়েছিলাম; যাইনি। ওই আমলের ২০-দলীয় জোটও জানে। ২০১৮ সালের নির্বাচনে দাওয়াত পেয়েছিলাম, ২০-দলীয় জোট নির্বাচনে গেলেও আমি যেন জোট ছেড়ে সরকারি জোটে যাই। তা-ও যাইনি, এটিও ২০-দলীয় জোট জানে।’

২০০৭ সালে সেনাসমর্থিত সরকারের আমলে ‘বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি’ প্রতিষ্ঠা করেন সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম। নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত দলটির বর্তমান মহাসচিব আব্দুল আউয়াল মামুন। যিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সাবেক সেক্রেটারি জেনারেল।

গত রবিবার রাতে কল্যাণ পার্টি থেকে সৈয়দ ইবরাহিমকে বহিষ্কার করা হয়। দলটির শামছুদ্দিন পারভেজ নামের এক নেতার সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দলের নির্বাহী কমিটিতে থাকা ৪১ জন নেতাকে নিয়ে নতুন কমিটিতে গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে তাকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান করা হয়েছে। তিনি এর আগে দলটির ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সৈয়দ ইবরাহিমকে প্ররোচিত করায় মহাসচিব আবদুল আউয়াল ও অতিরিক্ত মহাসচিব আবদুল্লাহ আল হাসানকেও দল থেকে স্থায়ী বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এতে আরও জানানো হয়, নতুন কমিটিতে দলের বর্তমান যুগ্ম মহাসচিব মাহবুবুর রহমানকে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও যুগ্ম মহাসচিব ওবায়দুল হক সিরাজীকে অতিরিক্ত মহাসচিব করা হয়েছে। এ ছাড়া নতুন কমিটিতে পাঁচজনকে ভাইস চেয়ারম্যান, সাতজনকে যুগ্ম মহাসচিব, পাঁচজনকে সহকারী মহাসচিব ও ২০ জনকে সদস্য করা হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

সড়ক দুর্ঘটনায় আহত জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী স্কয়ার হাসপাতালে

কল্যাণ পার্টির ভাঙন নিয়ে মুখ খুললেন সৈয়দ ইবরাহিম

আপডেট টাইম : ১২:২৮:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৩

জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিমকে দল থেকে বহিষ্কারের ঘোষণা দিয়েছে নতুন কমিটি গঠনের কথা জানিয়েছেন দলটির কয়েকজন নেতা। এ বিষয়ে মুখ খুলেছেন সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম।

দলের ভাঙন বিষয়ে আমাদের সময়কে সৈয়দ ইবরাহিম বলেন, ‘কিছু বিভ্রান্ত ব্যক্তি, কারও কারও উসকানিতে পার্টির মধ্যে একটা বিভেদ এনেছেন। তাদের প্রতি দোয়া ও শুভেচ্ছা থাকল। তাদের প্রতি আহ্বান- বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির গঠনতন্ত্র পড়তে এবং তা অনুসরণ করে চলতে। যদি কল্যাণ পার্টির সঙ্গে তাদের দ্বিমত থাকে, তারা কল্যাণ পার্টি ত্যাগ করে সম্মানের সঙ্গে চলে যেতে পারেন। পার্টির মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করা কাম্য নয়। যারা উসকানি দেন তাদের প্রতি আহ্বান- কাজটা ভালো না; বিরত থাকুন।’

নির্বাচনে অংশগ্রহণের প্রসঙ্গে সৈয়দ ইবরাহিম বলেন, ‘কোনো চাপ বা প্রলোভন ছিল না, আমি নিজে চিন্তা করতে পারি।’

তিনি বলেন, ‘২০১৪ সালের নির্বাচনে যাওয়ার দাওয়াত পেয়েছিলাম; যাইনি। ওই আমলের ২০-দলীয় জোটও জানে। ২০১৮ সালের নির্বাচনে দাওয়াত পেয়েছিলাম, ২০-দলীয় জোট নির্বাচনে গেলেও আমি যেন জোট ছেড়ে সরকারি জোটে যাই। তা-ও যাইনি, এটিও ২০-দলীয় জোট জানে।’

২০০৭ সালে সেনাসমর্থিত সরকারের আমলে ‘বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি’ প্রতিষ্ঠা করেন সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম। নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত দলটির বর্তমান মহাসচিব আব্দুল আউয়াল মামুন। যিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সাবেক সেক্রেটারি জেনারেল।

গত রবিবার রাতে কল্যাণ পার্টি থেকে সৈয়দ ইবরাহিমকে বহিষ্কার করা হয়। দলটির শামছুদ্দিন পারভেজ নামের এক নেতার সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দলের নির্বাহী কমিটিতে থাকা ৪১ জন নেতাকে নিয়ে নতুন কমিটিতে গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে তাকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান করা হয়েছে। তিনি এর আগে দলটির ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সৈয়দ ইবরাহিমকে প্ররোচিত করায় মহাসচিব আবদুল আউয়াল ও অতিরিক্ত মহাসচিব আবদুল্লাহ আল হাসানকেও দল থেকে স্থায়ী বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এতে আরও জানানো হয়, নতুন কমিটিতে দলের বর্তমান যুগ্ম মহাসচিব মাহবুবুর রহমানকে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও যুগ্ম মহাসচিব ওবায়দুল হক সিরাজীকে অতিরিক্ত মহাসচিব করা হয়েছে। এ ছাড়া নতুন কমিটিতে পাঁচজনকে ভাইস চেয়ারম্যান, সাতজনকে যুগ্ম মহাসচিব, পাঁচজনকে সহকারী মহাসচিব ও ২০ জনকে সদস্য করা হয়েছে।