ঢাকা ০৭:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বিশ্বকাপে দর্শক উপস্থিতির নতুন রেকর্ড দারুণ ফিচার চালু করছে হোয়াটসঅ্যাপ ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের হারের নেপথ্যে শরীরে নেই পোশাক, ব্রাজিলীয় সুন্দরীর কান্ড মামলার কারণে শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতি আটকে আছে : শিক্ষামন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির কারণে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশু আয়াতকে হত্যার পর মরদেহ ৬ টুকরো : আসামি আবীরের মৃত্যুদণ্ড সংসদে ‘অঙ্গুলিনির্দেশ’ এক্সপাঞ্জের দাবি হিলালীর, স্পিকার বললেন—‘করা যাবে না’ হাসপাতালে হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অপরিষ্কার পরিবেশ দেখে ক্ষোভ বাজেট-জনবল সংকটের অজুহাতে নাগরিক সেবা ব্যাহত করা যাবে না

শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়িতে সব ধরণের নৌপথ ফেরি চলাচল বন্ধ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:৫৯:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২০
  • ২৮৫ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ নাব্যতা সংকটের কারণে শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটে ফেরি আটকে গিয়ে নৌপথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ফেরি চলাচলও বন্ধ হয়ে গেছে। আজ বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালের এ ঘটনার পর ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। এসময় ঘাটে মাইকিং করে বিকল্প রুট ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষ।

এদিকে, শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটে প্রচুর স্রোত আর নাব্যতা সংকটে ফেরি চলাচলে অচলবস্থা বিরাজ করছে। রো রো ফেরি চলাচলের জন্য নূন্যতম সাড়ে সাত ফিট পানির গভীরতা দরকার হলেও নৌ চ্যানেলে পানি রয়েছে ৬ ফিটের নীচে। ফলে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে রো রো ফেরি চলাচল। মাত্র তিন থেকে চারটি ফেরি দিনের বেলায় চলাচল করছে। আর রাতে পুরোপুরি বন্ধ রাখা হয়েছে ফেরি সার্ভিস। এতে ঘাটে দেখা দিয়েছে যানজট। যানজটে আটকে পড়া যাত্রীরা চরম বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন উভয় ঘাটে।

বিআইডব্লিউটিসির শিমুলিয়া ঘাটস্থ এজিএম মো. শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, নাব্যতা সংকটের কারণে ফেরিগুলো লৌহজং টানিং পয়েন্টের চ্যানেল দিয়ে চলাচল করতে পারছে না। এ চ্যানেলে পানির গভীরতা ৬ ফুটের নীচে নেমে এসেছে। অথচ রো রো ফেরি চলাচলের জন্য নূন্যতম সাড়ে ৭ ফিট পানির গভীরতা প্রয়োজন। ফেরিগুলো এখন পদ্মা সেতুর বিশেষ চ্যানেল দিয়ে চলাচল করছে। কিন্তু এ চ্যানেলটি সরু হওয়ায় বিপরীত মুখি দুটি ফেরি একসাথে চলাচল করতে পারে না। তাছাড়া চ্যানেলের মাথায় প্রচন্ড স্রোত থাকায় ছোট ও মধ্যম আকৃতির ফেরিগুলো স্রোতের সাথে প্রতিযোগিতায় টিকতে পারছে না। তাই সীমিত করা হয়েছে ফেরি চলাচল। মাত্র ৩ থেকে ৪টি ফেরি দিনের বেলায় চলাচল করছে। আর কোনো প্রকার দুর্ঘটনা এড়াতে রাতে বন্ধ রাখা হয়েছে ফেরি চলাচল। গত রাতে বন্ধ থাকায় পর বৃহস্পতিবার ভোর পোনে ৬টার দিকে কাঠাঁলবাড়ি ঘাট থেকে ফেরি কিশোরী এবং শিমুলিয়া ঘাট থেকে ফেরি কাকলী ও কলমীলতা নামে তিনটি ফেরি লোড নিয়ে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। কিন্তু পদ্মা সেতুর বিশেষ চ্যানেল পৌঁছালে নাবত্যা সংকটের কারণে কিশোরী নামের ফেরিটি নদীতে আটকে যায়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বকাপে দর্শক উপস্থিতির নতুন রেকর্ড

শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়িতে সব ধরণের নৌপথ ফেরি চলাচল বন্ধ

আপডেট টাইম : ১০:৫৯:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২০

হাওর বার্তা ডেস্কঃ নাব্যতা সংকটের কারণে শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটে ফেরি আটকে গিয়ে নৌপথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ফেরি চলাচলও বন্ধ হয়ে গেছে। আজ বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালের এ ঘটনার পর ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। এসময় ঘাটে মাইকিং করে বিকল্প রুট ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষ।

এদিকে, শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটে প্রচুর স্রোত আর নাব্যতা সংকটে ফেরি চলাচলে অচলবস্থা বিরাজ করছে। রো রো ফেরি চলাচলের জন্য নূন্যতম সাড়ে সাত ফিট পানির গভীরতা দরকার হলেও নৌ চ্যানেলে পানি রয়েছে ৬ ফিটের নীচে। ফলে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে রো রো ফেরি চলাচল। মাত্র তিন থেকে চারটি ফেরি দিনের বেলায় চলাচল করছে। আর রাতে পুরোপুরি বন্ধ রাখা হয়েছে ফেরি সার্ভিস। এতে ঘাটে দেখা দিয়েছে যানজট। যানজটে আটকে পড়া যাত্রীরা চরম বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন উভয় ঘাটে।

বিআইডব্লিউটিসির শিমুলিয়া ঘাটস্থ এজিএম মো. শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, নাব্যতা সংকটের কারণে ফেরিগুলো লৌহজং টানিং পয়েন্টের চ্যানেল দিয়ে চলাচল করতে পারছে না। এ চ্যানেলে পানির গভীরতা ৬ ফুটের নীচে নেমে এসেছে। অথচ রো রো ফেরি চলাচলের জন্য নূন্যতম সাড়ে ৭ ফিট পানির গভীরতা প্রয়োজন। ফেরিগুলো এখন পদ্মা সেতুর বিশেষ চ্যানেল দিয়ে চলাচল করছে। কিন্তু এ চ্যানেলটি সরু হওয়ায় বিপরীত মুখি দুটি ফেরি একসাথে চলাচল করতে পারে না। তাছাড়া চ্যানেলের মাথায় প্রচন্ড স্রোত থাকায় ছোট ও মধ্যম আকৃতির ফেরিগুলো স্রোতের সাথে প্রতিযোগিতায় টিকতে পারছে না। তাই সীমিত করা হয়েছে ফেরি চলাচল। মাত্র ৩ থেকে ৪টি ফেরি দিনের বেলায় চলাচল করছে। আর কোনো প্রকার দুর্ঘটনা এড়াতে রাতে বন্ধ রাখা হয়েছে ফেরি চলাচল। গত রাতে বন্ধ থাকায় পর বৃহস্পতিবার ভোর পোনে ৬টার দিকে কাঠাঁলবাড়ি ঘাট থেকে ফেরি কিশোরী এবং শিমুলিয়া ঘাট থেকে ফেরি কাকলী ও কলমীলতা নামে তিনটি ফেরি লোড নিয়ে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। কিন্তু পদ্মা সেতুর বিশেষ চ্যানেল পৌঁছালে নাবত্যা সংকটের কারণে কিশোরী নামের ফেরিটি নদীতে আটকে যায়।