ঢাকা ১০:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
জুলাই স্মৃতি জাদুঘর থেকে ভাস্কর্য অপসারণের দাবি হেফাজতের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ শিবলী ওএসডি রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, তিন যুগ পর ভোটগ্রহণ অধিবেশন ডাকা হবে না: চিফ হুইপ ম্যানেজিং কমিটির হাতে যাচ্ছে শিক্ষক নিয়োগ, ছাত্রদল সভাপতি বললেন ‘গুজব’ ঢাকায় ‘র’ প্রধানের রহস্যজনক সফর আদালতে আসেননি পরীমনি, মাদক মামলায় অভিযোগ গঠন শুনানি পেছাল ‘ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়, গায়ে পড়ে ঝগড়া বাধাতে আসবেন না’ মন্ত্রিসভায় অনুমোদন বিতর্কিত মালিকদের হাতে ফিরছে না একীভূত ৫ ব্যাংকের মালিকানা প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও থাকছে না পোস্টার, আচরণবিধি চূড়ান্ত করল ইসি

কাঁচা বাজারে এ সপ্তাহে আগুন লাগিয়েছে বেগুন

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৩১:১২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মে ২০২২
  • ২১৩ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে অনেকটাই অপরিবর্তিত রয়েছে সবজি দাম। তবে অন্যান্য সবজির মধ্যে আজ বেগুনের দাম সবচেয়ে বেশি। বাজারে এক কেজি বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়। সবচেয়ে কম দামে ৪০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে প্রতি কেজি ঢেঁড়স।

শুক্রবার (২৭ মে) সকালে রাজধানীর রায়ের বাজার এবং সাদেক খান কৃষি মার্কেট ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বিক্রেতারা বলছেন, বাজারে সবজির সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। আগের সপ্তাহের মতো এ সপ্তাহেও সবজির বাজার ৪০-৮০ টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ। দাম একই থেকে শুধু সবজির পরিবর্তন হয়েছে। এদিকে, বরাবরের মতোই সবজি দাম নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে বাজারে আসা ক্রেতারা।

 

বাজার ঘুরে দেখে গেছে, প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ১২০ টাকা, বেগুন ৭০-৮০ টাকা, ধনিয়া পাতা ১২০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, কাঁকরোল ৮০ টাকা, টমেটো ৭০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা, চিচিঙ্গা ৬০ টাকা, পটল ৬০ টাকা, শসা ৬০ টাকা, কচুর মুখি ৬০ টাকা, কচুর লতি ৫০ টাকা, মূলা ৫০ টাকা, ধুন্দল ৫০ টাকা, ঝিঙ্গা ৫০ টাকা, পেঁপে ৫০ টাকা, ঢেঁড়স ৪০ টাকা এবং বগুড়ার লাল আলু ৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে লাউ ৫০ টাকা (আকার ভেদে), ফুলকপি ও বাঁধাকপি ৪০ টাকা ও চাল কুমড়া ৪০ টাকা পিস হিসেবে এবং মিষ্টি কুমড়ার ফালি ৩০ টাকা, কাঁচা কলা ৪০ টাকা ও লেবু ২০ টাকা হালি হিসেবে বিক্রি হচ্ছে।

তবে পাইকারি বাজার সাদেক খান কৃষি মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে কিছুটা ভিন্ন চিত্র। সেখানে সব পণ্যের দামই খুচরা বাজারের চেয়ে ২০-৩০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে।

 

খুচরা বাজারের ক্রেতা জাহিদ আহসান  বলেন, বাজারে আসলেই মেজাজ খিটখিটে হয় যায়। কাউকেই তো কিছু বলার নেই। সাপ্তাহিক বাজারে সবজির জন্যই প্রায় এক হাজার টাকা বরাদ্দ রাখতে হয়। মাসে যদি নিজের দেশে চাষ হওয়া সবজির জন্য ৩ থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকা বরাদ্দ রাখতে হয়, তাহলে আর কি বলব!

