,

Close up of a doctor and patient hands discussing something while sitting at the table . Medicine and health care concept

কীভাবে বুঝবেন কোলন ক্যান্সার?

হাওর বার্তা ডেস্কঃ মলদ্বারের রোগগুলোর মধ্যে সবচেয়ে আক্রমনাত্মক হচ্ছে কোলন ক্যান্সার।  তাজা এবং অনেক সময় ফিনকি দিয়ে রক্ত বের হয়ে আসা, মাঝে মাঝে রক্তপড়া, সাধারণত ব্যথা থাকে না, মাংসপিন্ড ঝুলে পড়া এসব মলদ্বারের জটিল রোগের লক্ষণ।

এনাল ফিশার

মলত্যাগে প্রচন্ড ব্যথা, জ্বালা যন্ত্রণা, পায়খানা গায়ে লেগে রক্ত যাওয়া বা টিস্যু পেপারে রক্ত দেখা এবং হাতে গেজের মত লাগা।

ফিস্টুলা

মাঝে মাঝে ব্যথা হওয়া, ফুলে যাওয়া, পুঁজ রক্ত পড়া, হাতের মধ্যে শক্ত কিছু একটা লাগা।

ক্যান্সার

কোলনের ডান পাশে ক্যান্সার- পেটের ডান পাশে ও নীচে সাধারণত চাকা নিয়ে রোগীরা আসে। শারীরিক দুর্বলতা বেশি থাকে।

কোলনের বাম পাশে- হঠাৎ খাদ্যনালী বন্ধ হয়ে পেট ফোলা নিয়ে এই রোগীরা আসে। বাম পাশের নিচের দিকে হলে পায়খানার সাথে মিশানো রক্ত নিয়ে রোগীরা আসতে পারে। অনিয়মিত পায়খানা, কোষ্ঠকাঠিন্য ইত্যাদি উপসর্গ নিয়েও রোগীরা আসে।

রেকটাম ক্যান্সার

মল ত্যাগের সময় রক্তপড়া (পায়খানার সাথে মিশানো) মল ত্যাগের অভ্যাসের পরিবর্তন, ঘনঘন মল ত্যাগ, সব সময় মল ত্যাগের ইচ্ছা এবং মলদ্বার খালি না হওয়া ইত্যাদি উপসর্গই প্রধান। পুরাতন হলে মলদ্বারে ব্যথা, মাজার ব্যথা, পায়ে ব্যথা নিয়েও আসতে পারে।

ছড়িয়ে পড়া ক্যান্সার

পেটে পানি, পেটে চাকা, জন্ডিস, শ্বাসকষ্ট, কাশি, হাতে-পায়ে ব্যথা, মাজার ব্যথা ও ওজন কমে যাওয়া ইত্যাদি।

Print Friendly, PDF & Email

     এ ক্যাটাগরীর আরো খবর