ঢাকা ০৫:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি ভূমিকম্প মোকাবেলায় রাজধানীর ৪৪৫টি নিরাপদ আশ্রয়স্থল চিহ্নিত: ত্রাণমন্ত্রী এক বছরে ওরাকলের ১৩ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই সাঁথিয়ায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার ওই ব্যক্তি আমার স্বামী না: চিত্রনায়িকা ববি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর রিজার্ভে চাপ বাড়ছে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ মেসি সবসময়ই গোল করবে, আমি শুধু আমার দলকে জেতাতে চাই : কিলিয়ান এমবাপ্পে রাষ্ট্রীয় নিয়োগে ব্যক্তির মেধা, সততা, দেশপ্রেম ও কর্মনিষ্ঠা গুরুত্বপূর্ণ: অ্যাটর্নি জেনারেল তথ্য উপদেষ্টাকে দিল্লিতে বাধা দেওয়ার বিষয়ে মুখ খুলল ভারত

পদত্যাগপত্রে সই করেছেন এসপি বাবুল আক্তার

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:০৬:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ জুলাই ২০১৬
  • ৫৪৩ বার

পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারকে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের সময় দুটি বিকল্প পথ বেছে দেয়া হয়, হয় তিনি পুলিশ বাহিনী থেকে সরে দাঁড়াবেন, নয়তো হত্যা মামলার আসামি হয়ে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে।

এতে বাবুল আক্তার সরে যাওয়ার সম্মতি জানালে সেদিনই পদত্যাগপত্রে সই নেয়া হয়। খবর : দ্য ডেইলি স্টারের।

দ্য ডেইলি স্টারে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, গত শুক্রবার বাবুল আক্তারকে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে ১৫ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এসময় ডিআইজি পদমর্যাদার তিনজন কর্মকর্তা তাকে জানান, তাদের কাছে মিতু হত্যার তথ্য-প্রমাণ রয়েছে।

এরপর বাবুলকে দুটি পথ বেছে নিতে বলা হয়, একটি হচ্ছে পুলিশের ভাবমূর্তি রক্ষায় পদত্যাগ করা আর অন্যটি হচ্ছে বিচারের মুখোমুখি হওয়া।

প্রথম পথ

বেছে নিয়ে বাবুল আক্তার পদত্যাগ করার সম্মতি দেন। পরে পদত্যাগপত্রে তার সই নেয়া হয়। তবে এটি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে পুলিশ সদর দফতরে জমা পড়েনি।

বাবুলের পরিবারের একজন জানান, বাবুল এর সঙ্গে জড়িত নন, তার সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা ভেবেই তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

বাবুলের শ্বশুর মোশাররফ হোসেন বলেন, তিনি এখনো বিশ্বাস করেন যে, বাবুল এ ঘটনায় জড়িত নন। মিতু হত্যায় বাবুলের জড়িত থাকার বিষয়ে যেসব প্রশ্ন তোলা হচ্ছে, তার সবই অপ্রাসঙ্গিক।

উল্লেখ্য, গত শুক্রবার দিবাগত রাত সোয়া ১২টার দিকে শ্বশুরবাড়ি খিলগাঁও মেরাদিয়া ১২০ নম্বর বাসা থেকে বাবুল আক্তারকে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। বাবুল আক্তারের শ্বশুরও পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।

এদিকে মাহমুদা খানম মিতু হত্যায় জড়িত সন্দেহে পাঁচজনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে পুলিশ। বুধবার চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) পক্ষ থেকে এ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।

তারা হলেন মুসা, রাশেদ, নবী, শাজাহান ও কালু। গত ৫ জুন মিতু হত্যাকাণ্ডে তারা সরাসরি জড়িত ছিলেন বলে পুলিশ কর্মকর্তাদের ধারণা।

আটক ওয়াসিম ও আনোয়ারকে গত শনিবার গ্রেফতারের পর চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) কমিশনার বলেছিলেন, মিতু হত্যাকাণ্ডে সাত-আটজন অংশ নিয়েছিল। তার মধ্যে ওয়াসিম গুলি চালান, আনোয়ার পর্যবেক্ষণে ছিলেন।

