ঢাকা ০১:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি ভূমিকম্প মোকাবেলায় রাজধানীর ৪৪৫টি নিরাপদ আশ্রয়স্থল চিহ্নিত: ত্রাণমন্ত্রী এক বছরে ওরাকলের ১৩ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই সাঁথিয়ায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার ওই ব্যক্তি আমার স্বামী না: চিত্রনায়িকা ববি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর রিজার্ভে চাপ বাড়ছে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ মেসি সবসময়ই গোল করবে, আমি শুধু আমার দলকে জেতাতে চাই : কিলিয়ান এমবাপ্পে রাষ্ট্রীয় নিয়োগে ব্যক্তির মেধা, সততা, দেশপ্রেম ও কর্মনিষ্ঠা গুরুত্বপূর্ণ: অ্যাটর্নি জেনারেল তথ্য উপদেষ্টাকে দিল্লিতে বাধা দেওয়ার বিষয়ে মুখ খুলল ভারত

বাড়তি দরে বিক্রি হচ্ছে তেল, চালসহ ৫ পণ্য

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:০৫:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ জুলাই ২০২১
  • ২৩৭ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ লকডাউনের মধ্যেও রাজধানীর কাঁচাবাজারে স্বাস্থ্যবিধি মানার বালাই নেই। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে আসা অনেকেই মাস্ক ছাড়াই বাজারে এসেছেন। আবার অনেক বিক্রেতা মাস্ক ব্যবহার করছেন না।

গত ৩০ জুন প্রতি লিটারে সয়াবিনে ৪ টাকা কমানোর ঘোষণা দেয় বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন। নতুন এই দাম বৃহস্পতিবার থেকে কার্যকর হওয়ার কথা। কিন্তু বাজারে চিত্র ভিন্ন। এছাড়া চালসহ আরও চার পণ্য সপ্তাহের ব্যবধানে বাড়তি দরে বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি সব ধরনের সবজি বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে। শুক্রবার রাজধানীর একাধিক কাঁচাবাজার ঘুরে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।

এদিকে বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন নতুন মূল্য অনুযায়ী প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ১৪৯ ও খোলা সয়াবিন ১২৫ টাকায় বিক্রি হওয়ার কথা। কিন্তু শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন ১৫৩-১৫৪ টাকায় বিক্রি হয়েছে। খোলা সয়াবিনের লিটার বিক্রি হয়েছে ১৩০-১৩৫ টাকা।

রাজধানীর রামপুরা বাজারের মুদি বিক্রেতা মো. আলাউদ্দিন বলেন, তেলের দাম কমানোর ঘোষণার কথা শুনেছি। কিন্তু নতুন করে তেল কেনা হয়নি। আগে যে দামে কিনেছি সেই দামে কিছু লাভ করে বিক্রি করছি। নতুন করে তেল কিনলে কম দামে পেলে কম দামেই বিক্রি করবে।

এদিকে বাজারে চালসহ চার পণ্য- আলু, দারুচিনি ও হলুদ সপ্তাহের ব্যবধানে দাম বেড়েছে। সেক্ষেত্রে প্রতিকেজি মাঝারি আকারের চাল বিক্রি হয়েছে ৫৫-৫৬ টাকা, যা গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছে ৫০-৫৩ টাকা। সরু চাল প্রতিকেজি ৬০-৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। যা গত সপ্তাহে ৫৬-৬৫ টাকায় বিক্রি হয়।

রাজধানীর মালিবাগ বাজারের খালেক রাইস এজেন্সির মালিক ও খুচরা চাল বিক্রেতা মো. দিদার হোসেন যুগান্তরকে বলেন, গত সপ্তাহে চালের দাম কিছুটা কমে আবার বাড়তে শুরু করেছে। মিল পর্যায় থেকে দাম বাড়ার কারণে পাইকারি ও খুচরা বাজারে আবারও চালের দাম বাড়ছে।

অন্যদিকে বাজারে প্রতিকেজি আলু বিক্রি হয়েছে ২৪ টাকা, যা সাত দিন আগে ২০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। প্রতিকেজি দারুচিনি বিক্রি হয়েছে ৪০০ টাকা, যা সাত দিন আগে ৩৬০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এছাড়া প্রতিকেজি হলুদ ২৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছে, যা সাত দিন আগে ২২০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

