ঢাকা ১১:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
জুলাই স্মৃতি জাদুঘর থেকে ভাস্কর্য অপসারণের দাবি হেফাজতের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ শিবলী ওএসডি রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, তিন যুগ পর ভোটগ্রহণ অধিবেশন ডাকা হবে না: চিফ হুইপ ম্যানেজিং কমিটির হাতে যাচ্ছে শিক্ষক নিয়োগ, ছাত্রদল সভাপতি বললেন ‘গুজব’ ঢাকায় ‘র’ প্রধানের রহস্যজনক সফর আদালতে আসেননি পরীমনি, মাদক মামলায় অভিযোগ গঠন শুনানি পেছাল ‘ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়, গায়ে পড়ে ঝগড়া বাধাতে আসবেন না’ মন্ত্রিসভায় অনুমোদন বিতর্কিত মালিকদের হাতে ফিরছে না একীভূত ৫ ব্যাংকের মালিকানা প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও থাকছে না পোস্টার, আচরণবিধি চূড়ান্ত করল ইসি

কোন সেবায় কত মাশুল নিতে পারবে ব্যাংক

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:২৯:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ জুন ২০২১
  • ৩৮২ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ কোন সেবার বিপরীতে ব্যাংক কত মাশুল নিতে পারবে, তা নির্দিষ্ট করে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আগামী রোববার থেকে নতুন এ মাশুল কার্যকর করবে ব্যাংকগুলো।

নতুন নির্দেশনার ফলে গ্রাহকরা জানতে পারবে, কোন সেবায় কত মাশুল। এতে ব্যাংক সেবার খরচ কমবে বলেও জানা গেছে।

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, ব্যাংকে সঞ্চয়ী হিসাব খোলার সময় ৫০০ টাকা জমা দিলেই হবে। চলতি হিসাব খোলার সময় জমা দিতে হবে এক হাজার টাকা। তবে কৃষক, মুক্তিযোদ্ধাসহ বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের হিসাব খোলার সময় কোনো টাকা জমা না দিলেও হিসাব খুলতে হবে। সঞ্চয়ী হিসাবে ছয় মাস পরপর মাশুল কাটতে পারবে ব্যাংক।

তবে ১০ হাজার টাকা আমানতে কোনো মাশুল আদায় করা যাবে না। ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত গড় আমানতে ১০০ টাকা, ২ লাখ টাকা পর্যন্ত আমানতে ২০ টাকা, ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত আমানতে ২৫০ টাকা ও ১০ লাখ টাকার বেশি আমানতে ছয় মাস পরপর ৩০০ টাকা কাটা যাবে। চলতি হিসাবে প্রতি ছয় মাসে ৩০০ টাকা এবং বিশেষ নোটিশ হিসাবে ৫০০ টাকা মাশুল আদায় করা যাবে।

গ্রাহকরা এক শাখা থেকে অন্য শাখায় হিসাব স্থানান্তরের সময় একই জেলার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৫০ টাকা ও অন্য জেলার ১০০ টাকা মাশুল আদায় করা যাবে। বন্ধ হয়ে যাওয়া হিসাব নতুন করে চালাতে কোনো মাশুল নেওয়া যাবে না। চেক বইয়ের ক্ষেত্রে প্রকৃত খরচ আদায় করা যাবে, এমনকি হারানো গেলেও কোনো অতিরিক্ত খরচ নেওয়া যাবে না।

ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণের ক্ষেত্রে দশমিক ৫০ শতাংশ পর্যন্ত মাশুল আদায় করা যাবে, তবে তা কোনোভাবেই ১৫ হাজার টাকার বেশি হবে না। ৫০ লাখ টাকার বেশি ঋণের ক্ষেত্রে মাশুল হবে সর্বোচ্চ দশমিক ৩০ শতাংশ, তা কোনোভাবেই ২০ হাজার টাকার বেশি নয়। ঋণ আবেদন মাশুল নামে কোনো মাশুল আদায় করা যাবে না। কৃষি ও এসএমই খাতের ঋণ পুনর্গঠন মাশুল বাবদ সর্বোচ্চ দশমিক ২৫ শতাংশ আদায় করা যাবে, তবে তা ১০ হাজার টাকার বেশি হবে না।

