ঢাকা ১১:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
যেকোনো সময় বন্ধ হতে পারে দেশের সব পেট্রোল পাম্প মানুষের সেবাই সরকারের মূল লক্ষ্য: মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম ঢাবির ডিন থেকে বাউবির উপাচার্য হচ্ছেন ড. ছিদ্দিকুর রহমান খান, অভিজ্ঞতায় ভরসা রাখছে সরকার বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হক নূরুর ইন্তেকাল শাসক হিসেবে নয় জনগণের ক্ষমতায়নের জন্য কাজ করছে সরকার : তথ্যমন্ত্রী ২৬ মার্চ স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাবেন প্রধানমন্ত্রী ঈদের ছুটিতে মেট্রো রেলে উপচে পড়া ভিড় ই-হেলথ কার্ড: ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবায় নতুন ধারা কঠিন পরিস্থিতিতেও জ্বালানি তেলের দাম না বাড়িয়ে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী ইরান যুদ্ধ যেভাবে ইংল্যান্ডে বলের সংকট তৈরি করল

বিশ্ব ইজতেমায় আজ প্রথম জুমা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:৫৩:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ জানুয়ারী ২০১৬
  • ৪৪২ বার

হজের পর বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহৎ সম্মেলন বিশ্বইজতেমা। লাখো মানুষের ইজতেমা। আল্লাহর জিকির বেশি হয়। ইবাদত বেশি হয়। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ সামিয়ানার ভেতর আদায় হয়। এতে তেমন সমস্যা দেখা যায় না। কিন্তু জুমার নামাজে বরকত হাসিলের জন্য দূর দুরান্ত থেকে ছুটে আসে মুমিন মুসলমান। সামিয়ানায় জায়গা হয় না সব মুসল্লির। মাট, ঘাট, নদীর পাড়, লঞ্চ, কালভার্ট, আশপাশের রাস্তা, এমনকি হাইওয়ে পর্যন্ত সব বন্ধ হয়ে যায়। লোকে লোকারণ্য।

তালের পাটি, পাটের চট, কার্পেট কিংবা কাপড় নয়, এক সময় মানুষ মাটিতে বা জীব-জন্তুর ছবি সংবলিত পত্রিকায় পা রেখে দাঁড়িয়ে যায়। সামিয়ানার বাইরে মাইক থাকে না। এ ছাড়া মুকাব্বিরের আওয়াজ বাইরে যাওয়ার সুযোগও নেই। কর্তৃপক্ষ জুমার জন্য বিশেষ ব্যবস্থাও রাখেন না। তাহলে সামিয়ানার বাইরের প্রায় দুই-আড়াই কিলোমিটারজুড়ে দাঁড়ানো মুসল্লিদের কী অবস্থা? ইমামের আওয়াজ বা মুকাব্বিরের আওয়াজ না শুনে রুকু-সেজদা করবেন কীভাবে? দূরে দাঁড়ানো মানুষগুলো ইমামের অনুসরণ করার একমাত্র ভরসা গাইবি আওয়াজ। কিন্তু এ আওয়াজ ইমাম থেকে আসছে, না অন্য কোথায়ও থেকে, জানার উপায় নেই। ফলে ঘটে বিভ্রান্তি। ইমাম রুকুতে গেলে মুসল্লিরা সেজদায় চলে যায়। ইমাম সেজদা থেকে উঠে কেরাত শেষ করে ফেলেন কিন্তু মুসল্লিরা সেজদায় পড়ে থাকেন। আবার ইমাম সেজদায় থাকার সময় মুসল্লিরা সালাম ফিরিয়ে ফেলেন, এমন ঘটনা অহরহ। কেবলা ঠিক থাকে না এমন মুসল্লির সংখ্যাও কি কম? অথচ, নামাজ আদায়ে কেবলামুখী না হলে, ইমামের অনুসরণ না করলে, ইমামকে সেজদায় রেখে সালাম ফিরিয়ে ফেললে বা সেজদায় রেখে দাঁড়িয়ে গেলে নামাজ সহিহ হবে না। আবারও নামাজ পড়তে হয়। মাসালাটি জানা না থাকায় অধিক সওয়াবের জন্য গিয়ে গুণাহ করে ফেলেন কেউ কেউ। ইজতেমা কর্তৃপক্ষ ধর্মপ্রাণ মানুষদের বিশাল এ আয়োজন থেকে বঞ্চিত না হওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে প্রয়োজনীয় মাইকের ব্যবস্থা করলে, হাজারও মানুষ এ ক্ষতি থেকে বাঁচতে পারবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

