ঢাকা ১১:৪৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
সড়ক দুর্ঘটনায় আহত জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী স্কয়ার হাসপাতালে ৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ: বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ পেনশনের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, অডিট কর্মকর্তা ইশরাত বরখাস্ত দুই মুসলিম নারী সাংবাদিককে থানায় নিয়ে পেটাল দিল্লি পুলিশ ‘সনাতন ধর্মাবলম্বীরা ‘ভোট ব্যাংক’, এ কৃত্রিম মিথ ভেঙে চুরমার হয়েছে’ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনীতিতে ক্ষমতার দাপট দেখানো মানুষের অভাব নেই: মান্না ২ মন্ত্রী আসার খবরে বদলে গেল হাসপাতালের পরিবেশ, অবাক রোগীরা বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ : জাতিসংঘ সমুদ্রপাড়ে নতুন লুকে দীঘি, ভক্তদের কৌতূহল তুঙ্গে আবারো মেসিকে ফেরাতে চায় আর্জেন্টিনা

জীবনের বাঁকবদল হয়তো এভাবেই হয় – এটিএম শামসুজ্জামান

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:২১:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২০
  • ২৫৯ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ কিংবদন্তি অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামান। বড় এবং ছোট দুই পর্দা কাঁপানো এক অভিনেতা। একাল সেকাল সব সমসময়ই দর্শকপ্রিয়তায় রয়েছেন। অভিনয়ের জন্য এক ক্যারিয়ারে পেয়েছেন বহু পুরষ্কারও। এখন শারীরিক অসুস্থতার কারণে অভিনয় থেকে সাময়িক দূরে রয়েছেন। তবে আজ একজন এটিএম শামসুজ্জামান দর্শকের ভালোবাসার কারণেই হতে পেরেছেন বলে মনে করেন তিনি। এ অভিনেতা বলেন, চলচ্চিত্রে কখনও গ্রাম্য মাতব্বর, কখনওবা দুষ্টু লোক কিংবা গতানুগতিকের বাইরে অন্য ধারার কমেডি চরিত্রে অভিনয় করেছি। যখনই যে চরিত্র নিয়ে হাজির হয়েছি, তাতে দর্শকরা বেশ সাড়া দিয়েছেন।

চলচ্চিত্র পরিচালনা, অভিনয়, কাহিনি, চিত্রনাট্য ও গল্প লিখেছি। সব ছাপিয়ে অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামানকে দর্শক বেশি ভালোবেসেছে- এটাই বা কম কিসে। জীবনে অনেক কিছু হওয়ার ইচ্ছে ছিল এটিএম শামসুজ্জামানের। বাবা চেয়েছিলেন যেন ছেলে আইনজীবী হয়। কিন্তু ছেলের  ইচ্ছে ছিল লেখক হতে। কোনোটাই হতে পারেননি। অভিনেতা হওয়ার খবরে এটিএম শামসুজ্জামানকে  তার বাবা বাড়ি ছাড়া করেছিলেন। তিনি বলেন, এক জীবনে অনেক কিছু হতে চেয়েছিলাম। জীবনের বাঁকবদল হয়তো এভাবেই হয়। নইলে পরিচালক থেকে অভিনেতা হলাম কেমন করে! অথচ পরিচালনার সূত্র ধরেই আমার অভিনয়ে আসা। এটিএম শামসুজ্জামান আরো বলেন, চেয়েছিলাম লেখক হতে। কিন্তু বাবা উকিল বানাতে চেয়েছিলেন। অভিনয় শুরুর পর বাবা আমাকে বাড়ি থেকে বেরই করে দিলেন। তখন পাশের গলির জাফরান ভাইয়ের বাসায় থাকতাম। ওনার মা আমাকে খুব ভালোবাসতেন। পরে অভিনয়ের জন্য জাতীয় পুরস্কার পাওয়ার আগে জাফরানের মা মারা যান। খুব কেঁদেছিলাম। অভিনয়ের পেছনে জাফরানের মায়ের ভূমিকা কখনোই ভুলতে পারব না। আমাকে অনেক সহযোগিতা করেছিলেন। ক্যারিয়ারে অনেকের সঙ্গে কাজ করেছেন এটিএম শামসুজ্জামান। তবে সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে প্রয়াত নায়করাজ রাজ্জাকের সঙ্গে কাজ করে। এ অভিনেতা বলেন, রাজ্জাক সাহেবের সঙ্গে কাজ করে বেশ ভালো লেগেছে। তার সংলাপ ডেলিভারি খুব ভালো ছিল। পরিষ্কার-পরিছন্ন। আমার ভালো লাগতো। সহশিল্পী যদি ভালো খেলোয়াড় না হয় তার সঙ্গে খেলা জমে না। রাজ্জাক সাহেবের সবচেয়ে বড় গুণ বাংলা খুব সুন্দর করে বলতেন। শুনতে ইচ্ছে করতো। ফেরদৌসকেও আমার মোটামুটি ভালো লেগেছে। তার ডেলিভারি খুব স্বাভাবিক।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

