ঢাকা ০৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

বাংলার বাদশা’র দাম ২৫ লাখ টাকা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০১:১১:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ জুলাই ২০২২
  • ১৯৫ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ জেলার সবচেয়ে বড় গরুটি এখন আড়াইহাজারে। নাম ‘বাংলার বাদশা’। বাংলার বাদশাকে দেখতে প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকজন ছুটে আসছেন। বিশাল আকৃতির এই গরুর ২০১ সেন্টিমিটার উচ্চতা, ৩৩৫ সেন্টিমিটার লম্বা আর ওজনে  প্রায় ১ হাজার ২ শত কেজি বা ৩০ মণ। গরুর মালিক এর দাম হাঁকিয়েছেন ২৫ লাখ টাকা। ফ্রিজিয়ান জাতের এ ষাঁড়টি তিন বছর ধরে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে  লালন পালন করে আসছে আমিষ এগ্রো।

‘আমিষ এগ্রো’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক মতিউর রহমান বিল্লাল জানান, বাংলার বাদশাকে দেখাশোনা করেন দুইজন লোক। তার খাবারের তালিকায় আছে প্রতিদিন প্রায় ৫ কেজি ভেজানো ছোলা, গমের ভুসি, ভুট্টা ভাঙ্গা, সয়াবিন মিল, সরিষার খোল, রাইস পলিশ এবং সবুজ কাঁচা ঘাস। ফ্রিজিয়ান জাতের এই গরুকে প্রতিদিন দুইবার করে গোসল করাতে হয়। গরুর দাম ২৫ লাখ টাকা চাওয়া হচ্ছে।

মতিউর রহমান বিল্লাল  বলেন, বাংলার বাদশার খাবারের জন্য প্রতিদিন প্রায় হাজার টাকা ব্যয় হয়। জেলার বিভিন্ন খামার ঘুরে দেখেছি সে অনুযায়ী আমি দাবি করতে পারি যে, এই গুরুই বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ জেলার সবচেয়ে বড় গরু। কয়েক বছর ধরে ষাঁড়টি লালন-পালন করে আসছি। ঈদে বিক্রি হয়ে যাবে, এটা ভাবতেই খারাপ লাগছে। এবার ঈদে যদি বাইরে থেকে গরু না আসে, তাহলে হয়তো আমরা আমাদের প্রকৃত মূল্য পাবো। আশা করি ষাঁড়ের ন্যায্য দাম পাবো। দেখতে আকর্ষণীয় হওয়ায় ষাঁড়টি দেখতে প্রতিদিনই ভিড় জমাচ্ছেন বিভিন্ন এলাকার মানুষ। সরাসরি যোগাযোগ করে যে কেউ গরুটি কিনতে পারবেন অথবা চাইলে যে কেউ ঘরে বসে অনলাইনে গরুটি ক্রয় করতে পারবেন।

মতিউর রহমান বিল্লাল জানান, তাদের কাছে ৫০ হাজার থেকে শুরু করে ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত আরও পাঁচশতাধিক গরু, ১০ হাজার থেকে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত শতাধিক ছাগল, ৮০ হাজার থেকে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ৫৪টি দুম্বা কোরবানির জন্য বিক্রয় উপযোগী রয়েছে।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা বাসনা আখতার বলেন, এবারো ক্রেতাদের চাহিদা ও সুবিধার কথা চিন্তা করে হাটের পাশাপাশি অনলাইনে গরু কেনাবেচার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। অনলাইন খামারে গরু বেচাকেনা জমে উঠেছে। এবার অনলাইনে পশু বিক্রি ২০০ কোটি টাকা ছাড়াতে পারে বলে খামারিরা আশা প্রকাশ করেছেন। হাটগুলোতে থাকবে প্রাণিসম্পদের মেডিক্যাল টিম। বাইরে থেকে দেশে গরু আসবে না। তাই আশা করি খামারিরা ন্যায্য দামই পাবেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

