ঢাকা ১১:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

কাঁচা বাজারে এ সপ্তাহে আগুন লাগিয়েছে বেগুন

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৩১:১২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মে ২০২২
  • ২০৬ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে অনেকটাই অপরিবর্তিত রয়েছে সবজি দাম। তবে অন্যান্য সবজির মধ্যে আজ বেগুনের দাম সবচেয়ে বেশি। বাজারে এক কেজি বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়। সবচেয়ে কম দামে ৪০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে প্রতি কেজি ঢেঁড়স।

শুক্রবার (২৭ মে) সকালে রাজধানীর রায়ের বাজার এবং সাদেক খান কৃষি মার্কেট ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বিক্রেতারা বলছেন, বাজারে সবজির সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। আগের সপ্তাহের মতো এ সপ্তাহেও সবজির বাজার ৪০-৮০ টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ। দাম একই থেকে শুধু সবজির পরিবর্তন হয়েছে। এদিকে, বরাবরের মতোই সবজি দাম নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে বাজারে আসা ক্রেতারা।

 

বাজার ঘুরে দেখে গেছে, প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ১২০ টাকা, বেগুন ৭০-৮০ টাকা, ধনিয়া পাতা ১২০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, কাঁকরোল ৮০ টাকা, টমেটো ৭০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা, চিচিঙ্গা ৬০ টাকা, পটল ৬০ টাকা, শসা ৬০ টাকা, কচুর মুখি ৬০ টাকা, কচুর লতি ৫০ টাকা, মূলা ৫০ টাকা, ধুন্দল ৫০ টাকা, ঝিঙ্গা ৫০ টাকা, পেঁপে ৫০ টাকা, ঢেঁড়স ৪০ টাকা এবং বগুড়ার লাল আলু ৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে লাউ ৫০ টাকা (আকার ভেদে), ফুলকপি ও বাঁধাকপি ৪০ টাকা ও চাল কুমড়া ৪০ টাকা পিস হিসেবে এবং মিষ্টি কুমড়ার ফালি ৩০ টাকা, কাঁচা কলা ৪০ টাকা ও লেবু ২০ টাকা হালি হিসেবে বিক্রি হচ্ছে।

তবে পাইকারি বাজার সাদেক খান কৃষি মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে কিছুটা ভিন্ন চিত্র। সেখানে সব পণ্যের দামই খুচরা বাজারের চেয়ে ২০-৩০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে।

 

খুচরা বাজারের ক্রেতা জাহিদ আহসান  বলেন, বাজারে আসলেই মেজাজ খিটখিটে হয় যায়। কাউকেই তো কিছু বলার নেই। সাপ্তাহিক বাজারে সবজির জন্যই প্রায় এক হাজার টাকা বরাদ্দ রাখতে হয়। মাসে যদি নিজের দেশে চাষ হওয়া সবজির জন্য ৩ থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকা বরাদ্দ রাখতে হয়, তাহলে আর কি বলব!

রায়ের বাজারের সবজি বিক্রেতা হারুণ অর রশিদ বলেন, গত দুই সপ্তাহ ধরে পণ্য সরবরাহ ঠিক আছে। পণ্য বাজার আসতে কোনো অসুবিধা হচ্ছে না। আমরা যদি কম দামে কিনতে পারি, তাহলে ক্রেতাদেরও কম দামে দিতে পারি। ক্রেতারা এটা না বুঝে সব ক্ষোভ আমাদের ওপরই ঝাড়েন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

কাঁচা বাজারে এ সপ্তাহে আগুন লাগিয়েছে বেগুন

আপডেট টাইম : ১১:৩১:১২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মে ২০২২

হাওর বার্তা ডেস্কঃ রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে অনেকটাই অপরিবর্তিত রয়েছে সবজি দাম। তবে অন্যান্য সবজির মধ্যে আজ বেগুনের দাম সবচেয়ে বেশি। বাজারে এক কেজি বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়। সবচেয়ে কম দামে ৪০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে প্রতি কেজি ঢেঁড়স।

শুক্রবার (২৭ মে) সকালে রাজধানীর রায়ের বাজার এবং সাদেক খান কৃষি মার্কেট ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বিক্রেতারা বলছেন, বাজারে সবজির সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। আগের সপ্তাহের মতো এ সপ্তাহেও সবজির বাজার ৪০-৮০ টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ। দাম একই থেকে শুধু সবজির পরিবর্তন হয়েছে। এদিকে, বরাবরের মতোই সবজি দাম নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে বাজারে আসা ক্রেতারা।

 

বাজার ঘুরে দেখে গেছে, প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ১২০ টাকা, বেগুন ৭০-৮০ টাকা, ধনিয়া পাতা ১২০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, কাঁকরোল ৮০ টাকা, টমেটো ৭০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা, চিচিঙ্গা ৬০ টাকা, পটল ৬০ টাকা, শসা ৬০ টাকা, কচুর মুখি ৬০ টাকা, কচুর লতি ৫০ টাকা, মূলা ৫০ টাকা, ধুন্দল ৫০ টাকা, ঝিঙ্গা ৫০ টাকা, পেঁপে ৫০ টাকা, ঢেঁড়স ৪০ টাকা এবং বগুড়ার লাল আলু ৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে লাউ ৫০ টাকা (আকার ভেদে), ফুলকপি ও বাঁধাকপি ৪০ টাকা ও চাল কুমড়া ৪০ টাকা পিস হিসেবে এবং মিষ্টি কুমড়ার ফালি ৩০ টাকা, কাঁচা কলা ৪০ টাকা ও লেবু ২০ টাকা হালি হিসেবে বিক্রি হচ্ছে।

তবে পাইকারি বাজার সাদেক খান কৃষি মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে কিছুটা ভিন্ন চিত্র। সেখানে সব পণ্যের দামই খুচরা বাজারের চেয়ে ২০-৩০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে।

 

খুচরা বাজারের ক্রেতা জাহিদ আহসান  বলেন, বাজারে আসলেই মেজাজ খিটখিটে হয় যায়। কাউকেই তো কিছু বলার নেই। সাপ্তাহিক বাজারে সবজির জন্যই প্রায় এক হাজার টাকা বরাদ্দ রাখতে হয়। মাসে যদি নিজের দেশে চাষ হওয়া সবজির জন্য ৩ থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকা বরাদ্দ রাখতে হয়, তাহলে আর কি বলব!

রায়ের বাজারের সবজি বিক্রেতা হারুণ অর রশিদ বলেন, গত দুই সপ্তাহ ধরে পণ্য সরবরাহ ঠিক আছে। পণ্য বাজার আসতে কোনো অসুবিধা হচ্ছে না। আমরা যদি কম দামে কিনতে পারি, তাহলে ক্রেতাদেরও কম দামে দিতে পারি। ক্রেতারা এটা না বুঝে সব ক্ষোভ আমাদের ওপরই ঝাড়েন।