শতভাগ নগদ মার্জিনে ঋণপত্র খোলার ক্ষেত্রে প্রতি ত্রৈমাসিকে সর্বোচ্চ দশমিক ২৫ শতাংশ, ডেফার্ড ঋণপত্রের ক্ষেত্রে দশমিক ৫০ শতাংশ, সাইট ও ব্যাক টু ব্যাক ঋণপত্র খোলার ক্ষেত্রে ত্রৈমাসিকে দশমিক ৪০ শতাংশ মাশুল আদায় করা যাবে। বৈদেশিক মুদ্রায় ডিমান্ড ড্রাফট ও টেলিগ্রাফিক ড্রাফট ও মেইল ট্রান্সফারের নথিপত্রের ক্ষেত্রে ১ লাখ টাকার সমপরিমাণ মুদ্রার ক্ষেত্রে ১০০ টাকা, ৫ লাখ টাকার ক্ষেত্রে ২০০ টাকা, ১০ লাখ টাকার ক্ষেত্রে ৩০০ টাকা এবং ১০ লাখ টাকার বেশি হলে ৫০০ টাকা আদায় করা যাবে। এসব আদেশ বাতিল হলে সর্বোচ্চ ২০০ টাকা কাটা যাবে।

ব্যাংক নিজ উদ্যোগে বছরে দুবার গ্রাহকদের হিসাবের স্থিতি জানাবে। আমানত ও ঋণ হিসাব—উভয়ই এই স্থিতি নিশ্চিতকরণ সনদ পাবে। তবে গ্রাহক এর বেশি সনদ চাইলে প্রতিবার ১০০ টাকা মাশুল নিতে পারবে ব্যাংক। সচ্ছলতা সনদ দিতে ব্যাংক প্রতিবার সর্বোচ্চ ২০০ টাকা নিতে পারবে।

চেক ফেরতের ক্ষেত্রে প্রতিবার সর্বোচ্চ ৫০ টাকা নিতে পারবে। অর্থ প্রদান নির্দেশনা স্থগিত করতে প্রতিবার ১০০ টাকা ও তা বাতিল করতে ৫০ টাকা মাশুল নিতে পারবে ব্যাংকগুলো।

এক হাজার টাকা পে-অর্ডার দেওয়ার ক্ষেত্রে ২০ টাকা, এক লাখ টাকার ক্ষেত্রে ৫০ টাকা এবং এর বেশি টাকার পে-অর্ডার ক্ষেত্রে ১০০ টাকা আদায় করা যাবে। পে-অর্ডার বাতিল করতে চাইলে ব্যাংক ৫০ টাকা মাশুল নিতে পারবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর থেকে ভাস্কর্য অপসারণের দাবি হেফাজতের

কোন সেবায় কত মাশুল নিতে পারবে ব্যাংক

আপডেট টাইম : ১০:২৯:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ জুন ২০২১

হাওর বার্তা ডেস্কঃ কোন সেবার বিপরীতে ব্যাংক কত মাশুল নিতে পারবে, তা নির্দিষ্ট করে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আগামী রোববার থেকে নতুন এ মাশুল কার্যকর করবে ব্যাংকগুলো।

নতুন নির্দেশনার ফলে গ্রাহকরা জানতে পারবে, কোন সেবায় কত মাশুল। এতে ব্যাংক সেবার খরচ কমবে বলেও জানা গেছে।

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, ব্যাংকে সঞ্চয়ী হিসাব খোলার সময় ৫০০ টাকা জমা দিলেই হবে। চলতি হিসাব খোলার সময় জমা দিতে হবে এক হাজার টাকা। তবে কৃষক, মুক্তিযোদ্ধাসহ বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের হিসাব খোলার সময় কোনো টাকা জমা না দিলেও হিসাব খুলতে হবে। সঞ্চয়ী হিসাবে ছয় মাস পরপর মাশুল কাটতে পারবে ব্যাংক।

তবে ১০ হাজার টাকা আমানতে কোনো মাশুল আদায় করা যাবে না। ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত গড় আমানতে ১০০ টাকা, ২ লাখ টাকা পর্যন্ত আমানতে ২০ টাকা, ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত আমানতে ২৫০ টাকা ও ১০ লাখ টাকার বেশি আমানতে ছয় মাস পরপর ৩০০ টাকা কাটা যাবে। চলতি হিসাবে প্রতি ছয় মাসে ৩০০ টাকা এবং বিশেষ নোটিশ হিসাবে ৫০০ টাকা মাশুল আদায় করা যাবে।

