ঢাকা ০৯:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
কিশোরগঞ্জের কৃতী সন্তান ড. আশরাফুল মোসাদ্দেকের অনুবাদ গ্রন্থ ‘কবি ও কবিতায় এশিয়া মহাদেশ’ আলোচনায় জবির নতুন প্রক্টর অধ্যাপক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন অফিসে অবস্থান-জ্বালানি সাশ্রয়ে মন্ত্রণালয়ের ১১ নির্দেশনা স্বাস্থ্য খাত দুর্নীতিমুক্ত করতে কাজ করছি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক হবে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী সরকারি ছুটিতেও স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে হাসপাতাল পরিদর্শনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ থামাতে ৪ মুসলিম দেশের জরুরি বৈঠক শুরু মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আসামি হচ্ছেন মামুন ও মাসুদ ১১ জেলার ডিসি প্রত্যাহার করে নতুন ডিসি নিয়োগ ঢাকায় পৌঁছেছে স্পিকারের স্ত্রী দিলারা হাফিজের মরদেহ

যে ৭ লক্ষণে বুঝবেন ভিটামিন বি১২ এর অভাব

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৭:৩৭:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ অক্টোবর ২০২৩
  • ১৫৮ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ভিটামিন বি১২ কোবালামিন নামেও পরিচিত।যেহেতু আমাদের শরীর নিজে ভিটামিন বি-১২ তৈরি করতে পারে না, তাই আমাদের এটি বিভিন্ন খাবারের মাধ্যমে গ্রহণ করতে হয়। এই ভিটামিনের মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেলে নানা ধরনের শারীরিক জটিলতা দেখা দিতে পারে। জেনে নিন কোন কোন লক্ষণে বুঝবেন ভিটামিন বি-১২ কমে গেছে।

১। ভিটামিন বি-১২ এর অভাবের সবচেয়ে সাধারণ এবং প্রাথমিক লক্ষণগুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে ক্লান্তি এবং দুর্বলতা। এটি ঘটে কারণ এই ভিটামিন রক্তকণিকা উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, যা সারা শরীরে অক্সিজেন বহন করে। পর্যাপ্ত রক্তকণিকা ছাড়া টিস্যু এবং অঙ্গগুলো পর্যাপ্ত অক্সিজেন পায় না। ফলে  ক্লান্ত এবং দুর্বল লাগে।

২। মস্তিষ্কসহ সুস্থ স্নায়ুতন্ত্র বজায় রাখার জন্য অপরিহার্য ভিটামিন বি-১২। এর মাত্রা কমে গেলে স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। মেজাজের ব্যাঘাত ঘটতে পারে যেমন হতাশা এবং বিরক্তি।

৩। শারীরিক অসাড়তা বিশেষ করে হাত ও পায়ে অসাড়তা ভিটামিন বি-১২ কমে যাওয়ার লক্ষণ। পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি নামে পরিচিত এই অবস্থাটি ঘটে কারণ বি-১২ এর ঘাটতি স্নায়ুকে ঘিরে থাকা একটি উপাদানকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। ফলস্বরূপ স্নায়ুগুলো সঠিকভাবে সংকেত প্রেরণ করতে পারে না। যার ফল অসাড়তার অনুভূতি হয়। ধীরে ধীরে এই অবস্থা আরও গুরুতর হতে পারে যেমন পেশী দুর্বলতা, ভারসাম্য এবং সমন্বয়ের সাথে অসুবিধা।

৪। কিছু ক্ষেত্রে ভিটামিন বি-১২ এর অভাবে দৃষ্টিশক্তিতে সমস্যা হতে পারে। অপটিক নিউরোপ্যাথি এমন একটি অবস্থা যেখানে অপটিক নার্ভ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর ফলে দৃষ্টিশক্তি ঝাপসা বা বিঘ্নিত হতে পারে, রঙ চিনতে অসুবিধা হতে পারে এবং গুরুতর ক্ষেত্রে দৃষ্টিশক্তি নষ্ট হতে পারে।

৫। জিহ্বার প্রদাহ, জিহ্বা ফোলা, লাল হয়ে যাওয়া ভিটামিন বি-১২ এর অভাবজনিত লক্ষণ। এমনকি মুখের আলসারো হতে পারে এই ভিটামিনের অভাবে।

৬। ভিটামিন বি-১২ এর ঘাটতি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এটি স্নায়বিক উপসর্গের দিকে ধাবিত হতে পারে। যেমন হাঁটাচলা এবং ভারসাম্যের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

