ঢাকা ১২:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
‘দেশে যদি তেলই না থাকে, তাহলে লংমার্চের গাড়ি কি তেলে চলে না এমন প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিউইয়র্ক সফরে ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক হতে পারে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ব্যাংকে পুরোনো মালিকদের ফেরার পথ বন্ধ চায় সংসদীয় কমিটি প্রধানমন্ত্রীকে দুই বিষয়ে সতর্ক থাকতে বললেন মির্জা আব্বাস ১১ দলীয় ঐক্যের বিশাল সমাবেশ জনগণের প্রয়োজনে যেকোনো সময় আন্দোলনের ডাক: ডা. শফিকুর রহমান ইতিহাসের সেরা ২ নারী গোয়েন্দা ৮ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির দায়িত্ব নেবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী কিছু রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তি বিভ্রান্তির মাধ্যমে অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে: প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধ-পরবর্তী মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র, লক্ষ্য কী দক্ষিণখানে অস্ত্র-মাদকসহ কিশোর গ্যাংয়ের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

চেইন অব কমান্ড রক্ষায় হার্ডলাইনে বিএনপি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৫২:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২০
  • ২৫৪ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ দলে ‘চেইন অব কমান্ড’ রক্ষায় হার্ডলাইনে বিএনপি। কেউ দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গেলে তার বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে হাইকমান্ড। এর অংশ হিসেবে গত এক সপ্তাহে বহিষ্কার করা হয়েছে ১৪ নেতাকে।

 দলের শৃঙ্খলা রক্ষায় অঙ্গসংগঠনের শীর্ষ নেতাদেরও কঠোর হওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বিদ্রোহের ইন্ধনদাতাদের মৌখিকভাবে সতর্ক করা হচ্ছে। এরপরও যারা হাইকমান্ডের নির্দেশ অমান্য করে দলে কোন্দলে ইন্ধন দেবে তাদের বিরুদ্ধেও নেয়া হবে ব্যবস্থা। দলের এমন কঠোর বার্তা ইতোমধ্যে তৃণমূলে পৌঁছে দেয়া হয়েছে।

জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন যুগান্তরকে বলেন, কেউ শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ড করলে তার বিরুদ্ধে শাস্তির বিধান আমাদের গঠনতন্ত্রেই আছে। কেউ গঠনতন্ত্রবিরোধী কাজ করলে অতীতে ব্যবস্থা নিয়েছি, বর্তমানে নিচ্ছি এবং ভবিষ্যতেও নেব।

তিনি বলেন, কোনো ঘটনা ঘটলে আমরা তদন্ত কমিটি করি। সেই কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নিয়ে থাকি। সেখানে ঘটনার ইন্ধনদাতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার মতামত থাকলে সেটাও আমরা গুরুত্বের সঙ্গে দেখে থাকি।

সূত্র জানায়, করোনা মহামারীর কারণে দীর্ঘদিন দলের পুনর্গঠন প্রক্রিয়া স্থগিত ছিল। স্বাস্থ্যবিধি মেনে গত মাস থেকে সীমিত পরিসরে পুনর্গঠন কাজ শুরু করে বিএনপি। পুনর্গঠনকে কেন্দ্র করে তৃণমূলে কোন্দল ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করছে দলটির হাইকমান্ড।

ইতোমধ্যে বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের কমিটি গঠন কেন্দ্র করে বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ হয়েছে। বিভিন্ন জেলা, মহানগর, উপজেলা ও পৌর কমিটি পুনর্গঠনের সময় এ ক্ষোভ আরও ছড়িয়ে পড়তে পারে। এ ছাড়া স্থানীয় সরকার নির্বাচনে মনোনয়ন ঘিরে সারা দেশে কোন্দল ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা আছে। আসন্ন পৌর নির্বাচন কেন্দ্র করে বিভিন্ন স্থানে একাধিক গ্রুপ মুখোমুখি অবস্থান নিয়েছে। প্রার্থী ঘোষণার পর অনেক স্থানেই বিদ্রোহ দেখা দিতে পারে।

এমন পরিস্থিতিতে দলের শৃঙ্খলা ধরে রাখার বিষয়টি ভাবিয়ে তুলেছে দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের। বিশেষ করে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বাসায় হামলার পর নড়েচড়ে বসেছেন তারা। সম্প্রতি স্থায়ী কমিটির বৈঠকে দলের চেইন অব কমান্ড নিয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে প্রায় সব নেতা একই সুরে বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে দলে শৃঙ্খলা ধরে রাখার বিকল্প নেই। পুনর্গঠন বা মনোনয়নকে কেন্দ্র করে কেউ যাতে কোন্দল বা বিদ্রোহ সৃষ্টি করতে না পারে, সে ব্যাপারে এখন থেকেই কঠোর হতে হবে। শৃঙ্খলাবিরোধী কাজ করে কেউ রেহাই পাবেন না-তৃণমূলে এমন একটা বার্তা দিতে হবে।

