ঢাকা ১১:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
জুলাই স্মৃতি জাদুঘর থেকে ভাস্কর্য অপসারণের দাবি হেফাজতের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ শিবলী ওএসডি রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, তিন যুগ পর ভোটগ্রহণ অধিবেশন ডাকা হবে না: চিফ হুইপ ম্যানেজিং কমিটির হাতে যাচ্ছে শিক্ষক নিয়োগ, ছাত্রদল সভাপতি বললেন ‘গুজব’ ঢাকায় ‘র’ প্রধানের রহস্যজনক সফর আদালতে আসেননি পরীমনি, মাদক মামলায় অভিযোগ গঠন শুনানি পেছাল ‘ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়, গায়ে পড়ে ঝগড়া বাধাতে আসবেন না’ মন্ত্রিসভায় অনুমোদন বিতর্কিত মালিকদের হাতে ফিরছে না একীভূত ৫ ব্যাংকের মালিকানা প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও থাকছে না পোস্টার, আচরণবিধি চূড়ান্ত করল ইসি

২০ টাকা কেজি ল্যাংড়া, ৫০ কেজিতে মণ!

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৮:৪৩:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ জুন ২০২১
  • ৩১৪ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ফলের রাজা আম, আ’মের রাজা ল্যাংড়া। গত তিন বছরে ল্যাংড়ার দাম ছিল ৪৫-৫৫ টাকা কেজি পর্যন্ত।কিন্তু চলতি মৌসুমে একই আ’মের দাম ২০ টাকা কেজি দরে ‘বিক্রি করছেন খুচরা পাইকারি ‘বিক্রেতারা। এর পরও ৫০ কেজিতে মণ না দিলে আম নিতে চান না আড়তদাররা!
বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) দেশের বৃ’হত্তম কানসাট আম বাজারে গিয়ে এমনই চিত্র দেখা যায়।খুচরা পাইকারি আম ‘বিক্রেতা শামসুল আলম বাংলানিউজকে বলেন, আ’মের মৌসুমের প্রথমেই যদি বাগানটা ‘বিক্রি করতাম, তবে কিছু হলেও পুঁজি থাকতো। বিপাকে পড়েই কেজি দরে আম ‘বিক্রি করতে হচ্ছে। বাগানে খরচ করার টাকাগু’লো উঠানো তো দূরের কথা, যাতায়াত খরচ উঠবে কি-না স’ন্দে’হ। গত বছর ৪৫ কেজিতে মণ ধরে ল্যাংড়া ‘বিক্রি করেছি সর্বনিম্ন ৪৩-৪৫ টাকা কেজি দরে। কিন্তু এবার এই আ’মের দাম প্রায় অর্ধেকে নেমেছে। ল্যাংড়া ৫০ কেজিতে মণ ধরে ২০ টাকা কেজি দরে ‘বিক্রি করতে হচ্ছে।অ’পরদিকে, চতরার আম বাগান মালিক মোজতাবা আলম বাদল বাংলানিউজকে বলেন, এ বছর বাগান ক্রয়-‘বিক্রয়ে তেমন সাড়া না পেয়ে বুধবার (২৩ জুন) আমা’র বাগানের ল্যাংড়া আম মাত্র ৬০০ টাকা মণ দরে ‘বিক্রি করেছি। শুধু তাই নয়, আড়তগু’লো এবার ৫০ কেজিতে মণ ধরে আম কেনায় এবং হাটের খাজনা ও ভ্যানভাড়া ধরে কিছুই থাকলো না। আর বাগান পরিচর্যা খরচ তো লোকসান রয়েছেই।আম ব্যবসায়ী জাকির হোসেন বাংলানিউজকে বলেন, এ বছর আ’মের দর নিয়ে জে’লার সব ব্যবসায়ী ও চাষিরা ‘হতাশ। করো’’নার সংক্রমণ বিস্তার রোধে দেশজুড়ে বিধি-নিষে’ধ আর জে’লা ভিত্তিক লকডাউনের কারণেই আ’মের বাজারে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এমনটা চলতে থাকলে আম চাষে নিরুৎসাহিত হবেন বাগান মালিকরা।এদিকে, কানসাটের বাজারগু’লোতে ক্ষিরসা’পাত (হিমসাগর) আ’মের মণ ১৫০০-১৫৫০ টাকা পর্যন্ত। খুচরা বাজারে আমটির কেজি মাত্র ৩০ টাকা। আম্রপালির মণ ২০০০-২১০০ টাকা, খুচরা বাজারে কেজি প্রায় ৪০ টাকা। লখনার (লক্ষণভোগ) মণ ৯০০-১০০০ টাকা, খুচরা বাজারে কেজি দরে ‘বিক্রি হচ্ছে ১৫-১৮ টাকায়। বোম্বাই আ’মের মণ ১১০০ টাকা, বাজারে ‘বিক্রি হচ্ছে ২২ টাকা কেজি দরে। ফজলির মণও ১১০০-১২০০ টাকা, খুচরা বাজারে কেজি ২০-২৫ টাকায় দরে ‘বিক্রি হচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর থেকে ভাস্কর্য অপসারণের দাবি হেফাজতের

২০ টাকা কেজি ল্যাংড়া, ৫০ কেজিতে মণ!