চড়া দামে বিক্রি হয়েছে সব ধরনের সবজি। সপ্তাহের ব্যবধানে বেগুনের দাম কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে বিক্রি হয়েছে ৫০-৭০ টাকা। গত সপ্তাহে ৮০-১০০ টাকা বিক্রি হওয়া প্রতিকেজি পাকা টমেটো বিক্রি হয়েছে ১০০-১২০ টাকা। প্রতিকেজি গাজর বিক্রি হয়েছে ১০০ টাকা, যা সাত দিন আগে ৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এছাড়া প্রতিকেজি বরবটি বিক্রি হয়েছে ৬০-৭০ টাকা, ঢেঁড়স ৪০-৫০ টাকা, পটোল প্রতিকেজি বিক্রি হয়েছে ৪০-৫০ টাকা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি

বাড়তি দরে বিক্রি হচ্ছে তেল, চালসহ ৫ পণ্য

আপডেট টাইম : ১০:০৫:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ জুলাই ২০২১

হাওর বার্তা ডেস্কঃ লকডাউনের মধ্যেও রাজধানীর কাঁচাবাজারে স্বাস্থ্যবিধি মানার বালাই নেই। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে আসা অনেকেই মাস্ক ছাড়াই বাজারে এসেছেন। আবার অনেক বিক্রেতা মাস্ক ব্যবহার করছেন না।

গত ৩০ জুন প্রতি লিটারে সয়াবিনে ৪ টাকা কমানোর ঘোষণা দেয় বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন। নতুন এই দাম বৃহস্পতিবার থেকে কার্যকর হওয়ার কথা। কিন্তু বাজারে চিত্র ভিন্ন। এছাড়া চালসহ আরও চার পণ্য সপ্তাহের ব্যবধানে বাড়তি দরে বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি সব ধরনের সবজি বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে। শুক্রবার রাজধানীর একাধিক কাঁচাবাজার ঘুরে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।

এদিকে বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন নতুন মূল্য অনুযায়ী প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ১৪৯ ও খোলা সয়াবিন ১২৫ টাকায় বিক্রি হওয়ার কথা। কিন্তু শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন ১৫৩-১৫৪ টাকায় বিক্রি হয়েছে। খোলা সয়াবিনের লিটার বিক্রি হয়েছে ১৩০-১৩৫ টাকা।

রাজধানীর রামপুরা বাজারের মুদি বিক্রেতা মো. আলাউদ্দিন বলেন, তেলের দাম কমানোর ঘোষণার কথা শুনেছি। কিন্তু নতুন করে তেল কেনা হয়নি। আগে যে দামে কিনেছি সেই দামে কিছু লাভ করে বিক্রি করছি। নতুন করে তেল কিনলে কম দামে পেলে কম দামেই বিক্রি করবে।

এদিকে বাজারে চালসহ চার পণ্য- আলু, দারুচিনি ও হলুদ সপ্তাহের ব্যবধানে দাম বেড়েছে। সেক্ষেত্রে প্রতিকেজি মাঝারি আকারের চাল বিক্রি হয়েছে ৫৫-৫৬ টাকা, যা গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছে ৫০-৫৩ টাকা। সরু চাল প্রতিকেজি ৬০-৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। যা গত সপ্তাহে ৫৬-৬৫ টাকায় বিক্রি হয়।

রাজধানীর মালিবাগ বাজারের খালেক রাইস এজেন্সির মালিক ও খুচরা চাল বিক্রেতা মো. দিদার হোসেন যুগান্তরকে বলেন, গত সপ্তাহে চালের দাম কিছুটা কমে আবার বাড়তে শুরু করেছে। মিল পর্যায় থেকে দাম বাড়ার কারণে পাইকারি ও খুচরা বাজারে আবারও চালের দাম বাড়ছে।

অন্যদিকে বাজারে প্রতিকেজি আলু বিক্রি হয়েছে ২৪ টাকা, যা সাত দিন আগে ২০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। প্রতিকেজি দারুচিনি বিক্রি হয়েছে ৪০০ টাকা, যা সাত দিন আগে ৩৬০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এছাড়া প্রতিকেজি হলুদ ২৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছে, যা সাত দিন আগে ২২০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

চড়া দামে বিক্রি হয়েছে সব ধরনের সবজি। সপ্তাহের ব্যবধানে বেগুনের দাম কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে বিক্রি হয়েছে ৫০-৭০ টাকা। গত সপ্তাহে ৮০-১০০ টাকা বিক্রি হওয়া প্রতিকেজি পাকা টমেটো বিক্রি হয়েছে ১০০-১২০ টাকা। প্রতিকেজি গাজর বিক্রি হয়েছে ১০০ টাকা, যা সাত দিন আগে ৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এছাড়া প্রতিকেজি বরবটি বিক্রি হয়েছে ৬০-৭০ টাকা, ঢেঁড়স ৪০-৫০ টাকা, পটোল প্রতিকেজি বিক্রি হয়েছে ৪০-৫০ টাকা।