ঢাকা ০২:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
আমরা সবাই বাংলাদেশের অধিবাসী, কেউ ‘আদিবাসী’ নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনগণ অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হলেই রাষ্ট্র শক্তিশালী হবে: প্রধানমন্ত্রী সরকারের ১৮০ দিনের অর্জন-সীমাবদ্ধতা জনতার কাছে তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী অধিনায়ক হলে গোল উদযাপন করার সময় পাবেন না হালান্ড সরকারি ভবনে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত কৃষি মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব নিয়োগ রাষ্ট্রপতি ভোটের বৈঠক আহ্বান করলেন সিইসি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান সমঝোতার কাছাকাছি—দাবি পাকিস্তানের পানিতে তলিয়ে আছে কমিউনিটি ক্লিনিক, নেই স্বাস্থ্যসেবা রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুল ‘প্রায় চূড়ান্ত’, নতুন মহাসচিব কে?

চাকরি না হিজাব এই নিয়ে দ্বিধায় ভুগছেন সিঙ্গাপুরের নারীরা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০২:১৯:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০
  • ২৫৬ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ সিঙ্গাপুরে হিজাব পরা নিয়ে বিতর্ক নতুন নয়। এই নিয়ে আবারো তৈরি হচ্ছে বিব্রতকর পরিস্থিতি। দেশের একটি সরকারি হাসপাতালে চাকরি করেন ফারাহ (ছদ্মনাম)৷ তরুণ বয়স থেকেই হিজাব পরেন তিনি৷ কিন্তু যে হাসপাতালে তিনি কাজ করেন, সেখানে হিাজাব পরা নিষেধ। আর তাই কাজ শুরুর আগে হিজাবটি খুলে ফেলেন ফারাহ৷শুধু ফরাহ সিঙ্গাপুরের অনেক নারী এ পরিস্থিতির স্বীকার।

ফারাহ( ছদ্মনাম) বলেন, ‘দুই বছর আগে যখন চাকরির পরীক্ষা দিতে এসেছিলাম, তখন তারা আমাকে বলেছিল, হিজাব পরে এখানে কাজ করা যাবে না৷ আমি অসহায় হয়ে পড়ি৷’ তিনি বলেন, কাজ শুরুর আগে হিজাব খুলে ফেলার বিষয়টি খেয়াল রাখতে হয় তাকে৷

সিঙ্গাপুরে এমন পরিস্থিতির শিকার হয়েছেন আরো অনেকে৷ গত মাসে একটি খাবারের দোকানের মহিলাকর্মীকে হিজাব খুলে ফেলতে বলেছিল কর্তৃপক্ষ৷ দেশজুড়েই তখন বিতর্ক শুরু হয় বিষয়টি নিয়ে৷ দেশটির প্রেসিডেন্ট হালিমাহ ইয়াকুব বলেন, হিজাবের বিষয়ে কোন বৈষম্যমূলক আচরণের সুযোগ তিনি দেখেন না্। একই কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীও৷ সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী লি সিয়েন লুং বলেন, কর্মক্ষেত্রে এ ধরনের বৈষম্য বিরক্তিকর৷ এমন আচরণ মানুষের রুটিরুজির উপর প্রভাব ফেলে৷

চল্লিশ লাখ লোকের দেশ সিঙ্গাপুরে শতকরা ১৫ ভাগ মুসলিম৷তবুও পুলিশ বিভাগসহ দেশটির বেশ কিছু কর্মক্ষেত্রে হিজাব পরিধানে নিষেধাজ্ঞা আছে৷ এই নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে একটি আন্দোলনও শুরু হয়েছে সম্প্রতি৷ ইতোমধ্যে প্রায় ৫০ হাজার লোক আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়ে স্বাক্ষর করেছেন৷ ২০১৩ সালে দেশটির মুসলিম বিষয়ক মন্ত্রী ইয়াকুব ইব্রাহিম বলেন, কোনো কোনো কর্মক্ষেত্রে হিজাব পরে কাজ করা নারীদের জন্য ‘সমস্যাজনক’ হতে পারে৷

