ঢাকা ০১:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
আমরা সবাই বাংলাদেশের অধিবাসী, কেউ ‘আদিবাসী’ নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনগণ অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হলেই রাষ্ট্র শক্তিশালী হবে: প্রধানমন্ত্রী সরকারের ১৮০ দিনের অর্জন-সীমাবদ্ধতা জনতার কাছে তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী অধিনায়ক হলে গোল উদযাপন করার সময় পাবেন না হালান্ড সরকারি ভবনে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত কৃষি মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব নিয়োগ রাষ্ট্রপতি ভোটের বৈঠক আহ্বান করলেন সিইসি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান সমঝোতার কাছাকাছি—দাবি পাকিস্তানের পানিতে তলিয়ে আছে কমিউনিটি ক্লিনিক, নেই স্বাস্থ্যসেবা রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুল ‘প্রায় চূড়ান্ত’, নতুন মহাসচিব কে?

বাংলাদেশের লাল-সবুজে আলোকিত হলো অস্ট্রেলিয়ার দুই ব্রিজ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:৩১:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ মার্চ ২০২১
  • ২৭১ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ দিনের আলো যখন হারিয়ে যাচ্ছিল ঠিক তখনই মিটমিট করে জ্বলে ওঠে ৩০ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে পাওয়া লাল-সবুজ পতাকা। তবে বাংলাদেশে নয়, লাল-সবুজে আলোকিত হলো অস্ট্রেলিয়ার দুটি ঐতিহাসিক স্থাপনা স্টোরি ব্রিজ ও ভিক্টোরিয়া ব্রিজ। কুইন্সল্যান্ডে শহর ব্রিসবেনের এ দুটি উল্লেখযোগ্য স্থাপনা শহরের একেবারে প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত। অস্ট্রেলিয়ার কোনো বিশেষ স্থাপনা বাংলাদেশের পতাকার রঙে আলোকিত করার ঘটনা এটাই প্রথম।

আর এ আয়োজনটি সম্ভব হয়েছে ড. জিশু দাস গুপ্ত ও বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন ইন ব্রিসবেন ইনকের (ব্যাব) উদ্যোগে এবং অস্ট্রেলিয়ান লোকাল গভর্নমেন্টের সহযোগিতায়।

স্থানীয় সময় সোমবার সন্ধ্যা ৭টায় পূর্ণভাবে আলো জ্বলে ওঠে এই দুই ব্রিজে। তখন ব্রিসবেন নদীর পানিতে উজ্জ্বলভাবে প্রতিফলিত হয় বাংলাদেশের পতাকার রঙ।

এদিন ব্রিসবেনে বসবাসকারী বাংলাদেশিরা মিলিত হন স্টোরি ব্রিজের নিচে। সারাদিন চলতে থাকা বৃষ্টি উপেক্ষা করে সবাই একসঙ্গে গলা মিলিয়ে গেয়ে ওঠেন- ‘আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালবাসি।’ এ যেন অন্য এক অনুভূতি। বিদেশের মাটিতে নিজের দেশের পতাকা দেখতে পারার আনন্দ উপচে পড়ে সবার চোখেমুখে।

ব্যাবের প্রেসিডেন্ট মুনির রহমান বলেন, ‘একজন গর্বিত বাংলাদেশি হিসেবে এই অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। আমাদের অনেক দিনের প্রচেষ্টার ফলে এ আয়োজন করা সম্ভব হয়েছে। এটি আমাদের সূচনা মাত্র। আমরা আগামী দিনে ব্রিসবেন তথা গোটা অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশকে তুলে ধরব আরও উঁচু থেকে উঁচুতে, যা হবে আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের জন্য দেশের প্রতি দায়িত্ব এবং ভালোবাসার দৃষ্টান্ত।’

