ঢাকা ০৮:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল দুর্ঘটনায় আহত প্রবাসীর চিকিৎসায় সহায়তার হাত বাড়ালেন ছাত্রদল নেতা নিরাপত্তা যেন দূরে ঠেলে না দেয় : প্রধানমন্ত্রী ঐক্য ও সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে ওবামার প্রেসিডেন্সিয়াল সেন্টার উদ্বোধন মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির সুবাতাস এই সপ্তাহে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে দর্শকদের জন্য যা থাকছে সংসদে প্রবেশের সময় মাথা নত করার প্রথা বিলুপ্ত করায় স্পিকারকে মোবারকবাদ মুহিউদ্দীনের শাকিরার প্রেম-বিচ্ছেদের গল্প শিক্ষা খাতে ৮৩ হাজারো মামলার জটে আটকা শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ: শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা অনুষ্ঠিত

শিশু দিনদিন ফ্যাকাসে হয়ে যাচ্ছে? যা করবেন

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:৫৪:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ মে ২০২৩
  • ২২৬ বার
রক্তশূন্যতার উপসর্গ নিয়ে যখন কোনো শিশুকে আনা হয় তখন যেসব রোগে শিশু আক্রান্ত হতে পারে বলে প্রথমে ধারণা জন্মে—

আয়রন ঘাটতিজনিত রক্তশূন্যতা : যার অন্যতম প্রধান কারণ হলো বক্রকৃমি সংক্রমণ।

থ্যালাসেমিয়া : বংশগত রোগ

অ্যাপ্লাসটিক অ্যানিমিয়া : রক্তকোষ উৎপাদনে বাধা

কিডনির দীর্ঘমেয়াদি অসুখ : ক্রোনিক রেনাল ফেইলিওর

তীব্র ব্লাড ক্যান্সার : এএলএল

এদের মধ্যে আয়রন ঘাটতিজনিত রক্তশূন্যতায় বেশ ভোগে এ দেশের শিশুরা। শিশুর রক্তের হিমোগ্লোবিনের মাত্রা যদি তার বয়স ও লিঙ্গ অনুযায়ী স্বাভাবিক মানের নিচে থাকে, তবে সে রক্তস্বল্পতায় ভুগছে বলা যায়। এক বছর বয়স থেকে বয়ঃসন্ধিকাল পর্যন্ত সাধারণভাবে শিশুর হিমোগ্লোবিন ১১ গ্রাম/ডেসি লিটারের নিচে থাকা রক্তস্বল্পতার নির্দেশক।

শিশুর আয়রন ঘাটতিজনিত রক্তশূন্যতার প্রধান কারণ

–   অপরিণতভাবে জম্ম নেওয়া, শিশু লো বার্থওয়েট (জন্ম ওজন দুই হাজার ৫০০ গ্রাম বা তার নিচে)

–   বক্রকৃমি সংক্রমণ

–   দীর্ঘদিন ধরে শুধু বুকের দুধ চালিয়ে যাওয়া

–   ছয় মাস বয়স থেকে শিশুকে বুকের দুধের পাশাপাশি পরিপূরক খাবার না খাওয়ানো

রোগচিত্র

–   কোনো উপসর্গ প্রথমদিকে না-ও থাকতে পারে

–   শিশুকে ফ্যাকাসে দেখায়

–   ক্লান্তিভাব

–   খাবারে রুচি নেই

–   শিশু ছাই, কয়লা, কাদামাটি—এসব অ-খাবার খেয়ে ফেলে

–   বুদ্ধি কম

–   মানসিক বিকাশে পিছিয়ে

–   আয়রনজনিত সমস্যা

–   শিশুর মাঝেমধ্যে শ্বাসরোধ উপসর্গ (ব্রেথ হোল্ডিং অ্যাটাক)

–   বারবার শ্বাসে শাঁইশাঁই শব্দ শোনা যায়

ল্যাব পরীক্ষা : সিবিসি, পিবিএফ, হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কম, রক্তকণিকার নানা তথ্য বিশ্লেষণ, সিরাম আয়রন ও ফেরিটিন মাত্রা কমে যাওয়া, টিআইবিসি মান বেড়ে যাওয়া।

মলে রক্ত : যদি বক্রকৃমি সংক্রমণ হয়

ব্যবস্থাপনা

–   শিশুকে সবুজ শাকসবজি, লিভার, আনাজ কলা—এসব খাদ্য বেশি খাওয়ানো।

–   বিশেষজ্ঞ প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী শিশুকে আয়রন সিরাপ বা ট্যাবলেট খাওয়াতে হবে।

