ঢাকা ০১:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে: দিনেশ ত্রিবেদীকে হুমায়ুন কবির

‘বেগম পাড়ায়’ বাড়ির মালিকদের ৯০ ভাগ আমলা: জাপা নেতা গোলাম কিবরিয়া

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:০৩:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জুন ২০২৩
  • ২২৪ বার

যারা বিদেশে টাকা পাচার করে ‘বেগম পাড়ায়’ বাড়ি করেছেন তাদের ৯০ ভাগ আমলা বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির (জাপা) সংসদ সদস্য গোলাম কিবরিয়া। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে ২০২৩–’২৪ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন।

বিরোধী দলের সংসদ সদস্য গোলাম কিবরিয়া বলেন, ‘এতদিন শোনা যেত কানাডায় বেগম পাড়া। কতদিন আগে দেখা গেল লন্ডনে বেগম পাড়া।

বেগম পাড়া বলতে মানুষ মনে করে এটা সংসদ সদস্যরা করেছেন। যারা টাকা পাচার করে বিদেশে বাড়ি করেছেন, যাদের কারণে বেগম পাড়া নামটি এসেছে, তাদের শতকরা ৯০ ভাগ আমলা। ’

গোলাম কিবরিয়া বলেন, ‘আগে মানুষ মনে করতো একটি বিশেষ বাহিনী ঘুষ খায়। এখন এমন কোনো দপ্তর নেই যেখানে ঘুষ খায় না। যারা ঘুষ খান না, দুর্নীতি করেন না তারা এখন সংখ্যালঘু, তারা দুর্বল ও বোকা কর্মকর্তা। তাদের তেমন কোনো কাজও নেই। ’

তিনি বলেন, ‘এখন বড় বড় রাঘব বোয়ালরা আর টাকা বা ডলারে ঘুষ খান না। তারা এখন স্বর্ণের বার ঘুষ হিসেবে নেন। সব জায়গায় সিন্ডিকেট করে কর্মকর্তারা দুর্নীতি করেন। টাকা না দিলে কাজ হয় না। মাসের পর মাস ঘুরতে হয়। কার্যালয়ে গিয়ে কর্মকর্তাদের পাওয়া যায় না। ’

বড় বড় রাঘব-বোয়াল খুঁজে বের করার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা যদি জানতে পারি, তাহলে দেশে যাদের জানার দায়িত্ব তারা কেন জানবে না? তারা অবশ্যই জানে। না জানলে তাদের বাদ দিয়ে যারা জানে তাদের দায়িত্ব দেন। এমন লোক বসান, যারা বসলে ঘুষ, দুর্নীতি বন্ধ হবে। ’

তিনি বলেন, ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম বাংলাদেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এই পার্বত্য চট্টগ্রামকে জনগণের শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনী পাঠানো দরকার। পার্বত্য চট্টগ্রামের জন্য কমপক্ষে ৩ লাখ সেনা সদস্য দরকার। সেই সঙ্গে আধা সামরিক বাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কমপক্ষে ৫ লাখ সদস্য দরকার, যাতে একজন লোকও অপহরণের শিকার না হয়, কারও প্রাণ না যায়। ’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

‘বেগম পাড়ায়’ বাড়ির মালিকদের ৯০ ভাগ আমলা: জাপা নেতা গোলাম কিবরিয়া

আপডেট টাইম : ১১:০৩:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জুন ২০২৩

যারা বিদেশে টাকা পাচার করে ‘বেগম পাড়ায়’ বাড়ি করেছেন তাদের ৯০ ভাগ আমলা বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির (জাপা) সংসদ সদস্য গোলাম কিবরিয়া। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে ২০২৩–’২৪ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন।

বিরোধী দলের সংসদ সদস্য গোলাম কিবরিয়া বলেন, ‘এতদিন শোনা যেত কানাডায় বেগম পাড়া। কতদিন আগে দেখা গেল লন্ডনে বেগম পাড়া।

বেগম পাড়া বলতে মানুষ মনে করে এটা সংসদ সদস্যরা করেছেন। যারা টাকা পাচার করে বিদেশে বাড়ি করেছেন, যাদের কারণে বেগম পাড়া নামটি এসেছে, তাদের শতকরা ৯০ ভাগ আমলা। ’

গোলাম কিবরিয়া বলেন, ‘আগে মানুষ মনে করতো একটি বিশেষ বাহিনী ঘুষ খায়। এখন এমন কোনো দপ্তর নেই যেখানে ঘুষ খায় না। যারা ঘুষ খান না, দুর্নীতি করেন না তারা এখন সংখ্যালঘু, তারা দুর্বল ও বোকা কর্মকর্তা। তাদের তেমন কোনো কাজও নেই। ’

তিনি বলেন, ‘এখন বড় বড় রাঘব বোয়ালরা আর টাকা বা ডলারে ঘুষ খান না। তারা এখন স্বর্ণের বার ঘুষ হিসেবে নেন। সব জায়গায় সিন্ডিকেট করে কর্মকর্তারা দুর্নীতি করেন। টাকা না দিলে কাজ হয় না। মাসের পর মাস ঘুরতে হয়। কার্যালয়ে গিয়ে কর্মকর্তাদের পাওয়া যায় না। ’

বড় বড় রাঘব-বোয়াল খুঁজে বের করার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা যদি জানতে পারি, তাহলে দেশে যাদের জানার দায়িত্ব তারা কেন জানবে না? তারা অবশ্যই জানে। না জানলে তাদের বাদ দিয়ে যারা জানে তাদের দায়িত্ব দেন। এমন লোক বসান, যারা বসলে ঘুষ, দুর্নীতি বন্ধ হবে। ’

তিনি বলেন, ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম বাংলাদেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এই পার্বত্য চট্টগ্রামকে জনগণের শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনী পাঠানো দরকার। পার্বত্য চট্টগ্রামের জন্য কমপক্ষে ৩ লাখ সেনা সদস্য দরকার। সেই সঙ্গে আধা সামরিক বাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কমপক্ষে ৫ লাখ সদস্য দরকার, যাতে একজন লোকও অপহরণের শিকার না হয়, কারও প্রাণ না যায়। ’