৭। ত্বকের বিবর্ণ হয়ে পড়া ভিটামিন বি-১২ কম এ যাওয়ার লক্ষণ। এটি ঘটে কারণ পর্যাপ্ত ভিটামিন বি-১২ এর অনুপস্থিতিতে উৎপাদিত লোহিত রক্তকণিকা অস্বাভাবিকভাবে বড় এবং ভঙ্গুর হতে পারে। এতে  সঞ্চালনে সুস্থ লোহিত রক্তকণিকার সংখ্যা হ্রাস পায়। এতে ত্বক ফ্যাকাশে বা হলুদ বর্ণের হয়ে যেতে পারে, যা ‘মেগালোব্লাস্টিক অ্যানিমিয়া’ নামে পরিচিত।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

কিশোরগঞ্জের কৃতী সন্তান ড. আশরাফুল মোসাদ্দেকের অনুবাদ গ্রন্থ ‘কবি ও কবিতায় এশিয়া মহাদেশ’ আলোচনায়

যে ৭ লক্ষণে বুঝবেন ভিটামিন বি১২ এর অভাব

আপডেট টাইম : ০৭:৩৭:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ অক্টোবর ২০২৩

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ভিটামিন বি১২ কোবালামিন নামেও পরিচিত।যেহেতু আমাদের শরীর নিজে ভিটামিন বি-১২ তৈরি করতে পারে না, তাই আমাদের এটি বিভিন্ন খাবারের মাধ্যমে গ্রহণ করতে হয়। এই ভিটামিনের মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেলে নানা ধরনের শারীরিক জটিলতা দেখা দিতে পারে। জেনে নিন কোন কোন লক্ষণে বুঝবেন ভিটামিন বি-১২ কমে গেছে।

১। ভিটামিন বি-১২ এর অভাবের সবচেয়ে সাধারণ এবং প্রাথমিক লক্ষণগুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে ক্লান্তি এবং দুর্বলতা। এটি ঘটে কারণ এই ভিটামিন রক্তকণিকা উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, যা সারা শরীরে অক্সিজেন বহন করে। পর্যাপ্ত রক্তকণিকা ছাড়া টিস্যু এবং অঙ্গগুলো পর্যাপ্ত অক্সিজেন পায় না। ফলে  ক্লান্ত এবং দুর্বল লাগে।

২। মস্তিষ্কসহ সুস্থ স্নায়ুতন্ত্র বজায় রাখার জন্য অপরিহার্য ভিটামিন বি-১২। এর মাত্রা কমে গেলে স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। মেজাজের ব্যাঘাত ঘটতে পারে যেমন হতাশা এবং বিরক্তি।

৩। শারীরিক অসাড়তা বিশেষ করে হাত ও পায়ে অসাড়তা ভিটামিন বি-১২ কমে যাওয়ার লক্ষণ। পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি নামে পরিচিত এই অবস্থাটি ঘটে কারণ বি-১২ এর ঘাটতি স্নায়ুকে ঘিরে থাকা একটি উপাদানকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। ফলস্বরূপ স্নায়ুগুলো সঠিকভাবে সংকেত প্রেরণ করতে পারে না। যার ফল অসাড়তার অনুভূতি হয়। ধীরে ধীরে এই অবস্থা আরও গুরুতর হতে পারে যেমন পেশী দুর্বলতা, ভারসাম্য এবং সমন্বয়ের সাথে অসুবিধা।

৪। কিছু ক্ষেত্রে ভিটামিন বি-১২ এর অভাবে দৃষ্টিশক্তিতে সমস্যা হতে পারে। অপটিক নিউরোপ্যাথি এমন একটি অবস্থা যেখানে অপটিক নার্ভ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর ফলে দৃষ্টিশক্তি ঝাপসা বা বিঘ্নিত হতে পারে, রঙ চিনতে অসুবিধা হতে পারে এবং গুরুতর ক্ষেত্রে দৃষ্টিশক্তি নষ্ট হতে পারে।

৫। জিহ্বার প্রদাহ, জিহ্বা ফোলা, লাল হয়ে যাওয়া ভিটামিন বি-১২ এর অভাবজনিত লক্ষণ। এমনকি মুখের আলসারো হতে পারে এই ভিটামিনের অভাবে।

৬। ভিটামিন বি-১২ এর ঘাটতি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এটি স্নায়বিক উপসর্গের দিকে ধাবিত হতে পারে। যেমন হাঁটাচলা এবং ভারসাম্যের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

৭। ত্বকের বিবর্ণ হয়ে পড়া ভিটামিন বি-১২ কম এ যাওয়ার লক্ষণ। এটি ঘটে কারণ পর্যাপ্ত ভিটামিন বি-১২ এর অনুপস্থিতিতে উৎপাদিত লোহিত রক্তকণিকা অস্বাভাবিকভাবে বড় এবং ভঙ্গুর হতে পারে। এতে  সঞ্চালনে সুস্থ লোহিত রক্তকণিকার সংখ্যা হ্রাস পায়। এতে ত্বক ফ্যাকাশে বা হলুদ বর্ণের হয়ে যেতে পারে, যা ‘মেগালোব্লাস্টিক অ্যানিমিয়া’ নামে পরিচিত।