ঢাকা ০৫:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
জুলাই স্মৃতি জাদুঘর থেকে ভাস্কর্য অপসারণের দাবি হেফাজতের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ শিবলী ওএসডি রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, তিন যুগ পর ভোটগ্রহণ অধিবেশন ডাকা হবে না: চিফ হুইপ ম্যানেজিং কমিটির হাতে যাচ্ছে শিক্ষক নিয়োগ, ছাত্রদল সভাপতি বললেন ‘গুজব’ ঢাকায় ‘র’ প্রধানের রহস্যজনক সফর আদালতে আসেননি পরীমনি, মাদক মামলায় অভিযোগ গঠন শুনানি পেছাল ‘ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়, গায়ে পড়ে ঝগড়া বাধাতে আসবেন না’ মন্ত্রিসভায় অনুমোদন বিতর্কিত মালিকদের হাতে ফিরছে না একীভূত ৫ ব্যাংকের মালিকানা প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও থাকছে না পোস্টার, আচরণবিধি চূড়ান্ত করল ইসি

ব্যাংকে ৫২৮০টি ‘সন্দেহজনক’ লেনদেন শনাক্ত

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৭:৪৩:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ মার্চ ২০২২
  • ২২১ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ দেশে অর্থপাচার সংক্রান্ত লেনদেন বেশি হয়েছে গত অর্থবছরে- এমন তথ্য দিয়েছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসী অর্থায়ন প্রতিরোধে গঠিত সংস্থাটি জানিয়েছে, ২০২০-২১ অর্থবছরে ৫ হাজার ২৮০টি সন্দেহজনক লেনদেন শনাক্ত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স রুমে বিএফআইইউ’র বার্ষিক প্রতিবেদন ২০২০-২১ অর্থবছর এবং বিএফআইইউ’র কার্যক্রম সম্পর্কে জানাতে এক সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য জানায় সংস্থাটি।

বিএফআইইউ জানায়, এর আগে গত ২০১৯-২০ অর্থবছরে অর্থপাচার সংক্রান্ত সন্দেহজনক লেনদেন শনাক্ত হয়েছিল ৩ হাজার ৬৭৫টি। সে হিসাবে দেশে অর্থপাচার এক বছরে বেড়েছে প্রায় ৪৪ শতাংশ।

তবে সব লেনদেনকেই অর্থপাচার বলতে নারাজ বিএফআইইউ কর্মকর্তারা। তাদের ভাষ্য, শুধু দুর্নীতির কারণেই এমন সন্দেহজনক লেনদেন বাড়েনি। তাদের দাবি, বিএফআইইউ’র সক্ষমতা বাড়ানো, কর্মকর্তাদের আরও বেশি নজরদারি, সচেতনতা ও তদারকির কারণেই এত লেনদেন শনাক্ত করা গেছে।

সংবাদ সম্মেলনে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বিএফআইইউ গত ৫ অর্থবছরের সন্দেহজনক সব লেনদেনের হিসাব দেয়। সেখানে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সন্দেহজনক লেনদেন শনাক্ত হয় ২০১৭-১৮ অর্থবছরে। ওই অর্থবছরে লেনদেন হয় ৩ হাজার ৮৭৮টি।

সংবাদ সম্মেলনে নতুন করে অন্য সরকারি সব সংস্থার সঙ্গে নিজেদের তথ্য আদান-প্রদান বাড়িয়েছে বলেও জানায় বিএফআইইউ।

বিএফআইইউ’র প্রধান মাসুদ বিশ্বাস বলেন, ‘আমরা যেসব সন্দেহজনক লেনদেন চিহ্নিত করি, তার ২৬ দশমিক ১ শতাংশ তথ্য আসে গণমাধ্যমে প্রচারিত বিভিন্ন প্রতিবেদন থেকে। ইদানিং ই-কমার্সের মাধ্যমে শত শত অবৈধ লেনদেন হচ্ছে- যা আগের তুলনায় অনেক বেশি।’

তিনি আরও বলেন, গত ৭ মার্চ বিএফআইইউ’র স্বতন্ত্র ওয়েবসাইট উদ্বোধন করা হয়েছে- যেখানে পরিচয় গোপন করে যে কেউ অভিযোগ করতে পারবেন। সেটাকে গুরুত্ব সহকারে দেখবে বিএফআইইউ।

বিএফআইইউর প্রধান মাসুদ বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক ও সহকারী মুখপাত্র আবুল কালাম আজাদ, বিএফআইইউর মহাব্যবস্থাপক এবিএম জহুরুল হুদা, ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) কামাল হোসেনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

