ঢাকা ০৪:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
১৫ দিনে প্রবাসী আয় এলো ১৯ হাজার ৯৩২ কোটি টাকা মহররমের চাঁদ দেখা গেছে ২৬ জুন সারাদেশে উদযাপিত হবে পবিত্র আশুরা সেপ্টেম্বর-অক্টোবর থেকে পর্যায়ক্রমে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী প্রতিটি জেলায় খামার স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে: কৃষিমন্ত্রী আত্রাই নদীতে অবৈধ সৌতিজালের বিরুদ্ধে অভিযান নেটওয়ার্ক খুঁজতে আম গাছে প্রধান শিক্ষক, কী ঘটেছিল সাবেক আইজিপি বেনজীরকে দেশে ফেরাতে আরব আমিরাতকে দুদকের চিঠি মাদরাসা শিক্ষকদের মে মাসের বেতন বিলম্ব: দ্রুত সমাধান ও স্থায়ী ব্যবস্থার দাবি বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের যুব সমাজকে মাদকমুক্ত করতে খেলাধুলা-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে জোর দিতে হবে রাত পোহালেই আর্জেন্টিনার ম্যাচ, মাঠে নামলেই ইতিহাস গড়বেন মেসি

ব্রিটিশরা আমাদের জন্য দুটি ভালো জিনিস রেখে গেছে

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৫৭:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০১৫
  • ৪৭৮ বার

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেছেন, ব্রিটিশরা আমাদের দেশে দুটি ভালো জিনিস রেখে গেছে। এ দুটি জিনিস হলো- ইংরেজি ভাষা ও বিচার ব্যবস্থা (সিস্টেম অব জাস্টিস) প্রণয়ন।

শনিবার সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় বিচার বিভাগীয় সম্মেলন-২০১৫ এ বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মুহিত বলেন, ‘ব্রিটিশ বিচার ব্যবস্থা অনেক পুরোনো। আমরা তাদের অধীনে ১৯০ বছর ছিলাম। সে সময় তাদের কাছ থেকে দুটো ভালো জিনিস পেয়েছি। ইংরেজিতে আমরা বেশ এগিয়ে রয়েছি। তারা সে সময় এ অঞ্চলে ইংরেজি না আনলে আমরা হয়তো অনেক পিছিয়ে থাকতাম।’

বিচার ব্যবস্থায় ব্রিটিশরা আরো একটি বড় কাজ করে গেছে উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘বিচার বিভাগ তাদের কাজ করবে এটা নিয়মতান্ত্রিক। তবে স্ববিবেচনার একটি সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছেন তারা। আমাদের কোর্টগুলো এটি নির্ধারণ করে দিয়েছে।’

এ উপ মহাদেশে ১৮৬৩-৬৫ সাল থেকেই রাজনীতির সূচানা উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘সে সময় থেকেই মূলত এ অঞ্চলে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে কথা শুরু হয়। আমরা সেটা করতে পেরেছি। বিচার বিভাগের স্বাধীনতার ভালো ইতিহাস রয়েছে আমেরিকায়। সেখানে জর্জ মার্শাল নামের এক প্রধান বিচারপতি ছিলেন। তিনি তাদের কন্সটিটিউশনকে বেশ প্রভাবিত করতে পেরেছেন।’

সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী বলেন, ছোটবেলা থেকেই বিচাকদের প্রতি আমার আকর্ষণ ছিল। চেষ্টাও করেছি আইননজ্ঞ হতে। পড়াশুনাও করেছিলাম। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর পরীক্ষা দেয়া হয়নি। পরে অন্য কাজে জড়িয়ে যাই। তবে সেখানেই প্রথমদিকে বিচার কার্য করতে হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন রাষ্ট্রপতি। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য প্রদান করেন, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক এবং অংশগ্রহণকারী বিচারকরা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

১৫ দিনে প্রবাসী আয় এলো ১৯ হাজার ৯৩২ কোটি টাকা

ব্রিটিশরা আমাদের জন্য দুটি ভালো জিনিস রেখে গেছে

আপডেট টাইম : ১১:৫৭:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০১৫

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেছেন, ব্রিটিশরা আমাদের দেশে দুটি ভালো জিনিস রেখে গেছে। এ দুটি জিনিস হলো- ইংরেজি ভাষা ও বিচার ব্যবস্থা (সিস্টেম অব জাস্টিস) প্রণয়ন।

শনিবার সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় বিচার বিভাগীয় সম্মেলন-২০১৫ এ বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মুহিত বলেন, ‘ব্রিটিশ বিচার ব্যবস্থা অনেক পুরোনো। আমরা তাদের অধীনে ১৯০ বছর ছিলাম। সে সময় তাদের কাছ থেকে দুটো ভালো জিনিস পেয়েছি। ইংরেজিতে আমরা বেশ এগিয়ে রয়েছি। তারা সে সময় এ অঞ্চলে ইংরেজি না আনলে আমরা হয়তো অনেক পিছিয়ে থাকতাম।’

বিচার ব্যবস্থায় ব্রিটিশরা আরো একটি বড় কাজ করে গেছে উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘বিচার বিভাগ তাদের কাজ করবে এটা নিয়মতান্ত্রিক। তবে স্ববিবেচনার একটি সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছেন তারা। আমাদের কোর্টগুলো এটি নির্ধারণ করে দিয়েছে।’

এ উপ মহাদেশে ১৮৬৩-৬৫ সাল থেকেই রাজনীতির সূচানা উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘সে সময় থেকেই মূলত এ অঞ্চলে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে কথা শুরু হয়। আমরা সেটা করতে পেরেছি। বিচার বিভাগের স্বাধীনতার ভালো ইতিহাস রয়েছে আমেরিকায়। সেখানে জর্জ মার্শাল নামের এক প্রধান বিচারপতি ছিলেন। তিনি তাদের কন্সটিটিউশনকে বেশ প্রভাবিত করতে পেরেছেন।’

সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী বলেন, ছোটবেলা থেকেই বিচাকদের প্রতি আমার আকর্ষণ ছিল। চেষ্টাও করেছি আইননজ্ঞ হতে। পড়াশুনাও করেছিলাম। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর পরীক্ষা দেয়া হয়নি। পরে অন্য কাজে জড়িয়ে যাই। তবে সেখানেই প্রথমদিকে বিচার কার্য করতে হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন রাষ্ট্রপতি। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য প্রদান করেন, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক এবং অংশগ্রহণকারী বিচারকরা।