ঢাকা ১১:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
সড়ক দুর্ঘটনায় আহত জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী স্কয়ার হাসপাতালে ৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ: বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ পেনশনের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, অডিট কর্মকর্তা ইশরাত বরখাস্ত দুই মুসলিম নারী সাংবাদিককে থানায় নিয়ে পেটাল দিল্লি পুলিশ ‘সনাতন ধর্মাবলম্বীরা ‘ভোট ব্যাংক’, এ কৃত্রিম মিথ ভেঙে চুরমার হয়েছে’ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনীতিতে ক্ষমতার দাপট দেখানো মানুষের অভাব নেই: মান্না ২ মন্ত্রী আসার খবরে বদলে গেল হাসপাতালের পরিবেশ, অবাক রোগীরা বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ : জাতিসংঘ সমুদ্রপাড়ে নতুন লুকে দীঘি, ভক্তদের কৌতূহল তুঙ্গে আবারো মেসিকে ফেরাতে চায় আর্জেন্টিনা

বন্যার পানিতে নেমে হিরো আলমের ত্রাণ বিতরণ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০২:৩৭:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২০
  • ২৯৫ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ বৃষ্টিতে ভিজে, বানের পানি ঠেলে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ দিয়ে এলেন হিরো আলম। বগুড়া জেলার সারিয়াকান্দি উপজেলার যমুনার পানিতে তলিয়ে যাওয়া গ্রামে আজ সোমবার সকালে ত্রাণ নিয়ে যান আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম। বৃষ্টিতে ভিজে একসা হয়ে গেছেন, তবুও থামেননি। ইঞ্জিন চালিত নৌকা নিয়ে চলে গেছেন বন্যার্তদের ঘরে ঘরে।

সারিয়াকন্দি থেকে মোবাইল ফোনে কালের কণ্ঠকে হিরো আলম বলেন, আমি সামান্য মানুষ। এইখানে অনেক মানুষ খেয়ে না খেয়ে আছে। তাদের সামান্য কিছু সহায়তা করতে পেরেছি। আরো সহায়তা দরকার। আমার মনে হয় সমাজের বিত্তবানদের এইসব বন্যার্ত মানুষদের পাশে দাঁড়ানো দরকার।

হিরো আলমের ত্রাণের পরিমাণ এক লাখ টাকা। যারমধ্যে ৫০ হাজার টাকা পেয়েছিলেন অনন্ত জলিলের সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হয়ে।

হিরো আলম বলেন, অনন্ত জলিল আমাকে চলচ্চিত্র থেকে বাদ দিয়েছেন। তবে তিনি আমাকে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার সময় ৫০ হাজার টাকা দিয়েছিলেন। বাদ দেওয়ার পর সেই টাকা আমি ফেরত দেওয়ার চেষ্টা করেছি। কিন্তু উনি নেননি। বিভিন্নভাবে টাকাটা দেওয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হওয়ার পর ভাবলাম, বন্যার্তদের মাঝে বিলিয়ে দিই।

হিরো আলম বলেন, ৫০ হাজার টাকার সঙ্গে আরো ৫০ হাজার টাকা যোগ করে এক লাখ টাকার একটা ফান্ড তৈরি করি। একটি লুঙ্গি ও একটি শাড়ি ও টাকার খাবার-মোট এক হাজার টাকা মাথাপিছু ১০০ পরিবারকে দিয়েছি। বন্যায় অনেকেই কষ্ট পাচ্ছে, ভাবলাম সামান্য চেষ্টা করি। যার জন্য এই পরিকল্পনাই করলাম।  সাধ্য হলে আরো সহায়তা করব।

বগুড়ার এরুলিয়া ইউনিয়নের এরুলিয়া গ্রাম থেকে উঠে আসেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। আলোচনা ও সমালোচনার কেন্দ্রে পরিণত হয়ে হিরো আলম ওরফে আশরাফুল আলম ঢাকায় চলে আসেন। স্থানীয়ভাবে তিনি ডিশ আলম হিসেবেও পরিচিত। কেননা এরুলিয়ায় তাঁর কেবল নেটওয়ার্কের ব্যবসা রয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

সড়ক দুর্ঘটনায় আহত জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী স্কয়ার হাসপাতালে

বন্যার পানিতে নেমে হিরো আলমের ত্রাণ বিতরণ

আপডেট টাইম : ০২:৩৭:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২০

হাওর বার্তা ডেস্কঃ বৃষ্টিতে ভিজে, বানের পানি ঠেলে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ দিয়ে এলেন হিরো আলম। বগুড়া জেলার সারিয়াকান্দি উপজেলার যমুনার পানিতে তলিয়ে যাওয়া গ্রামে আজ সোমবার সকালে ত্রাণ নিয়ে যান আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম। বৃষ্টিতে ভিজে একসা হয়ে গেছেন, তবুও থামেননি। ইঞ্জিন চালিত নৌকা নিয়ে চলে গেছেন বন্যার্তদের ঘরে ঘরে।

সারিয়াকন্দি থেকে মোবাইল ফোনে কালের কণ্ঠকে হিরো আলম বলেন, আমি সামান্য মানুষ। এইখানে অনেক মানুষ খেয়ে না খেয়ে আছে। তাদের সামান্য কিছু সহায়তা করতে পেরেছি। আরো সহায়তা দরকার। আমার মনে হয় সমাজের বিত্তবানদের এইসব বন্যার্ত মানুষদের পাশে দাঁড়ানো দরকার।

হিরো আলমের ত্রাণের পরিমাণ এক লাখ টাকা। যারমধ্যে ৫০ হাজার টাকা পেয়েছিলেন অনন্ত জলিলের সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হয়ে।

হিরো আলম বলেন, অনন্ত জলিল আমাকে চলচ্চিত্র থেকে বাদ দিয়েছেন। তবে তিনি আমাকে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার সময় ৫০ হাজার টাকা দিয়েছিলেন। বাদ দেওয়ার পর সেই টাকা আমি ফেরত দেওয়ার চেষ্টা করেছি। কিন্তু উনি নেননি। বিভিন্নভাবে টাকাটা দেওয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হওয়ার পর ভাবলাম, বন্যার্তদের মাঝে বিলিয়ে দিই।

হিরো আলম বলেন, ৫০ হাজার টাকার সঙ্গে আরো ৫০ হাজার টাকা যোগ করে এক লাখ টাকার একটা ফান্ড তৈরি করি। একটি লুঙ্গি ও একটি শাড়ি ও টাকার খাবার-মোট এক হাজার টাকা মাথাপিছু ১০০ পরিবারকে দিয়েছি। বন্যায় অনেকেই কষ্ট পাচ্ছে, ভাবলাম সামান্য চেষ্টা করি। যার জন্য এই পরিকল্পনাই করলাম।  সাধ্য হলে আরো সহায়তা করব।

বগুড়ার এরুলিয়া ইউনিয়নের এরুলিয়া গ্রাম থেকে উঠে আসেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। আলোচনা ও সমালোচনার কেন্দ্রে পরিণত হয়ে হিরো আলম ওরফে আশরাফুল আলম ঢাকায় চলে আসেন। স্থানীয়ভাবে তিনি ডিশ আলম হিসেবেও পরিচিত। কেননা এরুলিয়ায় তাঁর কেবল নেটওয়ার্কের ব্যবসা রয়েছে।