ঢাকা ০৯:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
অধ্যাপক ড. আবদুল মঈন খান বিজ্ঞান, গণতন্ত্র ও উন্নয়ন ভাবনার এক প্রজ্ঞাবান রাষ্ট্রনায়কের জীবনকথা নতুন ভাইরাস তৈরিতে ব্যবহৃত হচ্ছে এআই! বড় বিপর্যয়ের শঙ্কা ‘আপনি কি গুপ্ত আওয়ামী লীগ’, জবাবে যা বললেন রুমিন ফারহানা কঠিন বিপদে বা দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে যে ৩ আমল বেশি বেশি করবেন টাঙ্গুয়ার হাওরে গোসলে নেমে পর্যটকের মৃত্যু দেশে ভারি বৃষ্টির সতর্কবার্তা, ১০ জেলায় বন্যার পূর্বাভাস রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিয়ে অপপ্রচার, সতর্ক করল পুলিশ বিলুপ্তির পথে গ্রামবাংলার ‘গরিবের এসি বাড়ি’ ১৯৭১ সালের যুদ্ধ ছিল জনতার, কোনো রাজনৈতিক দলের নয় : ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি এক দিনের সফরে চট্টগ্রাম যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

নিরীহ মানুষ হত্যার ঘটনা অত্যন্ত নিন্দনীয়: পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০২:১১:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ জুলাই ২০১৬
  • ৫২১ বার

রাজধানীর গুলশানে রেস্তোরাঁয় গত শুক্রবার রাতে সশস্ত্র হামলা চালিয়ে দায়িত্বরত পুলিশসহ দেশি-বিদেশি নাগরিকদের হতাহত করার ঘটনা অত্যন্ত নিন্দনীয়, বর্বরোচিত ও জঘন্য।

পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে গিয়ে সাহসিকতা, দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সচেষ্ট হয়।

বন্দুকধারীদের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে দুইজন নিষ্ঠাবান অকুতোভয় বীর পুলিশ সদস্য শাহাদতবরণ করেন। তারা হলেন, ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের সিনিয়র সহকারি কমিশনার মো. রবিউল করিম এবং বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সালাউদ্দিন খান। এ ছাড়া এ ঘটনায় ২০ জন পুলিশ সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন।

বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল এ কে এম শহীদুল হক এ নৃশংস হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।

তিনি পেশাদার দুই পুলিশ কর্মকর্তার মর্মান্তিক মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

আইজিপি নিহতদের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

তিনি আহত পুলিশ সদস্যদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন। নিহত দুই পুলিশ কর্মকর্তা সরকারি দায়িত্ব পালনে যে নিষ্ঠা, আন্তরিকতা ও চরম আত্মত্যাগ প্রদর্শন করেছেন তা সত্যিই বিরল। বাংলাদেশ পুলিশ চিরদিন কৃতজ্ঞচিত্তে তাদের স্মরণ করবে। তাদের এ অনন্য অবদান ভবিষ্যতে প্রতিটি পুলিশ সদস্যের জন্য অনুকরণীয় ও অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

দুইজন সহকর্মীর নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পরও প্রতিটি পুলিশ সদস্যের মনোবল দৃঢ় ও অটুট রয়েছে। তারা দৃঢ় সংকল্প নিয়ে পেশাদারিত্বের সঙ্গে জঙ্গিবাদ দমনসহ যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় বদ্ধপরিকর।

বাংলাদেশ পুলিশ ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে দেশের সকল প্রয়োজন ও সংকটকালে জননিরাপত্তা বিধানে আত্মত্যাগ করতেও কুন্ঠাবোধ করেনি। ভবিষ্যতেও দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিধান এবং যেকোনো অরাজক পরিস্থিতিতে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করে জনগণের জানমাল রক্ষায় বাংলাদেশ পুলিশ অঙ্গীকারাবদ্ধ।

বাংলাদেশ পুলিশ সকল পুলিশি কার্যক্রম বিশেষ করে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে দেশের সর্বস্তরের জনগণ এবং মিডিয়ার অব্যাহত সমর্থন ও সার্বিক সহযোগিতা কামনা করে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

অধ্যাপক ড. আবদুল মঈন খান বিজ্ঞান, গণতন্ত্র ও উন্নয়ন ভাবনার এক প্রজ্ঞাবান রাষ্ট্রনায়কের জীবনকথা

নিরীহ মানুষ হত্যার ঘটনা অত্যন্ত নিন্দনীয়: পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স

আপডেট টাইম : ০২:১১:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ জুলাই ২০১৬

রাজধানীর গুলশানে রেস্তোরাঁয় গত শুক্রবার রাতে সশস্ত্র হামলা চালিয়ে দায়িত্বরত পুলিশসহ দেশি-বিদেশি নাগরিকদের হতাহত করার ঘটনা অত্যন্ত নিন্দনীয়, বর্বরোচিত ও জঘন্য।

পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে গিয়ে সাহসিকতা, দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সচেষ্ট হয়।

বন্দুকধারীদের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে দুইজন নিষ্ঠাবান অকুতোভয় বীর পুলিশ সদস্য শাহাদতবরণ করেন। তারা হলেন, ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের সিনিয়র সহকারি কমিশনার মো. রবিউল করিম এবং বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সালাউদ্দিন খান। এ ছাড়া এ ঘটনায় ২০ জন পুলিশ সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন।

বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল এ কে এম শহীদুল হক এ নৃশংস হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।

তিনি পেশাদার দুই পুলিশ কর্মকর্তার মর্মান্তিক মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

আইজিপি নিহতদের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

তিনি আহত পুলিশ সদস্যদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন। নিহত দুই পুলিশ কর্মকর্তা সরকারি দায়িত্ব পালনে যে নিষ্ঠা, আন্তরিকতা ও চরম আত্মত্যাগ প্রদর্শন করেছেন তা সত্যিই বিরল। বাংলাদেশ পুলিশ চিরদিন কৃতজ্ঞচিত্তে তাদের স্মরণ করবে। তাদের এ অনন্য অবদান ভবিষ্যতে প্রতিটি পুলিশ সদস্যের জন্য অনুকরণীয় ও অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

দুইজন সহকর্মীর নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পরও প্রতিটি পুলিশ সদস্যের মনোবল দৃঢ় ও অটুট রয়েছে। তারা দৃঢ় সংকল্প নিয়ে পেশাদারিত্বের সঙ্গে জঙ্গিবাদ দমনসহ যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় বদ্ধপরিকর।

বাংলাদেশ পুলিশ ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে দেশের সকল প্রয়োজন ও সংকটকালে জননিরাপত্তা বিধানে আত্মত্যাগ করতেও কুন্ঠাবোধ করেনি। ভবিষ্যতেও দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিধান এবং যেকোনো অরাজক পরিস্থিতিতে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করে জনগণের জানমাল রক্ষায় বাংলাদেশ পুলিশ অঙ্গীকারাবদ্ধ।

বাংলাদেশ পুলিশ সকল পুলিশি কার্যক্রম বিশেষ করে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে দেশের সর্বস্তরের জনগণ এবং মিডিয়ার অব্যাহত সমর্থন ও সার্বিক সহযোগিতা কামনা করে।