ঢাকা ০৬:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি ভূমিকম্প মোকাবেলায় রাজধানীর ৪৪৫টি নিরাপদ আশ্রয়স্থল চিহ্নিত: ত্রাণমন্ত্রী এক বছরে ওরাকলের ১৩ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই সাঁথিয়ায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার ওই ব্যক্তি আমার স্বামী না: চিত্রনায়িকা ববি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর রিজার্ভে চাপ বাড়ছে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ মেসি সবসময়ই গোল করবে, আমি শুধু আমার দলকে জেতাতে চাই : কিলিয়ান এমবাপ্পে রাষ্ট্রীয় নিয়োগে ব্যক্তির মেধা, সততা, দেশপ্রেম ও কর্মনিষ্ঠা গুরুত্বপূর্ণ: অ্যাটর্নি জেনারেল তথ্য উপদেষ্টাকে দিল্লিতে বাধা দেওয়ার বিষয়ে মুখ খুলল ভারত

ইসলাম মানুষ হত্যা বরদাশত করে না: প্রধানমন্ত্রী

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৬:৪১:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ জুলাই ২০১৬
  • ৩০৬ বার

ইসলামকে শান্তি ও সৌভ্রাতৃত্বের প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘ইসলাম কোনো নিরীহ মানুষকে হত্যা বরদাশত করে না— এমনকি অন্য ধর্মের অনুসারীদেরও। একমাত্র আল্লাহই চূড়ান্ত ন্যায়বিচারক এবং তিনি কখনো অন্য কারো হাতে দায়দায়িত্ব প্রদান করেননি।’

বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন গণভবনে সর্বস্তরের জনগণের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় ও সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন। খবর বাসসের

তিনি বলেন, ‘আমরা পরিষ্কার ভাষায় বলতে চাই, বাংলাদেশ সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদের স্থান হতে পারে না।’

গত সপ্তাহে গুলশানের সন্ত্রাসী হামলার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা ধর্মের নামে এ ধরনের কর্মকাণ্ড চালিয়ে পবিত্র ধর্ম ইসলামকে কলুষিত করছে। ইসলামের নামে মানুষ হত্যার মতো জঘন্যতম কর্মকাণ্ড আর কী হতে পারে?’

তিনি বলেন, ‘নামাজের সময় নামাজ না পড়ে মসজিদে নববীতে আত্মঘাতী বোমা হামলা চালিয়ে মানুষ হত্যা করে তারা ইসলামের নামে কোন ধরনের ইসলামিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করতে চায়? আসলে তারা ইসলামের শত্রু।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘ধর্মান্ধরা শরিয়া আইন বাস্তবায়নের দাবি এবং মানুষের তৈরি আইনের বিরোধিতা করেন। তাহলে কেন তারা তাদের লক্ষ্য অর্জনে মানুষের তৈরি অস্ত্র, বোমা, প্রযুক্তি ব্যবহার করছে।’

তিনি বলেন, ‘আল্লাহর প্রতি জঙ্গিদের কোনো বিশ্বাস নেই। তারা তাদের আল্লাহর চেয়েও শক্তিশালী মনে করে। কাজেই তারা কখনো বেহেশতে যাবে না। তারা দোজখে নিক্ষিপ্ত হবে। অন্যদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানারও কোনো অধিকার তাদের নেই।’

সন্ত্রাসবাদকে বৈশ্বিক সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ সমস্যা মোকাবেলায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে দায়িত্ব কাঁধে নিতে হবে এবং একসাথে কাজ করতে হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি

ইসলাম মানুষ হত্যা বরদাশত করে না: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ০৬:৪১:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ জুলাই ২০১৬

ইসলামকে শান্তি ও সৌভ্রাতৃত্বের প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘ইসলাম কোনো নিরীহ মানুষকে হত্যা বরদাশত করে না— এমনকি অন্য ধর্মের অনুসারীদেরও। একমাত্র আল্লাহই চূড়ান্ত ন্যায়বিচারক এবং তিনি কখনো অন্য কারো হাতে দায়দায়িত্ব প্রদান করেননি।’

বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন গণভবনে সর্বস্তরের জনগণের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় ও সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন। খবর বাসসের

তিনি বলেন, ‘আমরা পরিষ্কার ভাষায় বলতে চাই, বাংলাদেশ সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদের স্থান হতে পারে না।’

গত সপ্তাহে গুলশানের সন্ত্রাসী হামলার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা ধর্মের নামে এ ধরনের কর্মকাণ্ড চালিয়ে পবিত্র ধর্ম ইসলামকে কলুষিত করছে। ইসলামের নামে মানুষ হত্যার মতো জঘন্যতম কর্মকাণ্ড আর কী হতে পারে?’

তিনি বলেন, ‘নামাজের সময় নামাজ না পড়ে মসজিদে নববীতে আত্মঘাতী বোমা হামলা চালিয়ে মানুষ হত্যা করে তারা ইসলামের নামে কোন ধরনের ইসলামিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করতে চায়? আসলে তারা ইসলামের শত্রু।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘ধর্মান্ধরা শরিয়া আইন বাস্তবায়নের দাবি এবং মানুষের তৈরি আইনের বিরোধিতা করেন। তাহলে কেন তারা তাদের লক্ষ্য অর্জনে মানুষের তৈরি অস্ত্র, বোমা, প্রযুক্তি ব্যবহার করছে।’

তিনি বলেন, ‘আল্লাহর প্রতি জঙ্গিদের কোনো বিশ্বাস নেই। তারা তাদের আল্লাহর চেয়েও শক্তিশালী মনে করে। কাজেই তারা কখনো বেহেশতে যাবে না। তারা দোজখে নিক্ষিপ্ত হবে। অন্যদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানারও কোনো অধিকার তাদের নেই।’

সন্ত্রাসবাদকে বৈশ্বিক সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ সমস্যা মোকাবেলায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে দায়িত্ব কাঁধে নিতে হবে এবং একসাথে কাজ করতে হবে।