কর্মক্ষেত্রে হিজাব নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত নারী উন্নয়নে নেতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন দেশটিতে মুসলিম নারীদের উন্নয়নে কাজ করা কর্মীরা৷ তারা বলছেন, নিষেধাজ্ঞার ফলে নারীরা কর্মক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়বে৷

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

আমরা সবাই বাংলাদেশের অধিবাসী, কেউ ‘আদিবাসী’ নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

চাকরি না হিজাব এই নিয়ে দ্বিধায় ভুগছেন সিঙ্গাপুরের নারীরা

আপডেট টাইম : ০২:১৯:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০

হাওর বার্তা ডেস্কঃ সিঙ্গাপুরে হিজাব পরা নিয়ে বিতর্ক নতুন নয়। এই নিয়ে আবারো তৈরি হচ্ছে বিব্রতকর পরিস্থিতি। দেশের একটি সরকারি হাসপাতালে চাকরি করেন ফারাহ (ছদ্মনাম)৷ তরুণ বয়স থেকেই হিজাব পরেন তিনি৷ কিন্তু যে হাসপাতালে তিনি কাজ করেন, সেখানে হিাজাব পরা নিষেধ। আর তাই কাজ শুরুর আগে হিজাবটি খুলে ফেলেন ফারাহ৷শুধু ফরাহ সিঙ্গাপুরের অনেক নারী এ পরিস্থিতির স্বীকার।

ফারাহ( ছদ্মনাম) বলেন, ‘দুই বছর আগে যখন চাকরির পরীক্ষা দিতে এসেছিলাম, তখন তারা আমাকে বলেছিল, হিজাব পরে এখানে কাজ করা যাবে না৷ আমি অসহায় হয়ে পড়ি৷’ তিনি বলেন, কাজ শুরুর আগে হিজাব খুলে ফেলার বিষয়টি খেয়াল রাখতে হয় তাকে৷

সিঙ্গাপুরে এমন পরিস্থিতির শিকার হয়েছেন আরো অনেকে৷ গত মাসে একটি খাবারের দোকানের মহিলাকর্মীকে হিজাব খুলে ফেলতে বলেছিল কর্তৃপক্ষ৷ দেশজুড়েই তখন বিতর্ক শুরু হয় বিষয়টি নিয়ে৷ দেশটির প্রেসিডেন্ট হালিমাহ ইয়াকুব বলেন, হিজাবের বিষয়ে কোন বৈষম্যমূলক আচরণের সুযোগ তিনি দেখেন না্। একই কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীও৷ সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী লি সিয়েন লুং বলেন, কর্মক্ষেত্রে এ ধরনের বৈষম্য বিরক্তিকর৷ এমন আচরণ মানুষের রুটিরুজির উপর প্রভাব ফেলে৷

চল্লিশ লাখ লোকের দেশ সিঙ্গাপুরে শতকরা ১৫ ভাগ মুসলিম৷তবুও পুলিশ বিভাগসহ দেশটির বেশ কিছু কর্মক্ষেত্রে হিজাব পরিধানে নিষেধাজ্ঞা আছে৷ এই নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে একটি আন্দোলনও শুরু হয়েছে সম্প্রতি৷ ইতোমধ্যে প্রায় ৫০ হাজার লোক আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়ে স্বাক্ষর করেছেন৷ ২০১৩ সালে দেশটির মুসলিম বিষয়ক মন্ত্রী ইয়াকুব ইব্রাহিম বলেন, কোনো কোনো কর্মক্ষেত্রে হিজাব পরে কাজ করা নারীদের জন্য ‘সমস্যাজনক’ হতে পারে৷

কর্মক্ষেত্রে হিজাব নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত নারী উন্নয়নে নেতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন দেশটিতে মুসলিম নারীদের উন্নয়নে কাজ করা কর্মীরা৷ তারা বলছেন, নিষেধাজ্ঞার ফলে নারীরা কর্মক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়বে৷