ঢাকা ১২:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
জাতীয় ঐক্যের ডাক দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেষ হলো জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন তায়েফের বুকে যে মসজিদ মুসলিমদের জন্য এক টুকরো সান্ত্বনা পে স্কেলে বদলাচ্ছে ইনক্রিমেন্ট নীতি, কোন গ্রেডে কত শিগগিরই ১০ হাজার পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ দেবে সরকার অন্তরঙ্গ ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার ভয়ে জোবায়েদকে হত্যা, তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র বাংলাদেশি সমর্থকদের স্কালোনির ধন্যবাদ দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তারেক রহমান ‘মত পার্থক্য থাকতে পারে, ঐক্য যেন নষ্ট না হয়’ শেখ হাসিনার আত্মসমর্পণের কোনো সুযোগ নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৃষিতে ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়নে আইফার্মারের সাথে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

হত্যা মামলা ধামাচাপা : তারেকের বিষয়ে রায় ১৬ মার্চ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৯:২৫:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৬
  • ৪৮৭ বার

বসুন্ধরা গ্রুপের পরিচালক হুমায়ুন কবির সাব্বির হত্যাকাণ্ড ধামাচাপা দিতে তারেক রহমানসহ কয়েকজনের ২১ কোটি টাকা ঘুষ গ্রহণের মামলা বাতিল প্রশ্নে জারি করা রুলের ওপর রায় ঘোষণার জন্য আগামী ১৬ মার্চ দিন ঠিক করেছেন হাইকোর্ট।

জারি করা রুলের ওপর চূড়ান্ত শুনানি শেষে আজ মঙ্গলবার হাই কোর্টের বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি মাহমুদুল হকের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে এই আদেশ দিয়েছেন।

দুদকের দায়ের করা মামলা বাতিল চেয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমান ছাড়া বাকি তিন আবেদনকারী হলেন- সাবেক চারদলীয় জোট সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, বসুন্ধরা গ্রুপের পরিচালক আবু সুফিয়ান ও ব্যবসায়ী কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামাল।

আজ আদালতে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট এজে মোহাম্মদ আলী, ব্যারিস্টার এম মাহবুবউদ্দিন খোকন ও রাগিফ রউফ চৌধুরী। অপরদিকে দুদকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। ১৬ মার্চ রায় ঘোষণার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ব্যারিস্টার এম মাহবুবউদ্দিন খোকন।

২০০৬ সালের ৪ জুলাই বসুন্ধরা গ্রুপের পরিচালক সাব্বির খুন হলে একটি হত্যা মামলা হয়। ওই হত্যাকাণ্ড ধামাচাপা দিতে ২১ কোটি টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে ২০০৭ সালের ৪ অক্টোবর দুদকের উপ-পরিচালক আবুল কাসেম রমনা থানায় এই মামলাটি করেন; যাতে তারেক রহমানসহ আটজনকে আসামি করা হয়।

২০০৮ সালের ২৩ এপ্রিল ওই আট আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় দুদক। সে সময় জাতীয় সংসদ ভবনে স্থাপিত বিশেষ জজ আদালতে ২০০৮ সালের ১৪ জুলাই আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

এরপর মামলা দায়ের ও অভিযোগ গঠনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাই কোর্টে আবেদন করেন তারেক রহমানসহ চারজন।

প্রাথমিক শুনানির পর হাই কোর্ট ওই বছরই রুল জারির পাশাপাশি মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে দেয়। ওই রুলের ওপর শুনানি শুরু হয় চলতি বছর। ওই শুনানি শেষে আগামী ১৬ মার্চ রায় ঘোষণার জন্য দিন ঠিক করলেন হাইকার্ট।

রাগিফ রউফ চৌধুরী বলেন, মামলায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নাম ছিল না। পরে তারা তার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তার বিরুদ্ধে আনা ঘুষ গ্রহণের অভিযোগও সঠিক নয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় ঐক্যের ডাক দিলেন প্রধানমন্ত্রী

হত্যা মামলা ধামাচাপা : তারেকের বিষয়ে রায় ১৬ মার্চ

আপডেট টাইম : ০৯:২৫:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৬

বসুন্ধরা গ্রুপের পরিচালক হুমায়ুন কবির সাব্বির হত্যাকাণ্ড ধামাচাপা দিতে তারেক রহমানসহ কয়েকজনের ২১ কোটি টাকা ঘুষ গ্রহণের মামলা বাতিল প্রশ্নে জারি করা রুলের ওপর রায় ঘোষণার জন্য আগামী ১৬ মার্চ দিন ঠিক করেছেন হাইকোর্ট।

জারি করা রুলের ওপর চূড়ান্ত শুনানি শেষে আজ মঙ্গলবার হাই কোর্টের বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি মাহমুদুল হকের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে এই আদেশ দিয়েছেন।

দুদকের দায়ের করা মামলা বাতিল চেয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমান ছাড়া বাকি তিন আবেদনকারী হলেন- সাবেক চারদলীয় জোট সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, বসুন্ধরা গ্রুপের পরিচালক আবু সুফিয়ান ও ব্যবসায়ী কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামাল।

আজ আদালতে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট এজে মোহাম্মদ আলী, ব্যারিস্টার এম মাহবুবউদ্দিন খোকন ও রাগিফ রউফ চৌধুরী। অপরদিকে দুদকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। ১৬ মার্চ রায় ঘোষণার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ব্যারিস্টার এম মাহবুবউদ্দিন খোকন।

২০০৬ সালের ৪ জুলাই বসুন্ধরা গ্রুপের পরিচালক সাব্বির খুন হলে একটি হত্যা মামলা হয়। ওই হত্যাকাণ্ড ধামাচাপা দিতে ২১ কোটি টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে ২০০৭ সালের ৪ অক্টোবর দুদকের উপ-পরিচালক আবুল কাসেম রমনা থানায় এই মামলাটি করেন; যাতে তারেক রহমানসহ আটজনকে আসামি করা হয়।

২০০৮ সালের ২৩ এপ্রিল ওই আট আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় দুদক। সে সময় জাতীয় সংসদ ভবনে স্থাপিত বিশেষ জজ আদালতে ২০০৮ সালের ১৪ জুলাই আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

এরপর মামলা দায়ের ও অভিযোগ গঠনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাই কোর্টে আবেদন করেন তারেক রহমানসহ চারজন।

প্রাথমিক শুনানির পর হাই কোর্ট ওই বছরই রুল জারির পাশাপাশি মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে দেয়। ওই রুলের ওপর শুনানি শুরু হয় চলতি বছর। ওই শুনানি শেষে আগামী ১৬ মার্চ রায় ঘোষণার জন্য দিন ঠিক করলেন হাইকার্ট।

রাগিফ রউফ চৌধুরী বলেন, মামলায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নাম ছিল না। পরে তারা তার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তার বিরুদ্ধে আনা ঘুষ গ্রহণের অভিযোগও সঠিক নয়।