ঢাকা ০৬:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
জুলাই স্মৃতি জাদুঘর থেকে ভাস্কর্য অপসারণের দাবি হেফাজতের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ শিবলী ওএসডি রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, তিন যুগ পর ভোটগ্রহণ অধিবেশন ডাকা হবে না: চিফ হুইপ ম্যানেজিং কমিটির হাতে যাচ্ছে শিক্ষক নিয়োগ, ছাত্রদল সভাপতি বললেন ‘গুজব’ ঢাকায় ‘র’ প্রধানের রহস্যজনক সফর আদালতে আসেননি পরীমনি, মাদক মামলায় অভিযোগ গঠন শুনানি পেছাল ‘ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়, গায়ে পড়ে ঝগড়া বাধাতে আসবেন না’ মন্ত্রিসভায় অনুমোদন বিতর্কিত মালিকদের হাতে ফিরছে না একীভূত ৫ ব্যাংকের মালিকানা প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও থাকছে না পোস্টার, আচরণবিধি চূড়ান্ত করল ইসি

ভোজ্যতেলের বাজার লাগামহীন, সোয়া এক বছরে দাম দ্বিগুণ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৪২:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২২
  • ২০৯ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ দেশে ভোজ্যতেলের বাজার এখন লাগামহীন। গেল সোয়া এক বছরে সয়াবিন তেলের দাম বেড়েছে দ্বিগুণ। আন্তর্জাতিক বাজারের দোহাই দিয়ে ঘন ঘন দাম বাড়ানোয় নাভিশ্বাস উঠেছে ভোক্তাদের। কতিপয় তেল ব্যবসায়ীর স্বার্থ রক্ষা করে অযৌক্তকভাবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় দাম বাড়াচ্ছে বলে মনে করে কনজুমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-ক্যাব।

আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ওঠানামা করলেও দেশের বাজারে কেবলই পড়ে দাম বাড়ার প্রভাব। ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে বোতলবদ্ধ সয়াবিন তেলের লিটার ছিল ৮৪ টাকা। সোয়া এক বছরের ব্যবধানে সেটি এখন ১৬৮ টাকা।

রোববার বোতলজাত প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম সরকার বেঁধে দেয় ১৬৮ টাকা, ৫ লিটারের দাম ৭৯৫টাকা। তবে বিক্রি হচ্ছে আরও বেশি দামে।

এক খুচরা বিক্রেতা বলেন, সপ্তাহ যেতেই তেলের দাম বাড়ে। নতুন রেটে আরও আট টাকা বাড়তি। গায়ে লেখা ৮০০ টাকা, আমরা এ দামেই বিক্রি করছি।

আগেই বেড়ে থাকার পরও নতুন করে ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোকে ‘মরার উপর খাঁড়ার ঘা’ বলেছেন ভোক্তারা।

একজন ক্রেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, একবারে এক হাজার করে দিক। তাতেই ভালো হয়। যেহেতু তারা যেটা করতেছে, আমাদের তো সেটাতেই চলতে হচ্ছে। বাড়িয়ে দিক।

আরেকজন ক্রেতা বলেন, আমরা পাবলিক শুধু বলি- কোনও কাজ হয় না। সরকার এর বিরুদ্ধে কোনও অ্যাকশন নেয় না, মনে হয় তারা ব্যবসায়ীদের কাছে জিম্মি।

জনস্বার্থ বিবেচেনায় না করে শুধু একটি গোষ্ঠীকে খুশি করতেই বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এমন কাজ করছে বলে অভিমত কনজুমার্স অ্যাসোসিয়েশনের।

সংগঠনটির সহ-সভাপতি বলেন, যে কয়েকজন রিফাইনারি মিল মালিক আছেন, তাদের নিয়ন্ত্রণে পুরো ভোজ্যতেলের বাজারটা পরিচালিত হচ্ছে। তারা যেভাবে চাচ্ছে, সেভাবেই দামটা ওঠানামা করছে। তাদের ইশারায় দামটা নির্ধারিত হচ্ছে। যার কারণে বাণিজ্যমন্ত্রী বলার পরেও দামটা বেড়ে গেছে। আমরা সরকারকে যতটুকু না দাম বাড়াতে দেখি, কিন্তু সে দামে যে পণ্য পাওয়া যাচ্ছে না, সে ব্যাপারে সরকারের কোনও তদারকি দেখছি না।