যেকোনো সময় বন্ধ হতে পারে দেশের সব পেট্রোল পাম্প

বিশ্ব ইজতেমায় আজ প্রথম জুমা

আপডেট টাইম : ১২:৫৩:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ জানুয়ারী ২০১৬

হজের পর বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহৎ সম্মেলন বিশ্বইজতেমা। লাখো মানুষের ইজতেমা। আল্লাহর জিকির বেশি হয়। ইবাদত বেশি হয়। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ সামিয়ানার ভেতর আদায় হয়। এতে তেমন সমস্যা দেখা যায় না। কিন্তু জুমার নামাজে বরকত হাসিলের জন্য দূর দুরান্ত থেকে ছুটে আসে মুমিন মুসলমান। সামিয়ানায় জায়গা হয় না সব মুসল্লির। মাট, ঘাট, নদীর পাড়, লঞ্চ, কালভার্ট, আশপাশের রাস্তা, এমনকি হাইওয়ে পর্যন্ত সব বন্ধ হয়ে যায়। লোকে লোকারণ্য।

তালের পাটি, পাটের চট, কার্পেট কিংবা কাপড় নয়, এক সময় মানুষ মাটিতে বা জীব-জন্তুর ছবি সংবলিত পত্রিকায় পা রেখে দাঁড়িয়ে যায়। সামিয়ানার বাইরে মাইক থাকে না। এ ছাড়া মুকাব্বিরের আওয়াজ বাইরে যাওয়ার সুযোগও নেই। কর্তৃপক্ষ জুমার জন্য বিশেষ ব্যবস্থাও রাখেন না। তাহলে সামিয়ানার বাইরের প্রায় দুই-আড়াই কিলোমিটারজুড়ে দাঁড়ানো মুসল্লিদের কী অবস্থা? ইমামের আওয়াজ বা মুকাব্বিরের আওয়াজ না শুনে রুকু-সেজদা করবেন কীভাবে? দূরে দাঁড়ানো মানুষগুলো ইমামের অনুসরণ করার একমাত্র ভরসা গাইবি আওয়াজ। কিন্তু এ আওয়াজ ইমাম থেকে আসছে, না অন্য কোথায়ও থেকে, জানার উপায় নেই। ফলে ঘটে বিভ্রান্তি। ইমাম রুকুতে গেলে মুসল্লিরা সেজদায় চলে যায়। ইমাম সেজদা থেকে উঠে কেরাত শেষ করে ফেলেন কিন্তু মুসল্লিরা সেজদায় পড়ে থাকেন। আবার ইমাম সেজদায় থাকার সময় মুসল্লিরা সালাম ফিরিয়ে ফেলেন, এমন ঘটনা অহরহ। কেবলা ঠিক থাকে না এমন মুসল্লির সংখ্যাও কি কম? অথচ, নামাজ আদায়ে কেবলামুখী না হলে, ইমামের অনুসরণ না করলে, ইমামকে সেজদায় রেখে সালাম ফিরিয়ে ফেললে বা সেজদায় রেখে দাঁড়িয়ে গেলে নামাজ সহিহ হবে না। আবারও নামাজ পড়তে হয়। মাসালাটি জানা না থাকায় অধিক সওয়াবের জন্য গিয়ে গুণাহ করে ফেলেন কেউ কেউ। ইজতেমা কর্তৃপক্ষ ধর্মপ্রাণ মানুষদের বিশাল এ আয়োজন থেকে বঞ্চিত না হওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে প্রয়োজনীয় মাইকের ব্যবস্থা করলে, হাজারও মানুষ এ ক্ষতি থেকে বাঁচতে পারবে।