২০১৮ সাল থেকে এ আয়োজনের চেষ্টা করা হলেও এবারই সম্ভব হলো।

এ আয়োজনের স্বপ্নদ্রষ্টা ড. জিশু দাস গুপ্ত বলেন, ‘২০১৮ সাল থেকে আমার ও কমিউনিটির সব সদস্যের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ চেষ্টার ফলেই আমাদের এ অর্জন। আমরা চাই এ অর্জন ছড়িয়ে পড়ুক পৃথিবীর আনাচে-কানাচে। জ্বলে উঠুক বাংলাদেশের নাম।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

আমরা সবাই বাংলাদেশের অধিবাসী, কেউ ‘আদিবাসী’ নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বাংলাদেশের লাল-সবুজে আলোকিত হলো অস্ট্রেলিয়ার দুই ব্রিজ

আপডেট টাইম : ১০:৩১:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ মার্চ ২০২১

হাওর বার্তা ডেস্কঃ দিনের আলো যখন হারিয়ে যাচ্ছিল ঠিক তখনই মিটমিট করে জ্বলে ওঠে ৩০ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে পাওয়া লাল-সবুজ পতাকা। তবে বাংলাদেশে নয়, লাল-সবুজে আলোকিত হলো অস্ট্রেলিয়ার দুটি ঐতিহাসিক স্থাপনা স্টোরি ব্রিজ ও ভিক্টোরিয়া ব্রিজ। কুইন্সল্যান্ডে শহর ব্রিসবেনের এ দুটি উল্লেখযোগ্য স্থাপনা শহরের একেবারে প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত। অস্ট্রেলিয়ার কোনো বিশেষ স্থাপনা বাংলাদেশের পতাকার রঙে আলোকিত করার ঘটনা এটাই প্রথম।

আর এ আয়োজনটি সম্ভব হয়েছে ড. জিশু দাস গুপ্ত ও বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন ইন ব্রিসবেন ইনকের (ব্যাব) উদ্যোগে এবং অস্ট্রেলিয়ান লোকাল গভর্নমেন্টের সহযোগিতায়।

স্থানীয় সময় সোমবার সন্ধ্যা ৭টায় পূর্ণভাবে আলো জ্বলে ওঠে এই দুই ব্রিজে। তখন ব্রিসবেন নদীর পানিতে উজ্জ্বলভাবে প্রতিফলিত হয় বাংলাদেশের পতাকার রঙ।

এদিন ব্রিসবেনে বসবাসকারী বাংলাদেশিরা মিলিত হন স্টোরি ব্রিজের নিচে। সারাদিন চলতে থাকা বৃষ্টি উপেক্ষা করে সবাই একসঙ্গে গলা মিলিয়ে গেয়ে ওঠেন- ‘আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালবাসি।’ এ যেন অন্য এক অনুভূতি। বিদেশের মাটিতে নিজের দেশের পতাকা দেখতে পারার আনন্দ উপচে পড়ে সবার চোখেমুখে।

ব্যাবের প্রেসিডেন্ট মুনির রহমান বলেন, ‘একজন গর্বিত বাংলাদেশি হিসেবে এই অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। আমাদের অনেক দিনের প্রচেষ্টার ফলে এ আয়োজন করা সম্ভব হয়েছে। এটি আমাদের সূচনা মাত্র। আমরা আগামী দিনে ব্রিসবেন তথা গোটা অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশকে তুলে ধরব আরও উঁচু থেকে উঁচুতে, যা হবে আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের জন্য দেশের প্রতি দায়িত্ব এবং ভালোবাসার দৃষ্টান্ত।’

২০১৮ সাল থেকে এ আয়োজনের চেষ্টা করা হলেও এবারই সম্ভব হলো।

এ আয়োজনের স্বপ্নদ্রষ্টা ড. জিশু দাস গুপ্ত বলেন, ‘২০১৮ সাল থেকে আমার ও কমিউনিটির সব সদস্যের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ চেষ্টার ফলেই আমাদের এ অর্জন। আমরা চাই এ অর্জন ছড়িয়ে পড়ুক পৃথিবীর আনাচে-কানাচে। জ্বলে উঠুক বাংলাদেশের নাম।’