বাংলার বাদশা’র দাম ২৫ লাখ টাকা

আপডেট টাইম : ০১:১১:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ জুলাই ২০২২

হাওর বার্তা ডেস্কঃ জেলার সবচেয়ে বড় গরুটি এখন আড়াইহাজারে। নাম ‘বাংলার বাদশা’। বাংলার বাদশাকে দেখতে প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকজন ছুটে আসছেন। বিশাল আকৃতির এই গরুর ২০১ সেন্টিমিটার উচ্চতা, ৩৩৫ সেন্টিমিটার লম্বা আর ওজনে  প্রায় ১ হাজার ২ শত কেজি বা ৩০ মণ। গরুর মালিক এর দাম হাঁকিয়েছেন ২৫ লাখ টাকা। ফ্রিজিয়ান জাতের এ ষাঁড়টি তিন বছর ধরে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে  লালন পালন করে আসছে আমিষ এগ্রো।

‘আমিষ এগ্রো’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক মতিউর রহমান বিল্লাল জানান, বাংলার বাদশাকে দেখাশোনা করেন দুইজন লোক। তার খাবারের তালিকায় আছে প্রতিদিন প্রায় ৫ কেজি ভেজানো ছোলা, গমের ভুসি, ভুট্টা ভাঙ্গা, সয়াবিন মিল, সরিষার খোল, রাইস পলিশ এবং সবুজ কাঁচা ঘাস। ফ্রিজিয়ান জাতের এই গরুকে প্রতিদিন দুইবার করে গোসল করাতে হয়। গরুর দাম ২৫ লাখ টাকা চাওয়া হচ্ছে।

মতিউর রহমান বিল্লাল  বলেন, বাংলার বাদশার খাবারের জন্য প্রতিদিন প্রায় হাজার টাকা ব্যয় হয়। জেলার বিভিন্ন খামার ঘুরে দেখেছি সে অনুযায়ী আমি দাবি করতে পারি যে, এই গুরুই বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ জেলার সবচেয়ে বড় গরু। কয়েক বছর ধরে ষাঁড়টি লালন-পালন করে আসছি। ঈদে বিক্রি হয়ে যাবে, এটা ভাবতেই খারাপ লাগছে। এবার ঈদে যদি বাইরে থেকে গরু না আসে, তাহলে হয়তো আমরা আমাদের প্রকৃত মূল্য পাবো। আশা করি ষাঁড়ের ন্যায্য দাম পাবো। দেখতে আকর্ষণীয় হওয়ায় ষাঁড়টি দেখতে প্রতিদিনই ভিড় জমাচ্ছেন বিভিন্ন এলাকার মানুষ। সরাসরি যোগাযোগ করে যে কেউ গরুটি কিনতে পারবেন অথবা চাইলে যে কেউ ঘরে বসে অনলাইনে গরুটি ক্রয় করতে পারবেন।

মতিউর রহমান বিল্লাল জানান, তাদের কাছে ৫০ হাজার থেকে শুরু করে ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত আরও পাঁচশতাধিক গরু, ১০ হাজার থেকে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত শতাধিক ছাগল, ৮০ হাজার থেকে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ৫৪টি দুম্বা কোরবানির জন্য বিক্রয় উপযোগী রয়েছে।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা বাসনা আখতার বলেন, এবারো ক্রেতাদের চাহিদা ও সুবিধার কথা চিন্তা করে হাটের পাশাপাশি অনলাইনে গরু কেনাবেচার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। অনলাইন খামারে গরু বেচাকেনা জমে উঠেছে। এবার অনলাইনে পশু বিক্রি ২০০ কোটি টাকা ছাড়াতে পারে বলে খামারিরা আশা প্রকাশ করেছেন। হাটগুলোতে থাকবে প্রাণিসম্পদের মেডিক্যাল টিম। বাইরে থেকে দেশে গরু আসবে না। তাই আশা করি খামারিরা ন্যায্য দামই পাবেন।