ঢাকা ০৬:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ইটনায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্র্যাক সদস্যদের মাঝে হাঁসের বাচ্চা ও সবজি বীজ বিতরণ তালবাহানায় আটকে গভর্নিং বডি নির্বাচন, প্রশ্নের মুখে আইডিয়াল কর্তৃপক্ষ অবহেলায় অনেক স্কুলের অবকাঠামোর বেহাল দশা: জুবাইদা রহমান গ্লোবাল পিস ইনডেক্স ২০২৬ দক্ষিণ এশিয়ায় চতুর্থ শান্তিপূর্ণ দেশ বাংলাদেশ ক্রমান্বয়ে স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদ্রাসা এমপিওভুক্ত করা হবে পুরস্কারের গাড়ি মাকে উপহার দেবেন তাওহীদ হৃদয় ইসলামী ব্যাংকে নতুন প্রশাসক নিয়োগ জিয়াউর রহমানের জীবন ও দর্শন নিয়ে গবেষণার আহ্বান ফখরুলের পাখির চোখে সীমান্ত পাহারার ছক, কঠোর নজরদারি বাড়াচ্ছে সরকার বেনজীরের গ্রেপ্তারের খবরে আনন্দিত পরীমণি

খালেদা-গয়েশ্বরের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:০৭:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ জানুয়ারী ২০১৬
  • ৬৪৫ বার

মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টির অভিযোগে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এবং দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের বিরুদ্ধে দায়ের করা মানহানির মামলার বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা মহানগর হাকিম মো. আমিনুল হকের আদালত শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) এ বিষয়ে তদন্ত করে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।

আজ সকালে জননেত্রী পরিষদের সভাপতি এবি সিদ্দিকী ঢাকা সিএমএম আদালতে তাদের বিরুদ্ধে একটি মানহানির মামলা করেন। মামলার শুনানি শেষে আদালত এ আদেশ দেন।

এর আগে গত ২৭ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট মশিউর মালেক একই অভিযোগে আর একটি মামলা দায়ের করেন। এরও আগে নড়াইল জেলা আদালতে আরও একটি মামলা দায়ের হয়। তবে ওই দুই মামলায় গয়েশ^র চন্দ্র রায় আসামি নন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৫ সালের ২১ ডিসেম্বর রাজধানীতে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল আয়োজিত এক আলোচনা সভায় খালেদা জিয়া বলেন, ‘তিনি তো (বঙ্গবন্ধু) বাংলাদেশের স্বাধীনতা চাননি, তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে চেয়েছিলেন। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। আজকে বলা হয়, এতো শহীদ হয়েছে, এটা নিয়েও অনেক বিতর্ক আছে।’

অন্যদিকে গত ২৫ ডিসেম্বর জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয় ও রিজভী আহমেদ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রসঙ্গে গয়েশ্বর চন্দ্র বলেন, ‘একাত্তরের ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত যারা পাকিস্তানের বেতন ভাতা খেয়েছেন, তারা নির্বোধের মতো মারা গেলেন। আমাদের মতো নির্বোধরা শহীদ বুদ্ধিজীবী হিসেবে তাদের ফুল দেই, আবার না গেলে পাপ হয়। তারা (শহীদ বুদ্ধিজীবী) যদি বুদ্ধিমান হতেন তবে ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত নিজ ঘরে থাকলেন কেন।’

এসব বক্তব্য পরদিন বিভিন্ন জাতীয় পত্র প্রত্রিকায় প্রকাশিত হয়। যেহেতু উক্ত বক্তব্য বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের শহীদ ও শহীদ বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে কটাক্ষ করে, স্বাধীনতা যুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর অবদান এবং ভূমিকাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। যা মানহানিকর।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ইটনায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্র্যাক সদস্যদের মাঝে হাঁসের বাচ্চা ও সবজি বীজ বিতরণ

খালেদা-গয়েশ্বরের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ

আপডেট টাইম : ১০:০৭:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ জানুয়ারী ২০১৬

মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টির অভিযোগে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এবং দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের বিরুদ্ধে দায়ের করা মানহানির মামলার বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা মহানগর হাকিম মো. আমিনুল হকের আদালত শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) এ বিষয়ে তদন্ত করে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।

আজ সকালে জননেত্রী পরিষদের সভাপতি এবি সিদ্দিকী ঢাকা সিএমএম আদালতে তাদের বিরুদ্ধে একটি মানহানির মামলা করেন। মামলার শুনানি শেষে আদালত এ আদেশ দেন।

এর আগে গত ২৭ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট মশিউর মালেক একই অভিযোগে আর একটি মামলা দায়ের করেন। এরও আগে নড়াইল জেলা আদালতে আরও একটি মামলা দায়ের হয়। তবে ওই দুই মামলায় গয়েশ^র চন্দ্র রায় আসামি নন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৫ সালের ২১ ডিসেম্বর রাজধানীতে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল আয়োজিত এক আলোচনা সভায় খালেদা জিয়া বলেন, ‘তিনি তো (বঙ্গবন্ধু) বাংলাদেশের স্বাধীনতা চাননি, তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে চেয়েছিলেন। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। আজকে বলা হয়, এতো শহীদ হয়েছে, এটা নিয়েও অনেক বিতর্ক আছে।’

অন্যদিকে গত ২৫ ডিসেম্বর জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয় ও রিজভী আহমেদ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রসঙ্গে গয়েশ্বর চন্দ্র বলেন, ‘একাত্তরের ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত যারা পাকিস্তানের বেতন ভাতা খেয়েছেন, তারা নির্বোধের মতো মারা গেলেন। আমাদের মতো নির্বোধরা শহীদ বুদ্ধিজীবী হিসেবে তাদের ফুল দেই, আবার না গেলে পাপ হয়। তারা (শহীদ বুদ্ধিজীবী) যদি বুদ্ধিমান হতেন তবে ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত নিজ ঘরে থাকলেন কেন।’

এসব বক্তব্য পরদিন বিভিন্ন জাতীয় পত্র প্রত্রিকায় প্রকাশিত হয়। যেহেতু উক্ত বক্তব্য বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের শহীদ ও শহীদ বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে কটাক্ষ করে, স্বাধীনতা যুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর অবদান এবং ভূমিকাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। যা মানহানিকর।