আপডেট টাইম : ০৮:৪৩:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ জুন ২০২১

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ফলের রাজা আম, আ’মের রাজা ল্যাংড়া। গত তিন বছরে ল্যাংড়ার দাম ছিল ৪৫-৫৫ টাকা কেজি পর্যন্ত।কিন্তু চলতি মৌসুমে একই আ’মের দাম ২০ টাকা কেজি দরে ‘বিক্রি করছেন খুচরা পাইকারি ‘বিক্রেতারা। এর পরও ৫০ কেজিতে মণ না দিলে আম নিতে চান না আড়তদাররা!
বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) দেশের বৃ’হত্তম কানসাট আম বাজারে গিয়ে এমনই চিত্র দেখা যায়।খুচরা পাইকারি আম ‘বিক্রেতা শামসুল আলম বাংলানিউজকে বলেন, আ’মের মৌসুমের প্রথমেই যদি বাগানটা ‘বিক্রি করতাম, তবে কিছু হলেও পুঁজি থাকতো। বিপাকে পড়েই কেজি দরে আম ‘বিক্রি করতে হচ্ছে। বাগানে খরচ করার টাকাগু’লো উঠানো তো দূরের কথা, যাতায়াত খরচ উঠবে কি-না স’ন্দে’হ। গত বছর ৪৫ কেজিতে মণ ধরে ল্যাংড়া ‘বিক্রি করেছি সর্বনিম্ন ৪৩-৪৫ টাকা কেজি দরে। কিন্তু এবার এই আ’মের দাম প্রায় অর্ধেকে নেমেছে। ল্যাংড়া ৫০ কেজিতে মণ ধরে ২০ টাকা কেজি দরে ‘বিক্রি করতে হচ্ছে।অ’পরদিকে, চতরার আম বাগান মালিক মোজতাবা আলম বাদল বাংলানিউজকে বলেন, এ বছর বাগান ক্রয়-‘বিক্রয়ে তেমন সাড়া না পেয়ে বুধবার (২৩ জুন) আমা’র বাগানের ল্যাংড়া আম মাত্র ৬০০ টাকা মণ দরে ‘বিক্রি করেছি। শুধু তাই নয়, আড়তগু’লো এবার ৫০ কেজিতে মণ ধরে আম কেনায় এবং হাটের খাজনা ও ভ্যানভাড়া ধরে কিছুই থাকলো না। আর বাগান পরিচর্যা খরচ তো লোকসান রয়েছেই।আম ব্যবসায়ী জাকির হোসেন বাংলানিউজকে বলেন, এ বছর আ’মের দর নিয়ে জে’লার সব ব্যবসায়ী ও চাষিরা ‘হতাশ। করো’’নার সংক্রমণ বিস্তার রোধে দেশজুড়ে বিধি-নিষে’ধ আর জে’লা ভিত্তিক লকডাউনের কারণেই আ’মের বাজারে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এমনটা চলতে থাকলে আম চাষে নিরুৎসাহিত হবেন বাগান মালিকরা।এদিকে, কানসাটের বাজারগু’লোতে ক্ষিরসা’পাত (হিমসাগর) আ’মের মণ ১৫০০-১৫৫০ টাকা পর্যন্ত। খুচরা বাজারে আমটির কেজি মাত্র ৩০ টাকা। আম্রপালির মণ ২০০০-২১০০ টাকা, খুচরা বাজারে কেজি প্রায় ৪০ টাকা। লখনার (লক্ষণভোগ) মণ ৯০০-১০০০ টাকা, খুচরা বাজারে কেজি দরে ‘বিক্রি হচ্ছে ১৫-১৮ টাকায়। বোম্বাই আ’মের মণ ১১০০ টাকা, বাজারে ‘বিক্রি হচ্ছে ২২ টাকা কেজি দরে। ফজলির মণও ১১০০-১২০০ টাকা, খুচরা বাজারে কেজি ২০-২৫ টাকায় দরে ‘বিক্রি হচ্ছে।