বিএফআইইউ সরকারের একটি সংস্থা। অর্থপাচার ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন বন্ধে কাজ করে সংস্থাটি। সন্দেহজনক যে কোনো ধরনের লেনদেন, অর্থপাচার, সন্ত্রাসে অর্থায়ন সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করা এই সংস্থার প্রধান কাজ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর থেকে ভাস্কর্য অপসারণের দাবি হেফাজতের

ব্যাংকে ৫২৮০টি ‘সন্দেহজনক’ লেনদেন শনাক্ত

আপডেট টাইম : ০৭:৪৩:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ মার্চ ২০২২

হাওর বার্তা ডেস্কঃ দেশে অর্থপাচার সংক্রান্ত লেনদেন বেশি হয়েছে গত অর্থবছরে- এমন তথ্য দিয়েছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসী অর্থায়ন প্রতিরোধে গঠিত সংস্থাটি জানিয়েছে, ২০২০-২১ অর্থবছরে ৫ হাজার ২৮০টি সন্দেহজনক লেনদেন শনাক্ত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স রুমে বিএফআইইউ’র বার্ষিক প্রতিবেদন ২০২০-২১ অর্থবছর এবং বিএফআইইউ’র কার্যক্রম সম্পর্কে জানাতে এক সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য জানায় সংস্থাটি।

বিএফআইইউ জানায়, এর আগে গত ২০১৯-২০ অর্থবছরে অর্থপাচার সংক্রান্ত সন্দেহজনক লেনদেন শনাক্ত হয়েছিল ৩ হাজার ৬৭৫টি। সে হিসাবে দেশে অর্থপাচার এক বছরে বেড়েছে প্রায় ৪৪ শতাংশ।

তবে সব লেনদেনকেই অর্থপাচার বলতে নারাজ বিএফআইইউ কর্মকর্তারা। তাদের ভাষ্য, শুধু দুর্নীতির কারণেই এমন সন্দেহজনক লেনদেন বাড়েনি। তাদের দাবি, বিএফআইইউ’র সক্ষমতা বাড়ানো, কর্মকর্তাদের আরও বেশি নজরদারি, সচেতনতা ও তদারকির কারণেই এত লেনদেন শনাক্ত করা গেছে।

সংবাদ সম্মেলনে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বিএফআইইউ গত ৫ অর্থবছরের সন্দেহজনক সব লেনদেনের হিসাব দেয়। সেখানে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সন্দেহজনক লেনদেন শনাক্ত হয় ২০১৭-১৮ অর্থবছরে। ওই অর্থবছরে লেনদেন হয় ৩ হাজার ৮৭৮টি।

সংবাদ সম্মেলনে নতুন করে অন্য সরকারি সব সংস্থার সঙ্গে নিজেদের তথ্য আদান-প্রদান বাড়িয়েছে বলেও জানায় বিএফআইইউ।

বিএফআইইউ’র প্রধান মাসুদ বিশ্বাস বলেন, ‘আমরা যেসব সন্দেহজনক লেনদেন চিহ্নিত করি, তার ২৬ দশমিক ১ শতাংশ তথ্য আসে গণমাধ্যমে প্রচারিত বিভিন্ন প্রতিবেদন থেকে। ইদানিং ই-কমার্সের মাধ্যমে শত শত অবৈধ লেনদেন হচ্ছে- যা আগের তুলনায় অনেক বেশি।’

তিনি আরও বলেন, গত ৭ মার্চ বিএফআইইউ’র স্বতন্ত্র ওয়েবসাইট উদ্বোধন করা হয়েছে- যেখানে পরিচয় গোপন করে যে কেউ অভিযোগ করতে পারবেন। সেটাকে গুরুত্ব সহকারে দেখবে বিএফআইইউ।

বিএফআইইউর প্রধান মাসুদ বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক ও সহকারী মুখপাত্র আবুল কালাম আজাদ, বিএফআইইউর মহাব্যবস্থাপক এবিএম জহুরুল হুদা, ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) কামাল হোসেনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

বিএফআইইউ সরকারের একটি সংস্থা। অর্থপাচার ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন বন্ধে কাজ করে সংস্থাটি। সন্দেহজনক যে কোনো ধরনের লেনদেন, অর্থপাচার, সন্ত্রাসে অর্থায়ন সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করা এই সংস্থার প্রধান কাজ।