–   কম জন্ম ওজনের শিশুকে ছয় মাস বয়স পর্যন্ত শুধু বুকের দুধ পান এবং ছয় সপ্তাহ বয়স থেকে তিন মাসের জন্য আয়রন ওষুধ সেবন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

শিশু দিনদিন ফ্যাকাসে হয়ে যাচ্ছে? যা করবেন

আপডেট টাইম : ১২:৫৪:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ মে ২০২৩
রক্তশূন্যতার উপসর্গ নিয়ে যখন কোনো শিশুকে আনা হয় তখন যেসব রোগে শিশু আক্রান্ত হতে পারে বলে প্রথমে ধারণা জন্মে—

আয়রন ঘাটতিজনিত রক্তশূন্যতা : যার অন্যতম প্রধান কারণ হলো বক্রকৃমি সংক্রমণ।

থ্যালাসেমিয়া : বংশগত রোগ

অ্যাপ্লাসটিক অ্যানিমিয়া : রক্তকোষ উৎপাদনে বাধা

কিডনির দীর্ঘমেয়াদি অসুখ : ক্রোনিক রেনাল ফেইলিওর

তীব্র ব্লাড ক্যান্সার : এএলএল

এদের মধ্যে আয়রন ঘাটতিজনিত রক্তশূন্যতায় বেশ ভোগে এ দেশের শিশুরা। শিশুর রক্তের হিমোগ্লোবিনের মাত্রা যদি তার বয়স ও লিঙ্গ অনুযায়ী স্বাভাবিক মানের নিচে থাকে, তবে সে রক্তস্বল্পতায় ভুগছে বলা যায়। এক বছর বয়স থেকে বয়ঃসন্ধিকাল পর্যন্ত সাধারণভাবে শিশুর হিমোগ্লোবিন ১১ গ্রাম/ডেসি লিটারের নিচে থাকা রক্তস্বল্পতার নির্দেশক।

শিশুর আয়রন ঘাটতিজনিত রক্তশূন্যতার প্রধান কারণ

–   অপরিণতভাবে জম্ম নেওয়া, শিশু লো বার্থওয়েট (জন্ম ওজন দুই হাজার ৫০০ গ্রাম বা তার নিচে)

–   বক্রকৃমি সংক্রমণ

–   দীর্ঘদিন ধরে শুধু বুকের দুধ চালিয়ে যাওয়া

–   ছয় মাস বয়স থেকে শিশুকে বুকের দুধের পাশাপাশি পরিপূরক খাবার না খাওয়ানো

রোগচিত্র

–   কোনো উপসর্গ প্রথমদিকে না-ও থাকতে পারে

–   শিশুকে ফ্যাকাসে দেখায়

–   ক্লান্তিভাব

–   খাবারে রুচি নেই

–   শিশু ছাই, কয়লা, কাদামাটি—এসব অ-খাবার খেয়ে ফেলে

–   বুদ্ধি কম

–   মানসিক বিকাশে পিছিয়ে

–   আয়রনজনিত সমস্যা

–   শিশুর মাঝেমধ্যে শ্বাসরোধ উপসর্গ (ব্রেথ হোল্ডিং অ্যাটাক)

–   বারবার শ্বাসে শাঁইশাঁই শব্দ শোনা যায়

ল্যাব পরীক্ষা : সিবিসি, পিবিএফ, হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কম, রক্তকণিকার নানা তথ্য বিশ্লেষণ, সিরাম আয়রন ও ফেরিটিন মাত্রা কমে যাওয়া, টিআইবিসি মান বেড়ে যাওয়া।

মলে রক্ত : যদি বক্রকৃমি সংক্রমণ হয়

ব্যবস্থাপনা

–   শিশুকে সবুজ শাকসবজি, লিভার, আনাজ কলা—এসব খাদ্য বেশি খাওয়ানো।

–   বিশেষজ্ঞ প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী শিশুকে আয়রন সিরাপ বা ট্যাবলেট খাওয়াতে হবে।

–   কম জন্ম ওজনের শিশুকে ছয় মাস বয়স পর্যন্ত শুধু বুকের দুধ পান এবং ছয় সপ্তাহ বয়স থেকে তিন মাসের জন্য আয়রন ওষুধ সেবন।