সড়ক দুর্ঘটনায় আহত জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী স্কয়ার হাসপাতালে

জীবনের বাঁকবদল হয়তো এভাবেই হয় – এটিএম শামসুজ্জামান

আপডেট টাইম : ১০:২১:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২০

হাওর বার্তা ডেস্কঃ কিংবদন্তি অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামান। বড় এবং ছোট দুই পর্দা কাঁপানো এক অভিনেতা। একাল সেকাল সব সমসময়ই দর্শকপ্রিয়তায় রয়েছেন। অভিনয়ের জন্য এক ক্যারিয়ারে পেয়েছেন বহু পুরষ্কারও। এখন শারীরিক অসুস্থতার কারণে অভিনয় থেকে সাময়িক দূরে রয়েছেন। তবে আজ একজন এটিএম শামসুজ্জামান দর্শকের ভালোবাসার কারণেই হতে পেরেছেন বলে মনে করেন তিনি। এ অভিনেতা বলেন, চলচ্চিত্রে কখনও গ্রাম্য মাতব্বর, কখনওবা দুষ্টু লোক কিংবা গতানুগতিকের বাইরে অন্য ধারার কমেডি চরিত্রে অভিনয় করেছি। যখনই যে চরিত্র নিয়ে হাজির হয়েছি, তাতে দর্শকরা বেশ সাড়া দিয়েছেন।

চলচ্চিত্র পরিচালনা, অভিনয়, কাহিনি, চিত্রনাট্য ও গল্প লিখেছি। সব ছাপিয়ে অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামানকে দর্শক বেশি ভালোবেসেছে- এটাই বা কম কিসে। জীবনে অনেক কিছু হওয়ার ইচ্ছে ছিল এটিএম শামসুজ্জামানের। বাবা চেয়েছিলেন যেন ছেলে আইনজীবী হয়। কিন্তু ছেলের  ইচ্ছে ছিল লেখক হতে। কোনোটাই হতে পারেননি। অভিনেতা হওয়ার খবরে এটিএম শামসুজ্জামানকে  তার বাবা বাড়ি ছাড়া করেছিলেন। তিনি বলেন, এক জীবনে অনেক কিছু হতে চেয়েছিলাম। জীবনের বাঁকবদল হয়তো এভাবেই হয়। নইলে পরিচালক থেকে অভিনেতা হলাম কেমন করে! অথচ পরিচালনার সূত্র ধরেই আমার অভিনয়ে আসা। এটিএম শামসুজ্জামান আরো বলেন, চেয়েছিলাম লেখক হতে। কিন্তু বাবা উকিল বানাতে চেয়েছিলেন। অভিনয় শুরুর পর বাবা আমাকে বাড়ি থেকে বেরই করে দিলেন। তখন পাশের গলির জাফরান ভাইয়ের বাসায় থাকতাম। ওনার মা আমাকে খুব ভালোবাসতেন। পরে অভিনয়ের জন্য জাতীয় পুরস্কার পাওয়ার আগে জাফরানের মা মারা যান। খুব কেঁদেছিলাম। অভিনয়ের পেছনে জাফরানের মায়ের ভূমিকা কখনোই ভুলতে পারব না। আমাকে অনেক সহযোগিতা করেছিলেন। ক্যারিয়ারে অনেকের সঙ্গে কাজ করেছেন এটিএম শামসুজ্জামান। তবে সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে প্রয়াত নায়করাজ রাজ্জাকের সঙ্গে কাজ করে। এ অভিনেতা বলেন, রাজ্জাক সাহেবের সঙ্গে কাজ করে বেশ ভালো লেগেছে। তার সংলাপ ডেলিভারি খুব ভালো ছিল। পরিষ্কার-পরিছন্ন। আমার ভালো লাগতো। সহশিল্পী যদি ভালো খেলোয়াড় না হয় তার সঙ্গে খেলা জমে না। রাজ্জাক সাহেবের সবচেয়ে বড় গুণ বাংলা খুব সুন্দর করে বলতেন। শুনতে ইচ্ছে করতো। ফেরদৌসকেও আমার মোটামুটি ভালো লেগেছে। তার ডেলিভারি খুব স্বাভাবিক।