এ লক্ষ্যে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বাসায় হামলাকারীদের চিহ্নিত করে দ্রুত সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করেন স্থায়ী কমিটির সদস্যরা। দলের এমন কঠোর সিদ্ধান্তের বিষয়টি মহানগর উত্তর বিএনপির শীর্ষ নেতাদের জানিয়ে দেয়া হয়।

এরপর মির্জা ফখরুলের বাসায় হামলার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মহানগর উত্তরের ১২ নেতাকে বহিষ্কার করা হয়। শুধু তাই নয়, ওই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের কয়েক নেতাকেও বহিষ্কার করা হয়। কোনো তদন্ত কমিটি গঠন না করে হামলার ভিডিও ফুটেজ দেখে তাদের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেয়া হয়।

শুধু তাই নয়, ওই ঘটনার ইন্ধনদাতাদের ফোন করে সতর্ক করা হয়েছে। ভবিষ্যতে বিদ্রোহে ইন্ধন দেয়ার প্রমাণ পাওয়া গেলে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়ে দেয়া হয়েছে।

সূত্র জানায়, ঢাকা-১৮ আসনের উপনির্বাচন কেন্দ্র করে এসএম জাহাঙ্গীর ও কফিলউদ্দিন সমর্থকদের মধ্যে ১২ সেপ্টেম্বর গুলশান কার্যালয়ের সামনে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনা তদন্তে দায়িত্ব দেয়া হয় দলের যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকনকে। ইতোমধ্যে তিনি তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন। সেই প্রতিবেদনে সংঘর্ষের সঙ্গে জড়িতদের কঠোর শাস্তির সুপারিশ করা হয়েছে। শিগগির তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হতে পারে।

জানতে চাইলে খায়রুল কবির খোকন যুগান্তরকে বলেন, দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে কিছু করার সুযোগ নেই। যারাই শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকবে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। অন্যথায় দলে চেইন অব কমান্ড বলতে কিছু থাকবে না। গুলশানের ঘটনায় যারা জড়িত, তারাও রেহাই পাবে না। ওই ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করেছি। আশা করি, নীতিনির্ধারকরা দ্রুত এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবেন।

রোববার আজীবন বহিষ্কার করা হয় পটুয়াখালী জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ওয়াহিদ সরোয়ার কালামকে। সম্প্রতি পটুয়াখালী বার মিলনায়তনে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের উদ্যোগে মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। সেখানে কেন্দ্রীয় একটি প্রতিনিধি দলও উপস্থিত ছিল।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

‘দেশে যদি তেলই না থাকে, তাহলে লংমার্চের গাড়ি কি তেলে চলে না এমন প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

চেইন অব কমান্ড রক্ষায় হার্ডলাইনে বিএনপি

আপডেট টাইম : ১১:৫২:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২০

হাওর বার্তা ডেস্কঃ দলে ‘চেইন অব কমান্ড’ রক্ষায় হার্ডলাইনে বিএনপি। কেউ দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গেলে তার বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে হাইকমান্ড। এর অংশ হিসেবে গত এক সপ্তাহে বহিষ্কার করা হয়েছে ১৪ নেতাকে।

 দলের শৃঙ্খলা রক্ষায় অঙ্গসংগঠনের শীর্ষ নেতাদেরও কঠোর হওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বিদ্রোহের ইন্ধনদাতাদের মৌখিকভাবে সতর্ক করা হচ্ছে। এরপরও যারা হাইকমান্ডের নির্দেশ অমান্য করে দলে কোন্দলে ইন্ধন দেবে তাদের বিরুদ্ধেও নেয়া হবে ব্যবস্থা। দলের এমন কঠোর বার্তা ইতোমধ্যে তৃণমূলে পৌঁছে দেয়া হয়েছে।

জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন যুগান্তরকে বলেন, কেউ শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ড করলে তার বিরুদ্ধে শাস্তির বিধান আমাদের গঠনতন্ত্রেই আছে। কেউ গঠনতন্ত্রবিরোধী কাজ করলে অতীতে ব্যবস্থা নিয়েছি, বর্তমানে নিচ্ছি এবং ভবিষ্যতেও নেব।

তিনি বলেন, কোনো ঘটনা ঘটলে আমরা তদন্ত কমিটি করি। সেই কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নিয়ে থাকি। সেখানে ঘটনার ইন্ধনদাতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার মতামত থাকলে সেটাও আমরা গুরুত্বের সঙ্গে দেখে থাকি।