তাদের জবানবন্দির ভিত্তিতে মিতু হত্যাকাণ্ডে অস্ত্র জোগানদাতা এহতেশামুল হক ভোলা ও মনির হোসেন নামে দুজনকে মঙ্গলবার গ্রেফতারের কথা জানায় পুলিশ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি

পদত্যাগপত্রে সই করেছেন এসপি বাবুল আক্তার

আপডেট টাইম : ১২:০৬:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ জুলাই ২০১৬

পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারকে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের সময় দুটি বিকল্প পথ বেছে দেয়া হয়, হয় তিনি পুলিশ বাহিনী থেকে সরে দাঁড়াবেন, নয়তো হত্যা মামলার আসামি হয়ে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে।

এতে বাবুল আক্তার সরে যাওয়ার সম্মতি জানালে সেদিনই পদত্যাগপত্রে সই নেয়া হয়। খবর : দ্য ডেইলি স্টারের।

দ্য ডেইলি স্টারে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, গত শুক্রবার বাবুল আক্তারকে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে ১৫ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এসময় ডিআইজি পদমর্যাদার তিনজন কর্মকর্তা তাকে জানান, তাদের কাছে মিতু হত্যার তথ্য-প্রমাণ রয়েছে।

এরপর বাবুলকে দুটি পথ বেছে নিতে বলা হয়, একটি হচ্ছে পুলিশের ভাবমূর্তি রক্ষায় পদত্যাগ করা আর অন্যটি হচ্ছে বিচারের মুখোমুখি হওয়া।

প্রথম পথ

বেছে নিয়ে বাবুল আক্তার পদত্যাগ করার সম্মতি দেন। পরে পদত্যাগপত্রে তার সই নেয়া হয়। তবে এটি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে পুলিশ সদর দফতরে জমা পড়েনি।

বাবুলের পরিবারের একজন জানান, বাবুল এর সঙ্গে জড়িত নন, তার সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা ভেবেই তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

বাবুলের শ্বশুর মোশাররফ হোসেন বলেন, তিনি এখনো বিশ্বাস করেন যে, বাবুল এ ঘটনায় জড়িত নন। মিতু হত্যায় বাবুলের জড়িত থাকার বিষয়ে যেসব প্রশ্ন তোলা হচ্ছে, তার সবই অপ্রাসঙ্গিক।

উল্লেখ্য, গত শুক্রবার দিবাগত রাত সোয়া ১২টার দিকে শ্বশুরবাড়ি খিলগাঁও মেরাদিয়া ১২০ নম্বর বাসা থেকে বাবুল আক্তারকে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। বাবুল আক্তারের শ্বশুরও পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।

এদিকে মাহমুদা খানম মিতু হত্যায় জড়িত সন্দেহে পাঁচজনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে পুলিশ। বুধবার চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) পক্ষ থেকে এ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।

তারা হলেন মুসা, রাশেদ, নবী, শাজাহান ও কালু। গত ৫ জুন মিতু হত্যাকাণ্ডে তারা সরাসরি জড়িত ছিলেন বলে পুলিশ কর্মকর্তাদের ধারণা।

আটক ওয়াসিম ও আনোয়ারকে গত শনিবার গ্রেফতারের পর চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) কমিশনার বলেছিলেন, মিতু হত্যাকাণ্ডে সাত-আটজন অংশ নিয়েছিল। তার মধ্যে ওয়াসিম গুলি চালান, আনোয়ার পর্যবেক্ষণে ছিলেন।

তাদের জবানবন্দির ভিত্তিতে মিতু হত্যাকাণ্ডে অস্ত্র জোগানদাতা এহতেশামুল হক ভোলা ও মনির হোসেন নামে দুজনকে মঙ্গলবার গ্রেফতারের কথা জানায় পুলিশ।