তাদের মতে, পণ্যের গায়ে আমাদনির সময়কালের মূল্য উল্লেখ করে বাজারজাত করলে কারসাজি বন্ধ হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর থেকে ভাস্কর্য অপসারণের দাবি হেফাজতের

ভোজ্যতেলের বাজার লাগামহীন, সোয়া এক বছরে দাম দ্বিগুণ

আপডেট টাইম : ১১:৪২:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২২

হাওর বার্তা ডেস্কঃ দেশে ভোজ্যতেলের বাজার এখন লাগামহীন। গেল সোয়া এক বছরে সয়াবিন তেলের দাম বেড়েছে দ্বিগুণ। আন্তর্জাতিক বাজারের দোহাই দিয়ে ঘন ঘন দাম বাড়ানোয় নাভিশ্বাস উঠেছে ভোক্তাদের। কতিপয় তেল ব্যবসায়ীর স্বার্থ রক্ষা করে অযৌক্তকভাবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় দাম বাড়াচ্ছে বলে মনে করে কনজুমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-ক্যাব।

আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ওঠানামা করলেও দেশের বাজারে কেবলই পড়ে দাম বাড়ার প্রভাব। ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে বোতলবদ্ধ সয়াবিন তেলের লিটার ছিল ৮৪ টাকা। সোয়া এক বছরের ব্যবধানে সেটি এখন ১৬৮ টাকা।

রোববার বোতলজাত প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম সরকার বেঁধে দেয় ১৬৮ টাকা, ৫ লিটারের দাম ৭৯৫টাকা। তবে বিক্রি হচ্ছে আরও বেশি দামে।

এক খুচরা বিক্রেতা বলেন, সপ্তাহ যেতেই তেলের দাম বাড়ে। নতুন রেটে আরও আট টাকা বাড়তি। গায়ে লেখা ৮০০ টাকা, আমরা এ দামেই বিক্রি করছি।

আগেই বেড়ে থাকার পরও নতুন করে ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোকে ‘মরার উপর খাঁড়ার ঘা’ বলেছেন ভোক্তারা।

একজন ক্রেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, একবারে এক হাজার করে দিক। তাতেই ভালো হয়। যেহেতু তারা যেটা করতেছে, আমাদের তো সেটাতেই চলতে হচ্ছে। বাড়িয়ে দিক।

আরেকজন ক্রেতা বলেন, আমরা পাবলিক শুধু বলি- কোনও কাজ হয় না। সরকার এর বিরুদ্ধে কোনও অ্যাকশন নেয় না, মনে হয় তারা ব্যবসায়ীদের কাছে জিম্মি।

জনস্বার্থ বিবেচেনায় না করে শুধু একটি গোষ্ঠীকে খুশি করতেই বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এমন কাজ করছে বলে অভিমত কনজুমার্স অ্যাসোসিয়েশনের।

সংগঠনটির সহ-সভাপতি বলেন, যে কয়েকজন রিফাইনারি মিল মালিক আছেন, তাদের নিয়ন্ত্রণে পুরো ভোজ্যতেলের বাজারটা পরিচালিত হচ্ছে। তারা যেভাবে চাচ্ছে, সেভাবেই দামটা ওঠানামা করছে। তাদের ইশারায় দামটা নির্ধারিত হচ্ছে। যার কারণে বাণিজ্যমন্ত্রী বলার পরেও দামটা বেড়ে গেছে। আমরা সরকারকে যতটুকু না দাম বাড়াতে দেখি, কিন্তু সে দামে যে পণ্য পাওয়া যাচ্ছে না, সে ব্যাপারে সরকারের কোনও তদারকি দেখছি না।

তাদের মতে, পণ্যের গায়ে আমাদনির সময়কালের মূল্য উল্লেখ করে বাজারজাত করলে কারসাজি বন্ধ হবে।