রায়ের বাজারের সবজি বিক্রেতা হারুণ অর রশিদ বলেন, গত দুই সপ্তাহ ধরে পণ্য সরবরাহ ঠিক আছে। পণ্য বাজার আসতে কোনো অসুবিধা হচ্ছে না। আমরা যদি কম দামে কিনতে পারি, তাহলে ক্রেতাদেরও কম দামে দিতে পারি। ক্রেতারা এটা না বুঝে সব ক্ষোভ আমাদের ওপরই ঝাড়েন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর থেকে ভাস্কর্য অপসারণের দাবি হেফাজতের

কাঁচা বাজারে এ সপ্তাহে আগুন লাগিয়েছে বেগুন

আপডেট টাইম : ১১:৩১:১২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মে ২০২২

হাওর বার্তা ডেস্কঃ রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে অনেকটাই অপরিবর্তিত রয়েছে সবজি দাম। তবে অন্যান্য সবজির মধ্যে আজ বেগুনের দাম সবচেয়ে বেশি। বাজারে এক কেজি বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়। সবচেয়ে কম দামে ৪০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে প্রতি কেজি ঢেঁড়স।

শুক্রবার (২৭ মে) সকালে রাজধানীর রায়ের বাজার এবং সাদেক খান কৃষি মার্কেট ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বিক্রেতারা বলছেন, বাজারে সবজির সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। আগের সপ্তাহের মতো এ সপ্তাহেও সবজির বাজার ৪০-৮০ টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ। দাম একই থেকে শুধু সবজির পরিবর্তন হয়েছে। এদিকে, বরাবরের মতোই সবজি দাম নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে বাজারে আসা ক্রেতারা।

 

বাজার ঘুরে দেখে গেছে, প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ১২০ টাকা, বেগুন ৭০-৮০ টাকা, ধনিয়া পাতা ১২০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, কাঁকরোল ৮০ টাকা, টমেটো ৭০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা, চিচিঙ্গা ৬০ টাকা, পটল ৬০ টাকা, শসা ৬০ টাকা, কচুর মুখি ৬০ টাকা, কচুর লতি ৫০ টাকা, মূলা ৫০ টাকা, ধুন্দল ৫০ টাকা, ঝিঙ্গা ৫০ টাকা, পেঁপে ৫০ টাকা, ঢেঁড়স ৪০ টাকা এবং বগুড়ার লাল আলু ৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে লাউ ৫০ টাকা (আকার ভেদে), ফুলকপি ও বাঁধাকপি ৪০ টাকা ও চাল কুমড়া ৪০ টাকা পিস হিসেবে এবং মিষ্টি কুমড়ার ফালি ৩০ টাকা, কাঁচা কলা ৪০ টাকা ও লেবু ২০ টাকা হালি হিসেবে বিক্রি হচ্ছে।

তবে পাইকারি বাজার সাদেক খান কৃষি মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে কিছুটা ভিন্ন চিত্র। সেখানে সব পণ্যের দামই খুচরা বাজারের চেয়ে ২০-৩০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে।

 

খুচরা বাজারের ক্রেতা জাহিদ আহসান  বলেন, বাজারে আসলেই মেজাজ খিটখিটে হয় যায়। কাউকেই তো কিছু বলার নেই। সাপ্তাহিক বাজারে সবজির জন্যই প্রায় এক হাজার টাকা বরাদ্দ রাখতে হয়। মাসে যদি নিজের দেশে চাষ হওয়া সবজির জন্য ৩ থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকা বরাদ্দ রাখতে হয়, তাহলে আর কি বলব!

রায়ের বাজারের সবজি বিক্রেতা হারুণ অর রশিদ বলেন, গত দুই সপ্তাহ ধরে পণ্য সরবরাহ ঠিক আছে। পণ্য বাজার আসতে কোনো অসুবিধা হচ্ছে না। আমরা যদি কম দামে কিনতে পারি, তাহলে ক্রেতাদেরও কম দামে দিতে পারি। ক্রেতারা এটা না বুঝে সব ক্ষোভ আমাদের ওপরই ঝাড়েন।