সূত্র জানায়, করোনা মহামারীর কারণে দীর্ঘদিন দলের পুনর্গঠন প্রক্রিয়া স্থগিত ছিল। স্বাস্থ্যবিধি মেনে গত মাস থেকে সীমিত পরিসরে পুনর্গঠন কাজ শুরু করে বিএনপি। পুনর্গঠনকে কেন্দ্র করে তৃণমূলে কোন্দল ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করছে দলটির হাইকমান্ড।

ইতোমধ্যে বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের কমিটি গঠন কেন্দ্র করে বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ হয়েছে। বিভিন্ন জেলা, মহানগর, উপজেলা ও পৌর কমিটি পুনর্গঠনের সময় এ ক্ষোভ আরও ছড়িয়ে পড়তে পারে। এ ছাড়া স্থানীয় সরকার নির্বাচনে মনোনয়ন ঘিরে সারা দেশে কোন্দল ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা আছে। আসন্ন পৌর নির্বাচন কেন্দ্র করে বিভিন্ন স্থানে একাধিক গ্রুপ মুখোমুখি অবস্থান নিয়েছে। প্রার্থী ঘোষণার পর অনেক স্থানেই বিদ্রোহ দেখা দিতে পারে।

এমন পরিস্থিতিতে দলের শৃঙ্খলা ধরে রাখার বিষয়টি ভাবিয়ে তুলেছে দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের। বিশেষ করে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বাসায় হামলার পর নড়েচড়ে বসেছেন তারা। সম্প্রতি স্থায়ী কমিটির বৈঠকে দলের চেইন অব কমান্ড নিয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে প্রায় সব নেতা একই সুরে বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে দলে শৃঙ্খলা ধরে রাখার বিকল্প নেই। পুনর্গঠন বা মনোনয়নকে কেন্দ্র করে কেউ যাতে কোন্দল বা বিদ্রোহ সৃষ্টি করতে না পারে, সে ব্যাপারে এখন থেকেই কঠোর হতে হবে। শৃঙ্খলাবিরোধী কাজ করে কেউ রেহাই পাবেন না-তৃণমূলে এমন একটা বার্তা দিতে হবে।

এ লক্ষ্যে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বাসায় হামলাকারীদের চিহ্নিত করে দ্রুত সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করেন স্থায়ী কমিটির সদস্যরা। দলের এমন কঠোর সিদ্ধান্তের বিষয়টি মহানগর উত্তর বিএনপির শীর্ষ নেতাদের জানিয়ে দেয়া হয়।

এরপর মির্জা ফখরুলের বাসায় হামলার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মহানগর উত্তরের ১২ নেতাকে বহিষ্কার করা হয়। শুধু তাই নয়, ওই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের কয়েক নেতাকেও বহিষ্কার করা হয়। কোনো তদন্ত কমিটি গঠন না করে হামলার ভিডিও ফুটেজ দেখে তাদের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেয়া হয়।

শুধু তাই নয়, ওই ঘটনার ইন্ধনদাতাদের ফোন করে সতর্ক করা হয়েছে। ভবিষ্যতে বিদ্রোহে ইন্ধন দেয়ার প্রমাণ পাওয়া গেলে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়ে দেয়া হয়েছে।

সূত্র জানায়, ঢাকা-১৮ আসনের উপনির্বাচন কেন্দ্র করে এসএম জাহাঙ্গীর ও কফিলউদ্দিন সমর্থকদের মধ্যে ১২ সেপ্টেম্বর গুলশান কার্যালয়ের সামনে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনা তদন্তে দায়িত্ব দেয়া হয় দলের যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকনকে। ইতোমধ্যে তিনি তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন। সেই প্রতিবেদনে সংঘর্ষের সঙ্গে জড়িতদের কঠোর শাস্তির সুপারিশ করা হয়েছে। শিগগির তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হতে পারে।

জানতে চাইলে খায়রুল কবির খোকন যুগান্তরকে বলেন, দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে কিছু করার সুযোগ নেই। যারাই শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকবে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। অন্যথায় দলে চেইন অব কমান্ড বলতে কিছু থাকবে না। গুলশানের ঘটনায় যারা জড়িত, তারাও রেহাই পাবে না। ওই ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করেছি। আশা করি, নীতিনির্ধারকরা দ্রুত এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবেন।

রোববার আজীবন বহিষ্কার করা হয় পটুয়াখালী জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ওয়াহিদ সরোয়ার কালামকে। সম্প্রতি পটুয়াখালী বার মিলনায়তনে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের উদ্যোগে মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। সেখানে কেন্দ্রীয় একটি প্রতিনিধি দলও উপস্থিত ছিল।