ঢাকা ১১:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
সমুদ্রের বেলাভূমিতে সাদিয়া আয়মানের ‌‘একটুখানি জাদু’ বোল্টের চেয়েও দ্রুত দৌড়ানো সেই চীনা রোবটের নতুন চমক মহানবী মুহাম্মদ (সা.) : সব সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ যিনি প্রধানমন্ত্রী ইসলামের আদর্শ বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠা করছেন: মঈন খান চুলে রং করার পর যত্ন নেবেন যেভাবে নেপালে বন্যা: প্রাণহানির ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর শোক, সহযোগিতার বার্তা নবীজি (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণ ছাড়া বিশ্ব পরিস্থিতির পরিবর্তন সম্ভব নয় : ডিএসসিসি প্রশাসক চারণভূমি সুরক্ষা ও টেকসই ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করার আহ্বান পরিবেশমন্ত্রীর ফ্যাসিবাদ ঠেকাতে সুস্পষ্ট রোডম্যাপ করতে হবে: আইনমন্ত্রী মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগদানের বিষয়টি বিবেচনা করছে বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ

তিস্তার চরে বাদামের ভালো ফলন, কৃষকের হাসি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:৪৪:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ মার্চ ২০১৬
  • ৬২১ বার

তিস্তা নদীর বালুতে ব্যাপকভাবে আগাম জাতের বাদামের চাষ করা হয়েছে। কৃষকরা আশা করছে বাদামের ফলন ভাল হবে। বাজারে দাম ভাল থাকায় ব্যাপক লাভ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তিস্তার বালুচরে প্রতি একর জমিতে ধান ৩০থেকে৩২ মন হলেও বাদাম হচ্ছে ১৮থেকে২০ মন। প্রতি মণ বাদামের দাম ২হাজার ৫শ টাকা। বাদাম পরিচর্যায় খরচ ও সময় কম লাগে।

তিস্তার ঝাড়শিঙ্গেরশ্বর চর, চরখড়িবাড়ি, কিসামত ছাতনাই চর, পূর্ব বাইশপুকুর, দক্ষিণ বাইশপুকুর চর, ছাতুনামা চর, উত্তর খড়িবাড়ির চর, ভেন্ডাবাড়ির চরের জমিতে এবার ব্যাপকভাবে বাদামের চাষ করা হয়েছে।

দক্ষিণ বাইশপুকুর চরের বাদাম চাষি এরশাদ হোসেন (৩২) জানায়, চলতি মৌসুমে ৩ একর জমিতে বাদামের চাষ করেছে। ১ একর জমিতে ২২মন বাদাম ঘরে তুলতে পেরেছে। তিনি বলেন প্রতি একর জমিতে বাদাম চাষে খরচ হয় ১০ হাজার টাকা। একই গ্রামের সামচুল ইসলাম (৩৫) জানায়, তিস্তার পলিতে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার বাদামের দ্বিগুন ফলন তুলতে পারছে তারা। এবার বন্যা না হওয়ায় বাদাম ক্ষেতে পোকার আক্রমন কম হয়েছে বলে জানায়, বাদাম চাষি জহুরুল ইসলাম।

হাসানুর ইসলাম বলেন, তিস্তার পলিতে অন্যান্য ফসলের চেয়ে বাদামের খরচ কম। আর বাজারে দাম ভালো থাকায় ব্যাপক লাভবান হয়েছেন তিনিসহ এলাকার বাদাম চাষিরা।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানায়, উপজেলার চলতি বছর ১৫০ হেক্টর জমিতে বাদামের চাষ করা হয়েছে। আগাম জাতের বাদাম কৃষকদের ব্যাপকভাবে সাবলম্বী করে তুলবে। নীলফামারী কৃষি অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ আফতাব হোসেন জানায়, তিস্তার চরে আগাম জাতের বাদাম এবার বাম্পার ফলন হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার বাদাম ক্ষেতে পোকার আক্রমণ কম হয়েছে। তিস্তার পাড়ের বাদামের দানা পরিপূর্ণ হওয়ায় অন্যান্য এলাকার চেয়ে বাজারে চাহিদা বেশি থাকে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

সমুদ্রের বেলাভূমিতে সাদিয়া আয়মানের ‌‘একটুখানি জাদু’

তিস্তার চরে বাদামের ভালো ফলন, কৃষকের হাসি

আপডেট টাইম : ১০:৪৪:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ মার্চ ২০১৬

তিস্তা নদীর বালুতে ব্যাপকভাবে আগাম জাতের বাদামের চাষ করা হয়েছে। কৃষকরা আশা করছে বাদামের ফলন ভাল হবে। বাজারে দাম ভাল থাকায় ব্যাপক লাভ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তিস্তার বালুচরে প্রতি একর জমিতে ধান ৩০থেকে৩২ মন হলেও বাদাম হচ্ছে ১৮থেকে২০ মন। প্রতি মণ বাদামের দাম ২হাজার ৫শ টাকা। বাদাম পরিচর্যায় খরচ ও সময় কম লাগে।

তিস্তার ঝাড়শিঙ্গেরশ্বর চর, চরখড়িবাড়ি, কিসামত ছাতনাই চর, পূর্ব বাইশপুকুর, দক্ষিণ বাইশপুকুর চর, ছাতুনামা চর, উত্তর খড়িবাড়ির চর, ভেন্ডাবাড়ির চরের জমিতে এবার ব্যাপকভাবে বাদামের চাষ করা হয়েছে।

দক্ষিণ বাইশপুকুর চরের বাদাম চাষি এরশাদ হোসেন (৩২) জানায়, চলতি মৌসুমে ৩ একর জমিতে বাদামের চাষ করেছে। ১ একর জমিতে ২২মন বাদাম ঘরে তুলতে পেরেছে। তিনি বলেন প্রতি একর জমিতে বাদাম চাষে খরচ হয় ১০ হাজার টাকা। একই গ্রামের সামচুল ইসলাম (৩৫) জানায়, তিস্তার পলিতে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার বাদামের দ্বিগুন ফলন তুলতে পারছে তারা। এবার বন্যা না হওয়ায় বাদাম ক্ষেতে পোকার আক্রমন কম হয়েছে বলে জানায়, বাদাম চাষি জহুরুল ইসলাম।

হাসানুর ইসলাম বলেন, তিস্তার পলিতে অন্যান্য ফসলের চেয়ে বাদামের খরচ কম। আর বাজারে দাম ভালো থাকায় ব্যাপক লাভবান হয়েছেন তিনিসহ এলাকার বাদাম চাষিরা।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানায়, উপজেলার চলতি বছর ১৫০ হেক্টর জমিতে বাদামের চাষ করা হয়েছে। আগাম জাতের বাদাম কৃষকদের ব্যাপকভাবে সাবলম্বী করে তুলবে। নীলফামারী কৃষি অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ আফতাব হোসেন জানায়, তিস্তার চরে আগাম জাতের বাদাম এবার বাম্পার ফলন হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার বাদাম ক্ষেতে পোকার আক্রমণ কম হয়েছে। তিস্তার পাড়ের বাদামের দানা পরিপূর্ণ হওয়ায় অন্যান্য এলাকার চেয়ে বাজারে চাহিদা বেশি থাকে।