ঢাকা ০৫:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
জুলাই স্মৃতি জাদুঘর থেকে ভাস্কর্য অপসারণের দাবি হেফাজতের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ শিবলী ওএসডি রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, তিন যুগ পর ভোটগ্রহণ অধিবেশন ডাকা হবে না: চিফ হুইপ ম্যানেজিং কমিটির হাতে যাচ্ছে শিক্ষক নিয়োগ, ছাত্রদল সভাপতি বললেন ‘গুজব’ ঢাকায় ‘র’ প্রধানের রহস্যজনক সফর আদালতে আসেননি পরীমনি, মাদক মামলায় অভিযোগ গঠন শুনানি পেছাল ‘ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়, গায়ে পড়ে ঝগড়া বাধাতে আসবেন না’ মন্ত্রিসভায় অনুমোদন বিতর্কিত মালিকদের হাতে ফিরছে না একীভূত ৫ ব্যাংকের মালিকানা প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও থাকছে না পোস্টার, আচরণবিধি চূড়ান্ত করল ইসি

ছোলা ও খেজুরের সংকট নেই

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:৩৭:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ মার্চ ২০২২
  • ২০৯ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ  আসন্ন রমজানকে সামনে রেখে নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতি ছুটছিল লাগামহীন ঘোড়ার মতো। তবে সরকারের নানা উদ্যোগ সেই গতিকে থামিয়ে দিয়েছে।

রমজানের আগে রোজাদারদের চাহিদায় থাকা ছোলা ও খেজুরের দামও বেড়ে যাচ্ছিল গত কয়েকদিনে। আমদানি নির্ভর এ দুটি পণ্যের সরবরাহ ও চাহিদা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে পণ্যটির সংকট নেই।

রমজান কেন্দ্রিক পণ্যসমূহের চাহিদা, আমদানি, স্থানীয় বাজারদর, স্থানীয় উৎপাদন ও আমদানি পরিস্থিতি নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে বিভিন্ন সংস্থার করা প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য উঠে এসেছে।

ছোলা
প্রতিবেদনে দেখা গেছে, দেশে বছরে প্রায় এক লাখ মেট্রিক টন ছোলার চাহিদা রয়েছে। এরমধ্যে স্থানীয় উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ৮০ হাজার মেট্রিক টন। আর পবিত্র রমজান মাসে চাহিদা ৮০ হাজার মেট্রিক টন। বছরে প্রায় এক লাখ মেট্রিক টন ছোলা আমদানি করতে হয়। ছোলা আমদানিতে কোনো শুল্ক নেই।

বাজারে বিভিন্ন মানের ছোলা মানভেদে ৭০-৮৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। রমজানের সময় গতবছরও ৭০-৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের জুলাই থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিভিন্ন প্রকার ছোলা আমদানি হয়েছে দুই লাখ ৩৭ হাজার ৪৯৭ দশমিক ৪১ মেট্রিক টন। আর এই সময়ে স্থানীয় উৎপাদন ৫ হাজার ৬০০ মেট্রিক টন।

খেজুর
দেশে বাৎসরিক প্রায় ৪০ হাজার মেট্রিক টন খেজুরের চাহিদা রয়েছে। আর বছরে আমদানি করতে হয় ৫০ হাজার মেট্রিক টন। পবিত্র রমজানে চাহিদা ২৫ হাজার মেট্রিক টন। খেজুর আমদানিতেও কোনো শুল্ক নেই।

বাজারে সাধারণ মানের খেজুর প্রতি কেজি ১৫০ টাকা থেকে ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। গত বছর ১৫০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে। তবে ভালো মানের খেজুরের দাম একটু বেশি। বাজারভেদে খেজুরের দামের তারতম্য রয়েছে।

গত বছরের জুলাই থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিভিন্ন প্রকার খেজুর আমদানি হয়েছে ৪৮ হাজার ১৭৬ দশমিক ২৮ মেট্রিক টন।

রমজানকে সামনে রেখে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের খালাসে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে বন্দর ও শুল্ক স্টেশনগুলোকে নির্দেশনার পাশাপাশি ফেরি পারাপার ও জেলা পুলিশকে অগ্রাধিকার দেওয়া, ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরসহ জেলা ও উপজেলা প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর থেকে ভাস্কর্য অপসারণের দাবি হেফাজতের

ছোলা ও খেজুরের সংকট নেই

আপডেট টাইম : ১২:৩৭:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ মার্চ ২০২২

হাওর বার্তা ডেস্কঃ  আসন্ন রমজানকে সামনে রেখে নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতি ছুটছিল লাগামহীন ঘোড়ার মতো। তবে সরকারের নানা উদ্যোগ সেই গতিকে থামিয়ে দিয়েছে।

রমজানের আগে রোজাদারদের চাহিদায় থাকা ছোলা ও খেজুরের দামও বেড়ে যাচ্ছিল গত কয়েকদিনে। আমদানি নির্ভর এ দুটি পণ্যের সরবরাহ ও চাহিদা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে পণ্যটির সংকট নেই।

রমজান কেন্দ্রিক পণ্যসমূহের চাহিদা, আমদানি, স্থানীয় বাজারদর, স্থানীয় উৎপাদন ও আমদানি পরিস্থিতি নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে বিভিন্ন সংস্থার করা প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য উঠে এসেছে।

ছোলা
প্রতিবেদনে দেখা গেছে, দেশে বছরে প্রায় এক লাখ মেট্রিক টন ছোলার চাহিদা রয়েছে। এরমধ্যে স্থানীয় উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ৮০ হাজার মেট্রিক টন। আর পবিত্র রমজান মাসে চাহিদা ৮০ হাজার মেট্রিক টন। বছরে প্রায় এক লাখ মেট্রিক টন ছোলা আমদানি করতে হয়। ছোলা আমদানিতে কোনো শুল্ক নেই।

বাজারে বিভিন্ন মানের ছোলা মানভেদে ৭০-৮৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। রমজানের সময় গতবছরও ৭০-৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের জুলাই থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিভিন্ন প্রকার ছোলা আমদানি হয়েছে দুই লাখ ৩৭ হাজার ৪৯৭ দশমিক ৪১ মেট্রিক টন। আর এই সময়ে স্থানীয় উৎপাদন ৫ হাজার ৬০০ মেট্রিক টন।

খেজুর
দেশে বাৎসরিক প্রায় ৪০ হাজার মেট্রিক টন খেজুরের চাহিদা রয়েছে। আর বছরে আমদানি করতে হয় ৫০ হাজার মেট্রিক টন। পবিত্র রমজানে চাহিদা ২৫ হাজার মেট্রিক টন। খেজুর আমদানিতেও কোনো শুল্ক নেই।

বাজারে সাধারণ মানের খেজুর প্রতি কেজি ১৫০ টাকা থেকে ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। গত বছর ১৫০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে। তবে ভালো মানের খেজুরের দাম একটু বেশি। বাজারভেদে খেজুরের দামের তারতম্য রয়েছে।

গত বছরের জুলাই থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিভিন্ন প্রকার খেজুর আমদানি হয়েছে ৪৮ হাজার ১৭৬ দশমিক ২৮ মেট্রিক টন।

রমজানকে সামনে রেখে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের খালাসে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে বন্দর ও শুল্ক স্টেশনগুলোকে নির্দেশনার পাশাপাশি ফেরি পারাপার ও জেলা পুলিশকে অগ্রাধিকার দেওয়া, ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরসহ জেলা ও উপজেলা প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।