গ্রাহকরা এক শাখা থেকে অন্য শাখায় হিসাব স্থানান্তরের সময় একই জেলার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৫০ টাকা ও অন্য জেলার ১০০ টাকা মাশুল আদায় করা যাবে। বন্ধ হয়ে যাওয়া হিসাব নতুন করে চালাতে কোনো মাশুল নেওয়া যাবে না। চেক বইয়ের ক্ষেত্রে প্রকৃত খরচ আদায় করা যাবে, এমনকি হারানো গেলেও কোনো অতিরিক্ত খরচ নেওয়া যাবে না।

ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণের ক্ষেত্রে দশমিক ৫০ শতাংশ পর্যন্ত মাশুল আদায় করা যাবে, তবে তা কোনোভাবেই ১৫ হাজার টাকার বেশি হবে না। ৫০ লাখ টাকার বেশি ঋণের ক্ষেত্রে মাশুল হবে সর্বোচ্চ দশমিক ৩০ শতাংশ, তা কোনোভাবেই ২০ হাজার টাকার বেশি নয়। ঋণ আবেদন মাশুল নামে কোনো মাশুল আদায় করা যাবে না। কৃষি ও এসএমই খাতের ঋণ পুনর্গঠন মাশুল বাবদ সর্বোচ্চ দশমিক ২৫ শতাংশ আদায় করা যাবে, তবে তা ১০ হাজার টাকার বেশি হবে না।

শতভাগ নগদ মার্জিনে ঋণপত্র খোলার ক্ষেত্রে প্রতি ত্রৈমাসিকে সর্বোচ্চ দশমিক ২৫ শতাংশ, ডেফার্ড ঋণপত্রের ক্ষেত্রে দশমিক ৫০ শতাংশ, সাইট ও ব্যাক টু ব্যাক ঋণপত্র খোলার ক্ষেত্রে ত্রৈমাসিকে দশমিক ৪০ শতাংশ মাশুল আদায় করা যাবে। বৈদেশিক মুদ্রায় ডিমান্ড ড্রাফট ও টেলিগ্রাফিক ড্রাফট ও মেইল ট্রান্সফারের নথিপত্রের ক্ষেত্রে ১ লাখ টাকার সমপরিমাণ মুদ্রার ক্ষেত্রে ১০০ টাকা, ৫ লাখ টাকার ক্ষেত্রে ২০০ টাকা, ১০ লাখ টাকার ক্ষেত্রে ৩০০ টাকা এবং ১০ লাখ টাকার বেশি হলে ৫০০ টাকা আদায় করা যাবে। এসব আদেশ বাতিল হলে সর্বোচ্চ ২০০ টাকা কাটা যাবে।

ব্যাংক নিজ উদ্যোগে বছরে দুবার গ্রাহকদের হিসাবের স্থিতি জানাবে। আমানত ও ঋণ হিসাব—উভয়ই এই স্থিতি নিশ্চিতকরণ সনদ পাবে। তবে গ্রাহক এর বেশি সনদ চাইলে প্রতিবার ১০০ টাকা মাশুল নিতে পারবে ব্যাংক। সচ্ছলতা সনদ দিতে ব্যাংক প্রতিবার সর্বোচ্চ ২০০ টাকা নিতে পারবে।

চেক ফেরতের ক্ষেত্রে প্রতিবার সর্বোচ্চ ৫০ টাকা নিতে পারবে। অর্থ প্রদান নির্দেশনা স্থগিত করতে প্রতিবার ১০০ টাকা ও তা বাতিল করতে ৫০ টাকা মাশুল নিতে পারবে ব্যাংকগুলো।

এক হাজার টাকা পে-অর্ডার দেওয়ার ক্ষেত্রে ২০ টাকা, এক লাখ টাকার ক্ষেত্রে ৫০ টাকা এবং এর বেশি টাকার পে-অর্ডার ক্ষেত্রে ১০০ টাকা আদায় করা যাবে। পে-অর্ডার বাতিল করতে চাইলে ব্যাংক ৫০ টাকা মাশুল নিতে পারবে।